এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় বেড়েছে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

0
89

সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস ১ম বর্ষের (২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি পরীক্ষায় চট্টগ্রামে বেড়েছে ভেন্যু ও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা।

শুক্রবার (১১ অক্টোবর) দেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৩২ ভেন্যুতে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) কেন্দ্রের অধীন ৫টি ভেন্যুতে ৬ হাজার ২১১ জন পরীক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। ৫টি ভেন্যু হচ্ছে- চমেক, চট্টগ্রাম কলেজ, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াসা ক্যাম্পাস, প্রবর্তক ক্যাম্পাস ও জিইসি ক্যাম্পাস।

গত বছর চট্টগ্রামের ৩টি ভেন্যুতে পরীক্ষার্থী ছিল ৪ হাজার ৬৬৩ জন। ২০১৭ সালে ৫টি ভেন্যুতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ৭৬ জন। ২০১৬ সালে ৫টি ভেন্যুতে ৭ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, নির্দেশনা মেনে সকাল ৯টায় পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করেছে পরীক্ষার্থীরা। সকাল সাড়ে ৯টায় কেন্দ্রের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, ৫টি ভেন্যুর ৭৫টি হলে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্র তদারকিতে প্রত্যেক ভেন্যুতে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শক দলের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেছেন। দুই পৃষ্ঠার প্রশ্ন ও উত্তরপত্রে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে।

কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের অপেক্ষা।পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ ছিল। পরীক্ষার্থীদের পাশাপাশি কেন্দ্রে দায়িত্বরত পরিদর্শক বা কর্মকর্তারাও মোবাইল ফোন নিতে পারেননি। তবে কেন্দ্রের অভ্যন্তরে যোগাযোগের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঁচটি অ্যানালগ মোবাইল ফোন সরবরাহ করা হয়।

জানা গেছে, সারাদেশে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৭২ হাজার ৯২৮ জন পরীক্ষার্থী। প্রত্যেকের প্রশ্নপত্র ছিল ভিন্ন। প্রশ্নের বিষয়বস্তু এক হলেও একজনের প্রশ্নের সঙ্গে আরেকজনের প্রশ্নের মিল ছিল না। প্রশ্নপত্র প্রণয়নে প্রযুক্তিগত পরিবর্তনও আনা হয়েছে। প্রশ্নপত্র প্রেরণের জন্য ট্রাংকের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয় ট্র্যাকিং ডিভাইস (জিপিআরএস)। এর মাধ্যমে ঢাকা থেকে পাঠানো প্রশ্নপত্রের ট্রাংকের গতিবিধি ও অবস্থান সংশ্লিষ্টদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

এছাড়া সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ এবং পরীক্ষার আগের দিন রাত ১০টা থেকে পরীক্ষার দিন সকাল ১১টা পর্যন্ত ইন্টারনেটের গতি সীমিত রাখার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও বিটিআরসিকে সুপারিশ করা হয়।

দেশের সরকারি ৩৬টি মেডিকেল কলেজে ৪ হাজার ৬৮টি আসন রয়েছে। ৭০টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবে ৬ হাজার ৩৩৬ জন। মোট ১০ হাজার ৪০৪ আসনের বিপরীতে ৭২ হাজার ৯২৮ জন ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।