ষষ্ঠী, দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাস আজ

0
104

মির্জা ইমতিয়াজ শাওন, নিউজচটিাগাং২৪.কম:
দুর্গাহিন্দু সমপ্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে আজ। গতকাল সন্ধ্যার পর ষষ্ঠী তিথির সূচনা হয়েছে। আজ সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠীবিহিত পূজা। সায়ংকালে মন্ত্রণ ও অধিবাস। সেই অনুযায়ী আজ দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে মন্দিরে মন্দিরে আর পূজামণ্ডপে। ঢাকের বোল, মন্ত্রপাঠ, কাঁসর ঘণ্টা, শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনিতে কেঁপে উঠবে প্রতিটি পূজামণ্ডপ। ঘরে ঘরে শুরু হবে অতিথি আপ্যায়ন। উৎসব-আনন্দে মেতে উঠবে শিশু-কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণীসহ সব বয়সী মানুষ। বাহারি পোশাক আর অঙ্গসজ্জায় নিজেদের সাজিয়ে রাঙিয়ে তারা মন্দিরে-মণ্ডপে ভিড় করবে। দেবী দুর্গার নামে পরস্পরের কল্যাণ কামনা করবে। মা দুর্গার আশীর্বাদ চাইবে পরস্পরের সুস্বাস্থ্য আর দীর্ঘায়ু কামনায়। গতকাল সায়ংকালে দেবীর বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকালে প্রতিটি মণ্ডপে শুরু হয় মন্ত্রপাঠ, পূজার্চনা ও প্রসাদ বিতরণ। এ উপলক্ষে চট্টগ্রামসহ সারা দেশের পূজামণ্ডপগুলোকে রঙিন সাজে সাজানো হয়েছে। আয়োজন করা হয় ভক্তিমূলক গান, আরতিসহ নানা বৈচিত্র্যময় অনুষ্ঠানমালার। আজ মহাসমারোহে হবে ষষ্ঠী পূজা। দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাস। সাধারণত আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠ দিন অর্থাৎ ষষ্ঠী থেকে দশম দিন দশমী অবধি পাঁচ দিন দুর্গোৎসব হয়। এই পাঁচটি দিন যথাক্রমে দুর্গাষষ্ঠী, মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী, মহানবমী ও বিজয়া দশমী নামে পরিচিত। আবার সমগ্র পক্ষটি দেবীপক্ষ। এ পক্ষের সূচনা হয় পূর্ববর্তী অমাবস্যার দিন; এই দিনটি মহালয়া। অন্যদিকে দেবীপক্ষের সমাপ্তি পঞ্চদশ দিন পূর্ণিমায়; এই দিনটি কোজাগরী পূর্ণিমা নামে পরিচিত ও বাৎসরিক লক্ষ্মীপূজার দিন। দুর্গাপূজা মূলত পাঁচদিনের অনুষ্ঠান হলেও মহালয়া থেকেই প্রকৃত উৎসবের সূচনা ও কোজাগরি লক্ষ্মীপূজায় এর সমাপ্তি। পশ্চিমবঙ্গের কোনও কোনও পরিবারে অবশ্য ১৫ দিন দুর্গোৎসব পালনের প্রথা আছে। পঞ্জিকামতে আজ সায়ংকালে দেবীর বোধন আমন্ত্রণ ও অধিবাস। গতকাল সন্ধ্যার পর ষষ্ঠী তিথির সূচনা ঘটে। আজ রাত অব্দি তিথি থাকবে। অতঃপর শুরু হবে মহাসপ্তমী তিথি। কাল মহাসপ্তমীর প্রভাতে ঢাক-ঢোলক-কাঁসর বাজিয়ে কলাবউ স্নান ও আদরিণী উমার সপরিবারে তিথি বিহিত পূজা। ২রা অক্টোবর মহা অষ্টমীর দিন সকালে কুমারীপূজা ও রাতে সন্ধিপূজা। ৩রা অক্টোবর মহানবমী ও বিজয়া দশমী। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে শারদীয় দুর্গোৎসব। এ উপলক্ষে গতকাল শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ। এসময় তারা কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিমা ভাঙচূরের নিন্দা জানিয়ে দেশের প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানান। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, এ বছর সারা দেশে প্রায় ২৮ হাজার ৫শ’টি স্থায়ী মন্দির ও অস্থায়ী মণ্ডপে পূজা হচ্ছে। এর মধ্যে জেলাওয়ারি পূজার সংখ্যায় এগিয়ে আছে টাঙ্গাইল জেলা। এ জেলায় এবছর সর্বাধিক ১১৯০টি পূজা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।
আজ ষষ্ঠী, দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাস
এ বছর চট্টগ্রামে এক হাজার ৭৪১টি পূজা মন্ডপে দুর্গা পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি উপজেলায় এক হাজার ৪৯০টি এবং চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২৫১টি পূজা মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

