ইরানে ইফতার

0
187

দুনিয়াজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায় রমজানের রোজা পালন করছেন। আর এই রোজার অপরিহার্য অনুষঙ্গ হল ইফতার। রোজাদারের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত ইফতারের সময়। কারণ এ সময় আল্লাহ তাআলা তাঁর রোজাদার বান্দাদের দোয়া কবুল করেন এবং ইফতারের মাধ্যমেই একজন রোজাদার তাঁর রোজা সম্পন্ন করার পর মহান আল্লাহ তাআলার নৈকট্য অর্জন করেন।

বিভিন্ন দেশের মানুষ নানাভাবে আলাদা খাবার ও সামগ্রী দিয়ে সম্পন্ন করেন ইফতার। কোথাও কোথাও একই দেশে অঞ্চলভেদে ইফতার সামগ্রীতেও পার্থক্য দেখা যায়। তবে সাধারণভাবে সব দেশের ইফতারে ফল, জুস, খেজুর, পানি, দুধ বেশ প্রচলিত। এগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয় স্থানীয় কোনো কোনো আইটেম।

আমাদের দেশে ইফতারের সময় সাধারণত ভাজা-পোড়া খাবারই বেশি পছন্দ করে ছোট বড় সব বয়সের মানুষ। তবে খাবারে তালিকায় থাকে নানা মৌসুমি ফলও। আর  শরবত তো থাকেই। এছাড়াও অনেক সময় ভারি খাবারও থাকে ইফতার আয়োজনে।

আমাদের দেশের মত অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোতেও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়েই ইফতার করেন রোজাদাররা। এক্ষেত্রে আমরা উল্লেখযোগ্য মুসলিম দেশ হিসেবে ইরানের খাদ্য তালিকা উল্লেখ করেছি।

ইরানের ইফতারের তালিকায় যা থাকেঃ

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ইরানে নানা ধরনের ফলমূল, পানীয় ও মিষ্টান্ন দিয়ে রোজাদার মুসলমানরা ইফতার করে থাকেন। ফলের মধ্যে থাকে খেজুর, আপেল, চেরি, তরমুজ আখরোট, তলেবি বা এক ধরনের বাঙ্গি, কলা, আঙ্গুর ইত্যাদি। এছাড়া, মধু, রুটি, পনির, দুধ, পানি, চা উল্লেখযোগ্য।

ইফতারিতে অনেকটা অবশ্যম্ভাবী উপাদান হিসেবে থাকে টমেটো, শসা, লেটুসপাতার সালাদ এবং পুঁদিনা ও ধনিয়া পাতাসহ নানা রকমের সুগন্ধযুক্ত পাতা।

আর থাকে এক রকমের জিলাপি, তার স্বাদ ঠিক বাংলাদেশি জিলাপির মতো নয়। হালিম নামে একটি খাবারও ইফতারিতে খাওয়া হয়। তবে এই হালিমের স্বাদ বাংলাদেশের হালিমের মতোও নয়।

ছোট চাল, চিনি আর জাফরান দিয়ে রান্না হয় এক ধরনের ক্ষির বা পায়েশ যার ইরানি নাম ‘শোলে জার্দ’।এছাড়া আরো কয়েকটি মিষ্টি জাতীয় খাবার যা বাংলাদেশের হালুয়ার মতো।

ইরানীদের খাদ্য তালিকায় ভাজা-পোড়া আইটেম তেমন থাকে না। এরা তাজা খাবার খেতেই বেশি পছন্দ করে।