অবৈধ স্থাপনা এবং কাচাঁ বাজার স্থানান্তারের পর

0
18
শামসু উদ্দীন. টেকনাফ কক্সবাজার প্রতিনিধি.
টেকনাফ পৌর শহরের চেহাঁরা পাল্টে যাচ্ছে: যাত্রী সকল ও ভোক্তাদের স্বস্থিরনিশ্বাস
অবৈধ স্থাপনা এবং কাচাঁ বাজার ষ্ঠেশান থেকে নাইটং পাড়া বাস টার্মিনালে স্থানান্তরের পর টেকনাফ পৌর শহরের চেহাঁরা দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। এতে যাত্রী সকল ও ভোক্তারা স্বস্থির নিশ্বাস ফেলেছে। ২০০২ সালে পৌরসভা সৃষ্ঠির পর থেকে এ পর্য্যন্ত পৌর ষ্ঠেশানসহ অলিতে গলিতে বেঙের ছাতার ন্যায় অবৈধ স্থাপনা এবং যত্রতত্র স্থানে, নিয়ম নীতি ছাড়াই ভাসমান বিভিন্ন দোকান পাঠ এবং প্রধান সড়কের পাশ্বে ও দোকানের সামনের কাচাঁ বাজারের স্থাপিত হয়েছিল। পৌর কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসনের বারংবার ভ্রাস্যমান আদালত পরিচালনা ও উচ্ছেদ অভিয়ান করে ও কোন সুফল আনতে পারেনী। এর ফলে পৌর ষ্ঠেশান সহ বিভিন্ন স্থানে যানজাট লেগে থাকতো। এতে যাত্রী, পর্যটক রোগী, যাত্রী সকল ও ভোক্তারা অবাধ যাতায়াত করতে বাধাগ্রস্থ হতো। এ ভয়াবহ দৃশ্য দেখে দেশী ও বিদেশী পর্যটকেরা টেকনাফ পৌর শহরের অবস্থাপনার প্রতি খারাপ মন্তব্য করত। অবশেষে টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় পৌর শহরের ৪ শতাধীক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে এবং দীর্ঘ দিনের সমস্যা মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ষ্ঠেশানের কাচাঁ বাজার নাইটং পাড়া বাস টার্মিনাল মাঠের উত্তরাংশে স্থানান্তর  করে এবং গোটা পৌর ষ্ঠেশনের প্রধান সড়ক উম্মোক্ত হয়ে যায় এবং অবাধ যাতায়াতের ব্যবস্থার সুগম ঘটে। অপরদিকে এর পাশাপাশি পৌশহরের প্রতি দোকানের সামনে ফুলের টপ ও বৃক্ষাধী দিয়ে আচ্ছাদিতে করা হয়। ১৩ জানুয়ারি  সকাল ১১ টায় এ প্রতিবেদক টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশের সাথে পৌরশহরের প্রসংগ নিয়ে আলাপ চারিতা কালে তিনি বলেন শাসকের মধ্যে দুইটি শুন অবশ্যই থাকতে হবে। একটি হচ্ছে শাসককে হতে কঠোর এবং অন্যটি হচ্ছে সোহাগ। এ দুইটি গুনাবলী দিযে পৌর পিতা  হিসাবে শাসন করতে হবে। এর কৃতিত্ব শুধু আমার একা নয়। স্থানীয় প্রশাসন, সংবাদিক, ব্যবসায়ী ও সচেতন জনগণের সহযোগিতায় দীর্ঘদিনের জন ভোগান্তি সমস্যা নিসমন করতে পেরেছি। এত আমার মনের প্রশান্তি।