কদলপুরে খায়েজ আহম্মদের বসতঘর ভাংচুর করেছে প্রতিবেশী আবু তাহের ও সন্ত্রাসীরা

0
3

শফিউল আলম, রাউজান ঃ রাউজানের কদলপুরে খায়েজ আহম্মদের বসতঘর ভাংচুর করেছে প্রতিবেশী আবু তাহের ও তার ভাড়া করা সন্ত্রাসীরা । রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের কদলপুর আমির পাড়ার বাসিন্দ্বা খায়েজ আহম্মদের ৪০ বৎসরের পুরাতন বসতঘরের পেছনের বারান্দ্বা ও পেছনের পাকা শৌচাগার প্রতিবেশী আবু তাহের ও তার পরিবারের সদস্যরা ভাড়া করা স্যন্ত্রাসী দিয়ে ভেঙ্গে দিয়েছে । গত ১০ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ১১ টার সময়ে প্রতিবেশী আবু তাহের ও তার পরিবারের সদস্যরা ভাড়া করা সন্ত্রাসী এনে খায়েজ আহম্মদের বসতঘরে হানা দেয় । সন্ত্রাসীরা দা, হেমার, লোহার কুন্তি দিয়ে খায়েজ আহম্মদের বসতঘরের বারান্দা ও ঘরের পেছনের পাকা শৌচাগার গুড়িয়ে দেয় । এসময়ে কয়েকজন সন্ত্রাসী হাতে বন্দ্বুক দিয়ে দাড়িয়ে থাকে বলে খায়েজ আহম্মদ অভিযোগ করেন । কদলপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের আমির পাড়া এলাকার বাসিন্দ্বা মৃত নুরুল হকের পুত্র খায়েজ আহম্মদ অভিযোগ করে আরো বলেন, বসতঘর ও ঘরের পেছনের শৌচাগার ভাংচুর করার সময়ে ঘরে থাকা আমার স্ত্রী কোহিনুর আকতার বাধা দিলে ঘরে প্রবেশ করে সন্ত্রাসীরা তাকে মারধর করে তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় । বসতঘর ও শৌচাগার, গোসল খানা ভাংচুর করার সময়ে ৮টি গাছ কেটে নিয়ে যায় । ঘটনার ব্যাপারে স্থানীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল করিম ও স্থানীয় মেম্বার ইলিয়াছকে জানালে তারা নিরবতা পালন করে । এঘটনার ব্যাপারে খায়েজ আহম্মদ বাদী হয়ে গত ১১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার চীপ জুডিশিয়াল ম্যজিষ্ট্রেটের আদালতে আবু তাহের, তার পুত্র জসিম, জয়, বশির আহম্মদের পুত্র জাবেদ, বশির আহম্মদ, দুদু মিয়ার পুত্র কামাল, জাহাঙ্গীর আলম, ওসমান, আনোয়ার, আবু তাহেরের স্ত্রী ফরিদা খাতুনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন । মামলা নং রাউজান সি, আর, ১৭৩/১৮ । আদালত মামলাটি তদন্ত পুৃর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য রাউজান থানায় প্রেরণ করেন । এ ব্যাপারে রাউজান থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই নুর নবীর কাছে জানতে চাইলে কদলপুরে বসতঘর ভাংচুরের ঘটনার বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি । আদালতে দায়ের করা মামলা রাউজান থানায় এখনো আসেনি বলে জানান এস আই নুর নবী । রাউজানের কদলপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল করিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাকে বসতঘর ভাংচুরের ঘটনার ব্যাপারে স্থানীয় মেম্বার ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ বলেনি ।