চট্টগ্রামের প্রতিটি উপজেলায় প্রায় ১৫টি করে এবং চট্টগ্রাম নগরে প্রায় ২০টি পূজা মন্ডপ ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে মঠ-মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও বসত বাড়িতে হামলা, ভাংচুর অগ্নিসংযোগ, লুটপাটের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি ও দুর্গাপূজায় চারদিনের সরকারি ছুটি ঘোষনার দাবি জানানো হয়।

এদিকে পূজা মন্ডপগুলোতে আযান ও নামাজের সময় এবং রাত ১২টার পর মাইক ব্যবহার বন্ধ রাখা, আতশ বাজি ও পটকা ফোটানো বন্ধ রাখা এবং বিজয়া দশমিতে দুপুর ২টা থেকে সূর্যাস্তের মধ্যে প্রতিমা বিসর্জনের চেষ্টা করার জন্য বিভিন্ন পূজা কমিটিগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য ও প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়-

রাজধানীতে এ সংখ্যা ২২১টি। ঢাকা মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির হিসেবে সূত্রাপুরে ২৫টি, কোতোয়ালিতে ২২টি, তুরাগে ১২টি ছাড়াও অভিজাত এলাকা গুলশান বনানীতে ৮টি, দারুসসালামে ৮টি, চকবাজারে ৫টি, লালবাগে ৫টি, হাজারীবাগে ৯টি, বংশালে ২টি, ওয়ারীতে ১৫টি, গেন্ডারিয়ায় ১৪টি, কদমতলীতে ৭টি, শ্যামপুরে ৬টি, ডেমরায় ১০টি, যাত্রাবাড়ীতে ৬টি, সবুজবাগ-শাহাজাহানপুরে ৬টি, মুগদায় ৪টি, মতিঝিলে ১টি, রামপুরায় ১টি, খিলগাঁওয়ে ৩টি, বাড্ডায় ৯টি, ভাটারায় ৪টি, খিলক্ষেতে ৩টি, তেজগাঁওতে ৪টি, শেরেবাংলা নগরে ৩টি, শাহবাগে ২টি, রমনায় ১টি, ধানমন্ডিতে ১টি, মোহাম্মদপুরে ৮টি, মিরপুরে ৩টি, শাহ আলীতে ১টি, পল্লবীতে ৪টি, কাফরুলে ১টি, উত্তরখানে ১টি, দক্ষিণখানে ১টি, উত্তরায় ২টি, বিমানবন্দরে ১টি মণ্ডপে পূজা হচ্ছে। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কাজল দেবনাথ বলেন, সারা দেশে ২৮ হাজারের বেশি পূজামণ্ডপে এবার মহাসমারোহে দুর্গা পূজা হচ্ছে। ইতিমধ্যে স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী ও পুলিশের উচ্চ পর্যায়ে আমাদের মতবিনিময় হয়েছে। যদিও দেশের কিছু এলাকায় প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে তারপরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পূজার সময় নিরাপত্তার বিষয়ে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। সারা দেশের পূজামণ্ডপগুলোকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হবে। পাশাপাশি পূজা কমিটির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক টিমও নিরাপত্তার বিষয়ে সক্রিয় থাকবে। ঢাকা মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ সাহা মণি বলেন, এবার মহানগরীতে ২১৮টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব হচ্ছে। এর মধ্যে কোতোয়ালি থানার অধীনে ২১টি ও সূত্রাপুরে ২৪টি পূজা হবে। প্রস্তুতিও চলছে বেশ জোরেশোরে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমাদের একাধিক বৈঠক হয়েছে। তারা নিরাপত্তার বিষয়ে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। এবারও র‌্যাব পুলিশের পাশাপাশি ১০ জন নিয়ে গঠিত একটি করে স্বেচ্ছাসেবক টিম থাকবে মণ্ডপগুলোতে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্গা পূজা উপলক্ষে সারা দেশের পূজামণ্ডপে প্রায় দেড় লাখের বেশি আনসার সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে ইতিমধ্যে নিয়োজিত হয়েছেন। পাশাপাশি পুলিশ, র‌্যাব-এ দায়িত্ব পালন করছে।

