আর মাত্র দুদিন পরই ৮ নভেম্বর

0
1

আর মাত্র দুদিন পরই ৮ নভেম্বর। প্রেসিডেন্ট প্রার্থী নির্বাচনের জন্য এদিন ভোট দেবেন মার্কিন জনগণ। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই কমছে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন এবং রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যেকার নির্বাচনী জরিপে সমর্থনের পার্থক্য।

সর্বশেষ পাঁচটি পোলের ফলাফল হিসাব করে জানা গেছে, ৪৬ শতাংশ মার্কিন ভোটার সমর্থন দিচ্ছেন হিলারি ক্লিনটনকে।

অপর দিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দিচ্ছেন ৪৪ শতাংশ। কিছুদিন আগেও কয়েকটি জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে দুই অঙ্কের ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন হিলারি।

সম্প্রতি হিলারি ক্লিনটনের ব্যক্তিগত ইমেইল সার্ভার ব্যবহার পুনরায় তদন্তের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরোর (এফবিআই) প্রধান জেমস কমি। বিশ্লেষকদের মতে, ওই ঘোষণাই নির্বাচনী জরিপে হিলারি ক্লিনটন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যেকার ব্যবধান কমিয়ে দেওয়ার জন্য দায়ী। এবিসি নিউজ/ওয়াশিংটন পোস্টের পোলে গত ২৩ অক্টোবর ট্রাম্পের চেয়ে ১২ পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন হিলারি। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুজনের ব্যবধান কমেছে এক পয়েন্ট।

অবশ্য নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থীদের মধ্যেকার জরিপের ব্যবধান কমবে এটিই স্বাভাবিক। তবে এফবিআই-প্রধানের তদন্তের ঘোষণা ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

মার্কিন নির্বাচনের প্রচারণা শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নানারকম কেলেঙ্কারির খবর প্রকাশিত হয়। গত ৭ অক্টোবর এক ভিডিওতে নারীদের সম্পর্কে বিভিন্ন আপত্তিকর মন্তব্য করেন ট্রাম্প। পরে অনেক নারীই তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন। এসব অভিযোগ নির্বাচনী পোলে ট্রাম্পের সমর্থনে প্রভাব ফেলেছে। নির্বাচনী পোলে জাতীয়ভাবে ট্রাম্পের সমর্থন ৪০ শতাংশের মধ্যেই থেকেছে। আর রিপাবলিকানদের সমর্থন পেলেও অন্য ভোটারদের সমর্থন পেতে ব্যর্থ তিনি।

নির্বাচনের দিন এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচনী পোলের প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষোভও বেড়েছে। পোলে তাঁকে পিছিয়ে রাখাকে ‘নোংরা’ বলে দাবি করেন ট্রাম্প। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, পোলিং কম্পানিগুলো  ‘ভীষণ অসৎ’। তবে ট্রাম্প কখনোই নিজের এই দাবির পক্ষে জোরালো প্রমাণ কখনোই দেখাতে পারেননি।