কলেজ ছাত্রকে পাঁচ কোপ, আটক-১

0
17
পেকুয়া প্রতিনিধি
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সোহেল আহমদ (২২) নামে এক কলেজ ছাত্রের শরীরে পাঁচ পাঁচটি কোপ দিয়ে গুরুতর আহত করেছে একদল সন্ত্রাসী। এ সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে আরিফুল ইসলাম (২৪) নামে কাতার প্রবাসী তার এক চাচাতো ভাইকেও পিটিয়ে আহত করে।
সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের জালিয়াখালী ষ্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত সোহেল একই এলাকার নুরুল আজিমের ছেলে ও প্রবাসী আরিফ আলী হোসেনের ছেলে।
পরিবারের লোকজন ঘটনার খবর পেয়ে আহত দুইজনকে উদ্ধার করে দ্রুত পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করালে সোহেলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চট্টগ্রাম কলেজের সাবেক এ ছাত্র চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন আহতের পরিবার।
পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে তাজুল ইসলাম (২৬) নামে একজনকে ওইদিন রাতেই ধৃত করেন। ধৃত তাজুল ইসলাম একই ইউনিয়নের মগকাটা এলাকার মৃত.কাছিম আলীর ছেলে।
এ ঘটনায় আহত সোহেলের পিতা নুরুল আজিম বাদী হয়ে ৭জনকে বিবাদী করে পেকুয়া থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
আহতের পিতা নুরুল আজিম জানায়,ঘটনার দিন দুপুরে বাড়ি থেকে পেকুয়া বাজারে যাওয়ার পথে জালিয়াখালীস্থ বাড়ির সামনের এলাকায় সিএনজি চালক মৃত লেদু মিয়ার ছেলে শাহেদুল ইসলাম গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। ওই সময় আমি দেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আমি তার এমন কান্ডে প্রতিবাদ করলে কথাকাটাকাটি হয়। এ ঘটনার পর আমি পেকুয়া বাজারে চলে আসি।
একপর্যায়ে তারা আমাকে অনুসরণ করে বাজারে চলে আসে। তাদের উগ্র গতিবিধি লক্ষ্য করে আমি সটকে পড়ি। তারা আমাকে না পেয়ে আবারো জালিয়াকালীতে চলে আসে। লালুর নেতৃত্বে ভাড়াটি সন্ত্রাসী মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে মনিরুল ইসলাম, তাজুল ইসলাম, আসাদুল ইসলাম কালু, মোঃ ফোরকান, নিলুফা আক্তার ও লতিফা বেগমসহ সংঘবদ্ধ আরো বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী আমার কলেজ পড়ুয়া ছেলেকে একা পেয়ে কিরিচ দিয়ে একে একে পাঁচ কোপ দেন। একপর্যায়ে তিনি মুর্মূর্ষ হয়ে  সড়কে শুয়ে পড়লে তার চাচাতো ভাই আরিফ তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে। ওই সময় তাঁকেও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। আমার ছেলে সোহেলের অবস্থা এখনো আশংকামুক্ত নয়।
স্থানীয়রা জানায়, তারা পেকুয়া বাজার থেকে দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হয়ে সিএনজি যোগে এসে প্রকাশ্যে অতর্কিত কোপাতে থাকে। তারাই এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা সটকে পড়ে।
পেকুয়া থানার ওসি সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। একজনকে আটক করা হয়েছে। তাকে মঙ্গলবার (আজ) আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্য আসামীদেরও আটকের চেষ্টা চলতেছে।