হাটহাজারীতে শারদীয় দুর্গা পূজা উৎসবের ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এবার উপজেলার আওতাধীন বিভিন্ন ইউনিয়নে মোট ৯৯টি পূজা মন্ডপে পূজা অমুষ্ঠিত হবে। এজন্য প্রত্যেক মন্ডপে এখন সাজ সাজ রব। শান্তি পূর্ণ ভাবে পূজা উদযাপনের জন্য পূজা কমিটি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদ ও প্রশাসন সূত্রে জানা যায় উপজেলার আওতাধীন বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডে ৯৯টি পূজা মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেক পূজা মন্ডপে ইনচার্জ প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় সর্ম্পন্ন হয়েছে। তাছাড়া মন্ডপ সাজানো ও তৈরির কাজও চলছে পুরোধমে। প্রত্যেক মন্ডপে মন্ডপ কমিটির প্রতিনিধি ও বিভিন্ন এলাকা থেকে গণ্যমান্য লোকজন নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা অনুসারে উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্মেলন ডেকে। পূজা উৎসবকে আকর্ষণীয় করার জন্য প্রত্যেক কমিটির মধ্যে এক প্রকার প্রতিযোগিতা চলছে। কে কি ভাবে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে পূজা করতে পারে। পূজায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য মন্ডপ কমিটি শক্তি শালী স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করেছে তাছাড়া উপজেলা প্রশাসনের সার্বক্ষণিক একটি কর্ন্টোল রুম খোলা থাকবে।

প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সমন্বয়ে তদারক কমিটি থাকবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেখ ফরিদ আহমেদ সমন্বয় কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। থানা প্রশাসানের পক্ষ থেকে প্রত্যেক ইউনিয়নে একজন উপ-সহকারী পুলিশ কর্মকর্তা সমন্বয়ে ভিজিলেন্স টিম করবে। উপজেলার জন্য দুটি ১০/১২ জন পুলিশের সমন্বয়ে একজন অফিসারের নেতৃত্বে আরো দুটি বিজিলেন্স টিম তদারকি দায়িত্ব পালন করবে। প্রত্যেক মন্ডপে প্রর্যাপ্ত সংখ্যা আনসার ভিডিপি সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক শান্তি শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করবে। আগামী ২ অক্টোবর বোঁধন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৩ অক্টোবর থেকে দুর্গাপূজা শুরু হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূজায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা ইনচার্জ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে হাটহাজারী মডেল থানার কর্মকর্তা ইনর্চাজ সামিউল আলম সাংবাদিকদের জানান। দুর্গাপূজা শান্তি পূর্ণ ভাবে শেষ করার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

