কারাবন্দিদের জন্য চট্টগ্রাম চেম্বারের ৩০টি সিলিং ফ্যান

0
59

র্রচন্ড গরমে চট্টগ্রাম কারাগারে বন্দিরা যে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে তা লাঘবে ৩০টি সিলিং ফ্যান প্রদান করেছে চট্টগ্রাম চেম্বার। কারাগার কর্তৃপক্ষের আহবানে সাড়া দিয়ে এসব ফ্যান দেয়া হয়। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও অপরাধ দমনে আইন-শৃংখলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধির সাথে সাথে কারাগারগুলোতেও কয়েদির সংখ্যা আনুপাতিক হারে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে দেশের বিদ্যমান কারাগারে সেই তুলনায় পরিধি বা সুবিধা বৃদ্ধি করা সম্ভব হয় না।

তিনি বলেন, কারাগার মূলত একজন অপরাধীর মানসিক বিকাশ ও চারিত্রিক সংশোধনের উৎস হিসেবে কাজ করে। কিন্তু উপযুক্ত পরিবেশ, পর্যাপ্ত সুবিধা ও সুব্যবস্থার অভাব একজন কয়েদির মাঝে নেতিবাচক প্রভাবের বিস্তার ঘটায়। তাই চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষের আহবানে সাড়া দিয়ে প্রচন্ড গরমে কয়েদিদের দুর্ভোগ লাঘবে মানবিক কারণে চট্টগ্রাম চেম্বার এগিয়ে এসেছে।

কয়েদিদেরকে কর্মমূখী করে গড়ে তুলতে বিভিন্ন ধরণের কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হলে পরবর্তীতে তাদের মাঝে অপরাধ প্রবণতা রোধ করতে তা কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে চেম্বার সভাপতি মন্তব্য করেন। এবং কারা কর্তৃপক্ষ আগ্রহী হলে এক্ষেত্রে চট্টগ্রাম চেম্বার সহযোগিতা করবে বলেও আশ্বাস প্রদান করেন মাহবুবুল আলম।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেলার মো. সোহেল রানা বিশ্বাস বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে ধারণক্ষমতার কয়েকগুণ বেশী কয়েদি রয়েছে। তাই কয়েদিদের প্রয়োজনীয় সুব্যবস্থা প্রদানে প্রায়ই হিমশিম খেতে হয়। এই সীমাবদ্ধতার মাঝেও কারা কর্তৃপক্ষ কয়েদিদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি কয়েদিদের কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নৈতিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ পরিচালনা করা হচ্ছে।

ডেপুটি জেলার মোহাম্মদ আবদুস সেলিমের সঞ্চালনায় এ সময় চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ, পরিচালকবৃন্দ জহিরুল ইসলাম চৌধুরী (আলমগীর), মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), ছৈয়দ ছগীর আহমদ ও সেক্রেটারী ইনচার্জ প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারুক উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি জেলার মঞ্জুরুল ইসলাম, মোঃ মনির হোসাইন, মোঃ ফখর উদ্দিন, মোঃ আতিকুর রহমান, মোঃ হুমায়ুন কবির হাওলাদার এবং বেসরকারী কারা-পরিদর্শক এম. এ. হান্নান, শেখ ফোরকানুল হক চৌধুরী, আজিজুর রহমান ও আবদুল হান্নান লিটন।