ইপিজেডে রূপসা মাল্টিপারপাসে অভিযান, বিপুল টাকার জব্দ

0
223

ইপিজেডে রূপসা মাল্টিপারপাসে অভিযানে মিললো ৮ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, আটক তিন। রূপসা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন মাল্টিপারপাস কোম্পানি নামের প্রতিষ্ঠান থেকে বস্তায় বস্তায় বিপুল অংকের নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় নানা গুণজন শুরু হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে এর গ্রাহকরা প্রতিষ্ঠানের সামনে অবস্থান নেয়।

চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকায় ‘রূপসা কিং গ্রুপ’ নামে একটি কথিত সমবায় ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান গার্মেন্টস শ্রমিকদের কাছ থেকে লোভ দেখিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে অন্তত ৭ থেকে ৮ কোটি টাকা। এমন অভিযোগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা হওয়ার পর তদন্তে নামে কর্তৃপক্ষ। অভিযোগের সত্যতা পেয়ে মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের ইপিজেড চৌধুরী মার্কেটে রূপসা কিং গ্রুপের অফিসে অভিযান শুরু করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ।

মঙ্গলবার ৩টা থেকে ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশেল সিরিয়াস ক্রাইম ডিভিশনের একটি ইউনিট এই অভিযান পরিচালনা করে। রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলমান অভিযানে নগদ ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও গার্মেন্টস শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন, ইপিজেডের শ্রমিকদের নানা প্রলোভন দিয়ে সংঘবদ্ধ চক্রটি কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।

অভিযান প্রসঙ্গে সিএমপির কমিশনার মাহাবুবর রহমান বলেছেন, ‘ডিএমপি ডিবির শক্তিশালী একটি দল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে অভিযান শুরু করে ইপিজেড এলাকায়। রূপসা কিং গ্রুপ নামে একটি সমবায় ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান প্রতারণা করে গার্মেন্টস শ্রমিকদের কাছ থেকে প্রায় ৭ থেকে ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। এ ধরনের একটি অভিযোগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জমা হয় এর ভিত্তিতে অভিযান শুরু হয়।’
সিএমপির কমিশনার জানান, ‘এই অভিযানে ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইপিজেড মোড় চৌধুরী মার্কেটস্থ অফিসটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল আদালতের সহায়তায় অফিস খুলে অভিযান চালালে বিস্তারিত জানা যাবে।’

জানা গেছে, রূপসা কিং গ্রুপের নামের প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান লায়ন মো. মজিবুর রহমান কোম্পানি। এর ভাইস চেয়ারম্যান মো. মুছা হাওলাদার। এছাড়া প্রকল্প পরিচালক হিসেবে রাসেল হাওলাদার ও আমিনুল হক শাহীন নামের দুজনের নাম প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে ‘রূপসা কিং গ্রুপ’র পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।