এবার ১নং ফরহাদাবাদ ইউনিয়নে ২টি, ধলই ইউনিয়নে ১৩টি, মির্জাপুর ইউনিয়নে ১১টি, গুমানমর্দ্দন ও নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নে ১টি করে, হাটহাজারী সদরে ইউনিয়নে ৮টি, মেখল ইউনিয়নে ৯টি, ফতেপুর ইউনিয়নে ৩টি, চিকনদন্ডী ইউনিয়নে ২১টি, ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডে ৯টি, উত্তর ও দক্ষিণ মাদার্শা ইউনিয়নে ৪টি করে, শিকার পুর ইউনিয়নে ৭টি ও বুড়িশ্চর ইউনিয়নে ৬টি পূজা মন্ডপ করা হয়েছে। হাটহাজারী উপজেলায় শান্তি পূর্ণ পূজা উদযাপনের জন্য দুলাল চন্দ্র দে কে আহবায়ক ও বিজয় কুমার দত্তকে সদস্য সচিব করে ২১ সদস্যবিশিষ্ট একটি পূজা উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রাউজানে দুইশত সতেরটি পুজা মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপুজা
সারাদেশের মত এবারও সীতাকুন্ডে স্বারম্বরে শারদীয় দূর্গাপূজার আয়োজন চলছে। মঙ্গলবার মায়ের ঘট প্রতিষ্ঠা করে বোধন পূজার ও মন্ত্রের মাধ্যমে মাকে জাগ্রত করে ষষ্ঠী পূজার মধ্যে দিয়ে শুরু হচ্ছে মহিষাসুর বধকারীনি শক্তিরূপিনী মহামায়া মা দূর্গতিনাশিনীর পূজা। আর তার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে সীতাকুন্ডের ৫৭টি পূজামন্ডপ। এই মুহুর্তে মন্ডপে মন্ডপে চলছে মায়ের মূর্তিতে শিল্পীদের রং তুলির শেষ আঁচড়। কোন কোন মন্ডপে ডেকোরেশন নৈপুন্যতায় ও আলোক সজ্জায় সজ্জিত করে সুন্দর্য্যকে নতুন মাত্রায় বাড়িয়ে দিয়েছে। পাড়ায় পাড়ায় সনাতনী হিন্দু পরিবারের নর নারীদের মধ্যে পূজোর আনন্দের ছোয়া লেগেছে। মার্কেটে মার্কেটে নতুন জামা কাপড় কিনতে পরিবার পরিজন ও আত্মীয় স্বজনদের হিরি লক্ষ্য করার মত। শরতের শিউলি ফুলের গন্ধে ও নতুন জামা কাপড় পেয়ে ছোট ছোট শিশুদের মনে নব আনন্দের পরশ লেগেছে। তবে উপজেলার ৫৭টি পূজা মন্ডপের মধ্যে ৫টি মন্ডপ ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানা গেছে। উপজেলার আইন শৃঙ্খলা সভায় প্রশাসনের কাছে ছোট কুমিরা মছজিদ্দা মাস্টারপাড়া এলাকার সার্ব্বজনীন দূর্গা বাড়ী পূজা মন্ডপ কমিটির সভাপতি সুজন ভৌমিক তাদের শংকার কথা বার বার বলেন। তারা জানান, তাদের পরিবার এবং মন্ডপ হুমকিতে রয়েছে। তাই তারা ওসির কাছে মন্ডপের নিরাপত্তা চেয়ে সীতাকুন্ড থানার ওসির কাছে আকুতি জানান। সীতাকুন্ড থানার ওসি