এল.পি.জি ব্যবহারের সুবিধা

0
52

পরিবেশের সুস্থতা এবং যানবাহনের জ্বালানি খরচ বাঁচাতে যে কার্যকরী পদক্ষেপগুলো নেওয়া যায় তার মধ্যে এল.পি.জি এর (লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস) ব্যবহার অন্যতম।

ডিজেল কিংবা পেট্রোলের পরিবর্তে এল.পি.জি গ্যাসের ব্যবহার এখন বিশ্বব্যাপি। চলুন জেনে নিই গাড়িতে এল.পি.জি এর ব্যবহারে কি ধরনের সুবিধাগুলো পাওয়া যায়।

এল.পি.জি ব্যবহারে প্রথমেই যে উপকৃত হয় তা হচ্ছে আমাদের পরিবেশ। কার্বন এবং অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যের উপস্থিতি কম থাকার দরুন যেসব গাড়ি এল.পি.জি – তে চলে সেসব গাড়ি ডিজেল কিংবা পেট্রোল চালিত গাড়ি থেকে ৫০% কম কার্বন নিঃসরণ করে থাকে। ফলে পরিবেশ দূষিত হয় অনেক কম।

এল.পি.জি ব্যবহ্রত যানবাহন ডিজেলে চালিত যানবাহনগুলো থেকে তুলনামূলক কম আওয়াজ করে। এছাড়াও এল.পি.জি যেহেতু খুব দ্রুত বাতাসের সাথে মিশে যেতে পারে সেহেতু কোনোধরণের লিকেজে খুব কম বস্তুকণা উৎপাদিত হয়ে থাকে।

পেট্রোল এবং ডিজেল এর থেকে সাশ্রয়ী হওয়ায় এল.পি.জি ব্যবহারে গাড়ির যাবতীয় খরচ অনেক কমানো যায়। এছাড়াও এল.পি.জি গ্যাস গাড়িকে দেয় ডিজেল এর তুলনায় বেশি মাইলেজ, খরচ বাঁচায় ৪০% বেশি।

এছাড়াও বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা গেছে এল.পি.জি গ্যাস ব্যবহারে গাড়ির আয়ু বেড়ে যায় ৫০%, তাই যারা প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াতের জন্য গাড়ি ব্যবহার করে থাকেন তাদের জন্য এল.পি.জি গ্যাসের কোন তুলনা নেই।

এল.পি.জি গ্যাসের দহন হয় দ্রুত, বর্জ্য উৎপাদন হয় কম। ফলে সুস্থ থাকে গাড়ির ইঞ্জিন। এছাড়াও, সময়ের সাথে ডিজেল এবং পেট্রোল গাড়ির ইঞ্জিন এর সক্ষমতা কমাতে থাকে,ফলে ক্রমশ বাড়তে থাকে গাড়িটি রক্ষনাবেক্ষনের খরচ।

কিন্তু এল.পি.জি করে ঠিক এর উল্টো কাজটি। এল.পি.জি-তে চালিত গাড়ির ইঞ্জিন তেল এবং স্পার্ক প্লাগ বদলানোর ঝামেলা নিতে হয় অনেক কম, ফলে রক্ষনাবেক্ষনের ঝামেলা পোহাতে হয় কম।

তাই খরচ কমানোর পাশাপাশি গাড়ির ইঞ্জিনের সুস্থতাকে বিবেচনায় রাখলে গাড়িতে এল.পি.জি গ্যাস এর ব্যবহার এর কোনো তুলনাই নেই।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (WHO) ডিজেলের পোড়া ধোঁয়া-কে গ্রুপ ১ কারসিনোজেন এর অন্তর্ভুক্ত করেছে, যে তালিকাতে পাশাপাশি রয়েছে সিগারেট, অ্যাসবেসটস সহ অন্যান্য ক্ষতিকারক পদার্থ।এল.পি.জি ব্যবহ্রত যানবাহন ডিজেলে চালিত যানবাহনগুলো থেকে তুলনামূলক কম আওয়াজ করে। এছাড়াও এল.পি.জি যেহেতু খুব দ্রুত বাতাসের সাথে মিশে যেতে পারে সেহেতু কোনোধরণের লিকেজে খুব কম বস্তুকণা উৎপাদিত হয়ে থাকে।

