অপকার গোল মরিচ বাগানে বিশ্ব ব্যাংক প্রতিনিধি দল

0
53

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অপকা’র বাস্তবায়নে কয়েকটি গোল মরিচ খেত পরিদর্শন করেছে ইন্টারন্যাশনাল পাউন্ড ফর এগ্রিকালচারাল ডেভোলভমেন্টের এসোসিয়েট প্রফেশনাল অফিসার ক্রিস্টা কেটিং ও কনসালটেন্ট জান্স। গত বুধবার (২৪ জুলাই) বিকালে উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের কয়লা খামার পাড়া এলাকায় দুইটি গোল মরিচ খেত পরিদর্শন করে তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। এসময় বিশিষ্ট কবি কাইয়ূম নিজামী, অপকার নির্বাহী পরিচালক মো. আলমগীর, মিরসরাই প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শারফুদ্দীন কাশ্মীর, কমফোর্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
এসময় ক্রিস্টা কেটিং সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশের মতো জায়গায় গোল মরিচ চাষ হচ্ছে এটি আশ্চর্যজনক ব্যাপার। আদিবাসী নারীরা অপকার সহয়োগীতায় অনাবাদী জমিতে গোল মরিচ চাষ করছে। এতে করে ওই পরিবার অচিরেই স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে।
জান্স বলেন, আশা করা যাচ্ছে প্রতিটি গাছে প্রতি মৌসুমে কমপক্ষে এক কেজি গোল মরিচ পাওয়া যাবে। যা বাংলাদেশি মূদ্রায় প্রায় ১হাজার থেকে ১২শত টাকা। তিনি অপকাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অপকা একটি ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ হাতে নিয়েছে।
স্থানীয় গোল মরিচ চাষি ময়ূরী রাণী ত্রিপুরা জানান, অপকার সহযোগিতায় তিনি একটি গোল মরিচ খেত করেছেন। একটি ক্ষেতে ৫০০টি গাছ রয়েছে। ৪টি গাছের জন্য দেয়া হয়েছে একটি পাকা খুটি। ইতিমধ্যে ফল (গোল মরিচ) আসতে শুরু করেছে। তিনি একটি বাগান থেকে বছরে দেড় থেকে ২ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন বলে আশাবাদী।
অপকার (অর্গেনাইজেশন ফর দ্য পুয়র এডভান্সমেন্ট) নির্বাহী পরিচালক মো. আলমগীর জানান, মিরসরাই ও ফটিকছড়িতে তাদের ২০টি গোল মরিচ খেত রয়েছে। প্রতিটি খেত তৈরিতে প্রায় ১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। খেতগুলো কোন প্রকার মুনাফা ছাড়া দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে বিতরণ করা হচ্ছে। যাতে করে তারা স্বাবলম্বী হতে পারে।