ইফতেখার হাসান বলেন ঐ মন্ডপের নাম নোট করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হবে। ঐ এলাকা নাশকতা কারীদের ঘাটি হওয়ায় তারা একটু ভয় পাচ্ছে। আমরা পূজা মন্ডপ গুলিকে ৩ স্তরের নিরাপত্তায় ভাগ করেছি। সাধারণ, গুরুত্বপূর্ণ ও অতিগুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক পূজা মন্ডপ গুলিতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পুলিশ, আনসার নিয়োজিত থাকবে এবং র‌্যাব থাকবে টহলে। এছাড়াও জানা যায়, উপজেলার ভাটিয়ারী পূর্ব দাশ পাড়া মন্ডপ, জঙ্গল সলিমপুর ছিন্নমুল পূজা মন্ডপ, ভাটিয়ারী জেলে পাড়া দূর্গা সংঘ পূজা মন্ডপ ও কেদার খীল উত্তর কর্মকার পাড়া পূজা মন্ডপ ঝুঁকিপূণ বলে জানা গেছে।
আজ ষষ্ঠী
রাউজানে দুইশত সতেরটি পুজা মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপুজা পালিত হবে বিভিন্ন এলাকার পুজামন্ডপ গুলোতে প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষ হয়েছে । তৈরী করা প্রতিমায় রং করার কাজ করছে প্রতিমা তৈরীতে নিয়োজিত মৃৎ শিল্পিরা । সনাতন ধর্মীয় অনুসারীদের প্রধান উৎসব শারদীয় দুগোৎসব আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে । শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে রাউজানের বিভিন্ন এলাকার পুজামন্ডপে প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষ করেছে প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত শিল্পিরা । প্রতিমা তৈরী করার পর প্রতিমাগুলোতে রং লাগানের কাজে ব্যস্ত শিল্পিরা । রাউজানের জলিল নগর বাস ষ্টেশন এলাকার জগ্ননাথ বাড়ী পুজা মন্ডপে প্রতিমা তৈরী করছেন রাউজানের ঢেউঢা পাড়া এলাকার মৃৎ শিল্পি রুপম চক্রবর্তী । জগ্ননাথ বাড়ী পুজা মন্ডপের প্রতিমা সহ রাউজান রাঙ্গামাটিতে ১২ টি প্রতিমা তৈরী করছেন বলে জানান, শিল্পি রুপম চক্রবর্তী । প্রতিটি প্রতিমা তৈরীতে ৬০ হাজার টাকা করে পারিশ্রমিক নিচ্ছেন শিল্পি রপম চক্রবর্তী । রাউজান ফকির হাট কালী বাড়ী মন্দির, রাউজান ফকির হাটের পুর্ব পার্শ্বে, কাগতিয়া বাজার, নোয়াপাড়া পথের হাট, ডাবুয়া সহ কয়েকটি স্থানে মৃৎ শিল্পিরা রাউজানের বিভিন্ন এলাকার পুজা মন্ডপ থেকে আগাম অর্ডার নিয়ে প্রতিমা তৈরী করছেন । সনাতন ধর্মীয় অনুসারীদের শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রাউজানের