পেট্রোল এবং ডিজেল এর থেকে সাশ্রয়ী হওয়ায় এল.পি.জি ব্যবহারে গাড়ির যাবতীয় খরচ অনেক কমানো যায়। এছাড়াও এল.পি.জি গ্যাস গাড়িকে দেয় ডিজেল এর তুলনায় বেশি মাইলেজ, খরচ বাঁচায় ৪০% বেশি।

এছাড়াও বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা গেছে এল.পি.জি গ্যাস ব্যবহারে গাড়ির আয়ু বেড়ে যায় ৫০%, তাই যারা প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াতের জন্য গাড়ি ব্যবহার করে থাকেন তাদের জন্য এল.পি.জি গ্যাসের কোন তুলনা নেই।

এল.পি.জি গ্যাসের দহন হয় দ্রুত, বর্জ্য উৎপাদন হয় কম। ফলে সুস্থ থাকে গাড়ির ইঞ্জিন। এছাড়াও, সময়ের সাথে ডিজেল এবং পেট্রোল গাড়ির ইঞ্জিন এর সক্ষমতা কমাতে থাকে,ফলে ক্রমশ বাড়তে থাকে গাড়িটি রক্ষনাবেক্ষনের খরচ।

কিন্তু এল.পি.জি করে ঠিক এর উল্টো কাজটি। এল.পি.জি-তে চালিত গাড়ির ইঞ্জিন তেল এবং স্পার্ক প্লাগ বদলানোর ঝামেলা নিতে হয় অনেক কম, ফলে রক্ষনাবেক্ষনের ঝামেলা পোহাতে হয় কম।

তাই খরচ কমানোর পাশাপাশি গাড়ির ইঞ্জিনের সুস্থতাকে বিবেচনায় রাখলে গাড়িতে এল.পি.জি গ্যাস এর ব্যবহার এর কোনো তুলনাই নেই।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (WHO) ডিজেলের পোড়া ধোঁয়া-কে গ্রুপ ১ কারসিনোজেন এর অন্তর্ভুক্ত করেছে, যে তালিকাতে পাশাপাশি রয়েছে সিগারেট, অ্যাসবেসটস সহ অন্যান্য ক্ষতিকারক পদার্থ।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্যমতে, ডিজেল এর ধোঁয়া পরোক্ষ ধূমপানের থেকেও অতিরিক্ত ভয়াবহ। ডিজেলের গ্যাসে রয়েছে কার্বন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, নাইট্রিক অক্সাইড, নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, সালফার অক্সাইড এবং হাইড্রোকার্বোনস।

এই উপাদানগুলো সরাসরি ভূমিকা রাখে মানবদেহে অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস, ক্যান্সার এবং বিভিন্ন ধরণের হার্টের অসুখ এর সংক্রমণের।অর্থাৎ,পরিবেশ এবং মানবদেহ, উভয়ের জন্য খারাপ যত ধরণের গ্যাসীয় পদার্থ রয়েছে, সবই উপস্থিত ডিজেলের ধোঁয়ায়।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের ডাটা থেকে পাওয়া যায়, প্রতি বছর ৩০ লক্ষেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটে বাতাসে এসকল ক্ষতিকারক পদার্থের উপাস্থিতি থাকায়।

তাই আমাদের আশেপাশের পরিবেশ এবং নিজেদের শারীরিক সুস্থতার জন্য ডিজেলের পরিবর্তে এল.পি.জি-র ব্যবহারের কোনো তুলনাই নেই।

গাড়িতে এল.পি.জি গ্যাসের ইনস্টলেশনের জন্য দেশে অসংখ্য স্টেশন রয়েছে।