হলদিয়ার উত্তর সর্তা, বৃকবানুপুর, হলদিয়া, ডাবুয়া ইউনিয়নের ডাবুয়া, পশ্চিম ডাবুয়া, কেউকদাইর, পুর্ব ডাবুয়া, সুড়ঙ্গা, হিংগলা, কলমপতি, দক্ষিন হিংগলা, নোয়াজিশ পুর ইউনিয়নের নাখ পাড়া, দাশঁ পাড়া, গহিরা ইউনিয়নের দলই নগর, রাউজান পৌরসভার গহিরা, পুর্ব গহিরা, পশ্চিম সুলতান পুর, সরতের দোকান, বলিক পাড়া, জলদাশঁ পাড়া, সুলতান পুর নন্দী পাড়া, ছিটিয়া পাড়া, দাশ পাড়া পালিত পাড়া ঢেউয়া পাড়া, পশ্চিম রাউজান, চিকদাইর ইউনিয়নের দক্ষিন সর্তা, চিকদাইর, রাউজান ইউনিয়নের কেউটিয়া, পুর্ব রাউজান, রমজান আলীর হাট নাথ পাড়া, বিণাজুরী ইউনিয়নের পশ্চিম বিনাজুরী, মধ্য বিনাজুরী, লেলেঙ্গারা, জাম্মইন, নন্দ মাঝি পাড়া, কদল পুর ইউনিয়নের পশ্চিম কদল পুর, কদলপুর ভট্টপাড়া, আচার্যপাড়া, পাহাড়তলী ইউনিয়নের উন সত্তর পাড়া, জগৎপুর আশ্রম, কোয়েপাড়া, দেওয়ান পুর, খৈয়াখালী, পুর্ব গুজরা ইউনিয়নের উত্তর গুজরা, আধারমানিক, পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের উত্তর গুজরা, মগদাই, সরকার পাড়া, নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নোয়াপাড়া, পশ্চিম নোয়াপাড়া, ঝিকুটি পাড়া, উভলং. সুর্য সেন পল্লী, সেনপাড়া, বাগোয়ান ইউনিয়নের পাচঁখাইন, গশ্চি,ব্রম্বদাশ পাড়া, উরকির চর ইউনিয়নের উরকিরচর, মীরা পাড়া, খলিফার ঘোনা এলাকায় সনাতন ধর্মীয় অনুসারীদের বসবাসরত এলাকায় পুজাঁমন্ডপ গুলোতে চলছে পড়ছে সাজ সাজ রব । পুজা মন্ডপ গলোতে দিবারাত চলছে প্রতিমা তৈরীর কাজ । রাউজান উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গৌতম পালিত টিকলু জানান রাউজানে এবৎসর দুইশত সতেরটি পুজা মন্ডপে সনাতন ধর্মীয় অনুসারীরা শারদীয় দুর্গোৎসব পালন করবেন । রাউজানের দুইশত সতেরটি পুজা মন্ডপের মধ্যে দক্ষিন রাউজানে একশত পাচঁটি, রাউজান পৌরসভায় ্ঊনপঞ্চাশ টি সহ উত্তর রাউজানে একশত বারটি পুজা মন্ডপে পুজা করবে সনাতন ধর্মীয় অনুসারীরা । রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার কুল প্রদীপ চাকমা জানান রাউজানে ১৪ টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় দুইশত সতেরটি পুজা মন্ডপে সনাতন ধর্মীয় অনুসারীদের শারদীয় দুগোৎসব সুষ্ট ও শান্তিপুর্ণভাবে অনুষ্টানের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন

মিরসরাইয়ে ৮৪টি শারদীয় দূর্গা পূজা মন্ডপে পূজার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলা প্রশাসনের সাথে আঞ্চলিক পূজা কমিটির আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সভায় একথা জানানো হয়। এবার শারদীয় দূর্গা পূজাকালীন সময়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে পূজা সমাপ্ত করতে সভায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহম্মদ আশরাফ হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন, সাইফুল ইসলাম খোকা, জোরারগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত আলী, মিরসারই থানার উপ-পরির্দশক মো.আক্কাস, মিরসারই পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম ছিদ্দিকুর রহমান, মিরসরাই পূজা উদয্পান পরিষদের সভাপতি উত্তম শর্মা, সুভাষ সরকার, অনির্বাণ চৌধুরী রাজীব প্রমুখ।
মিরসরাই পূজা উদয্পান পরিষদের সভাপতি উত্তম শর্মা জানান, মিরসরাইয়ের ১৬টি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌরসভায় এবার ৮৪টি মন্ডপে পূজার প্রস্তুতি নিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সভায় শান্তিপূর্ন ভাবে পূজা সমাপ্ত করতে সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

শারদীয় দুর্গোৎসব সামনে রেখে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে প্রতিমা তৈরিতে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন শিল্পীরা। সকাল, দুপুর, বিকেল কিংবা গভীর রাত, একটানা চলছে প্রতিমা নির্মাণের কাজ। এবার জেলার ৮ উপজেলায় পূজা মন্ডপের সংখ্যা হচ্ছে ২৫৮টি। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৬৫টি, রামুতে ২৫টি, চকরিয়ায় ৭১টি, পেকুয়ায় ১১টি, কুতুবদিয়ায় ৩৮টি, মহেশখালিতে ৩১টি, উখিয়ায় ১২টি ও টেকনাফ উপজেলায় ৫টি। স্থানীয় কারিগরদের পাশাপাশি ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার প্রতিমা শিল্পীরা বিভিন্ন মন্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন।
শহরের ঘোনারপাড়া দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক বিশ্বজিত পাল বিশু জানান, গতবার প্রতিমা তৈরিতে খরচ হয়েছে এক লাখ বিশ হাজার। এবার এক লাখ ৮০ হাজার। খরচ বেশি হওয়ায় একটু চাপ পড়লেও আয়োজনের কমতি থাকবেনা বলে জানালেন বিশ্বজিত।
প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত চট্টগ্রামের বিখ্যাত মৃৎশিল্পী অমল জানান, প্রতিমা তৈরির সরঞ্জামের মূল্য দিন দিন বাড়ছে। পাশাপাশি বাড়ছে কারিগরদের মজুরি। তাই এবারে প্রতিমা তৈরিতে খরচ বেড়েছে।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবুল শর্মা জানান, এবার পূজায় আনন্দ একদিন কম হবে। কারন এবার নবমী ও দশমী একইদিনে পড়েছে। তাই নবমীর সন্ধ্যা আরতির আগেই প্রতিমা বিসর্জন।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট রনজিত দাশ জানান, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমূখর পরিবেশে পূজা উদযাপনের লক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। অন্যান্য বছরের চাইতে এ বছর বাড়তি কিছু আয়োজনও রয়েছে। মন্ডপগুলোতে পূজা-অর্চনার পাশাপাশি রয়েছে আলোকসজ্জা এবং ধর্মীয় ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান।
ঐতিহ্যবাহী শারদীয় দুর্গোৎসব নিয়ে কক্সবাজার পুলিশ সুপার শ্যামল কান্তি নাথ জানান, পর্যটন জেলার প্রত্যেক মন্ডপে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তার এই আয়োজন বিসর্জন পর্যন্ত বহাল থাকবে। ৩ অক্টোবর কক্সবাজারে, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে শারদীয় দুর্গোৎসব।
কুতুবদিয়ায় এবার ৩৮ মন্ডপে দুর্গাপূজা
কুতুবদিয়ায় এবার ৩৮ মন্ডপে দুর্গাপূজাকক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা ৩৮টি মন্ডপে এবার ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১২টি মন্ডপে প্রতিমা ও ২৬টি মন্ডপে ঘটপূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে পুজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে। ১২টি প্রতিমা মন্ডপগুলো হচ্ছে, কুতুবদিয়া কেন্দ্রীয় কালী মন্দির (বড়ঘোপ বাজার), মধ্যম বড়ঘোপ কৈবর্ত্য পাড়া বানেশ্বর কালী মন্দির, পূর্ব বড়ঘোপ সর্বমঙ্গলা কালী মন্দির, দক্ষিণ ধুরুং নাথ পাড়া বিমল নাথের হরি মন্দির, দক্ষিণ নাথ পাড়া ভবানী মহাজনের দূর্গা মন্দির, লেমশীখালী সর্বমঙ্গলা দূর্গা মন্দির, আলী আকবর ডেইল জেলে পাড়া রাধাকৃষ্ণ নন্দধাম মন্দির, বড়ঘোপ মগডেইল রাধা গোবিন্দ দূর্গা মন্দির, উত্তর ধুরুং প্রদীপ পাড়া সার্বজনীন দূর্গা মন্দির, বড়ঘোপ মিয়ার ঘোনা মায়ের বাড়ি কালী মন্দির, পূর্ব বড়ঘোপ কৈর্বত্য পাড়া মায়ের বাড়ি দূর্গা মন্দির ও শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দির।

কুতুবদিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক সমীর কান্তি দাশ ও সাধারণ সম্পাদক ডা.রাজীব শীল জানান, শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে এবার ১২ টি মন্ডপে প্রতিমা ও ২৬টি মন্ডপে ঘটপূজা অনুষ্ঠিত হবে এবং এসব মন্ডপে প্রতিমা নির্মাণসহ যাবতীয় প্রস্ততি সম্পন্ন হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে পুজা উদযাপনে আইন-শৃংখলা কমিটি গঠনসহ একটি পরিদর্শন টীম কাজ করবে বলে তারা জানান। ২৯ সেপ্টেম্বর মহাপঞ্চমী থেকে শুরু হয়ে ৩ অক্টোবর শুক্রবার মহাদশমী পালনের মধ্যে দিয়ে শারদীয় দূর্গা পূজার সমাপ্তি ঘটবে।
কুতুবদিয়া থানার ওসি মো: আলতাফ হোসেন চৌধুরী জানান, কুতুবদিয়ায় দূর্গা উৎসব চলাকালে প্রত্যেক পূজা মন্ডপে পুলিশের টহল থাকবে। পূজা মন্ডপের আশেপাশে নিরাপত্তা ব্যস্থা জোরদার করা হয়েছে।

দূর্গাপূজা উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে মন্দিরগুলো সাজ সাজ রবে প্রস্তুত। মৃৎশিল্পীরাও দীর্ঘ ব্যস্ততার ইতি টেনেছে।

দেবী প্রতিমায় রঙ তুলির শেষ আঁচর সম্পন্ন হয়েছে। এ উৎসব যেন আনন্দ উৎসবে পালন করতে সক্ষম হয় এজন্য আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ।
সীতাকুন্ডে ৫৭টি মন্ডপে স্বারম্বরে শারদীয় দূর্গাপূজা
গত শনিবার দুপুরে শারদীয় দূর্গোৎসব উদ্যাপন উপলক্ষে পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত শুভেচ্ছা বিনিময় ও অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জেলার ৪৭টি পূজা মন্ডপের জন্য ৪লক্ষ ৫৫হাজার টাকা নগদ অর্থ সহযোগিতা প্রদান করেছেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ। ৪৪টি প্রতিমাপূজা মন্দিরের জন্য ১০ হাজার টাকা ও ০৩টি ঘটপূজা মন্ডপের জন্য ৫হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান করা হয়।

খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চাইথোঅং মারমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি জেলার সাংসদ কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ সহযোগিতার অর্থ স্ব-স্ব মন্দিরের সভাপতি/সম্পাদকের হাতে তুলে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পাজেপ সদস্য সাহাবউদ্দিন মিয়া ও বীর কিশোর চাক্মা অটল প্রমূখ।

জানা যায়, খাগড়াছড়িতে এবার ৪৪টি প্রতিমা পূজা ও ৩টি ঘট পূজা সহ মন্ডপের সংখ্যা ৪৭টি। তন্মধ্যে সদরে ১৫টি, মহালছড়িতে ২টি, পানছড়িতে ৮টি, দীঘিনালায় ৯টি, মাটিরাঙ্গায় ৮টি, রামগড়ে-২টি, মানিকছড়িতে-২টি ও লক্ষ্মীছড়িতে-১টি।

এর মধ্যে ঘটপূজা হবে-খাগড়াছড়ি সদরের শ্রী শ্রী কৈবল্যাপীঠ পূজা মন্ডপ, দিঘীনালা উপজেলার জামতলী মোহন বাঁশী চক্রবর্তীর মন্দির ও ছোট মেরুং ভূতাসেন পাড়া দূর্গামন্ডপ।