কেডিএসের এজিএমে ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

0
125

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কেডিএস এক্সেসরিজ লিমিটেডের ২৮তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন হয়েছে। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ১১টায় নগরের পতেঙ্গায় চট্টগ্রাম বোট ক্লাবের কনফিডেন্স সিমেন্ট কনভেনশন সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কোম্পানির চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম রহমান, স্বাধীন পরিচালক মোহাম্মদ জামালউদ্দিন, পরিচালক কামরুল হাসান এফসিএ, বহিঃনিরীক্ষকের প্রতিনিধি, কোম্পানির সিইও দেবাশীষ দাশ পাল, সিএফও বিপ্লব কান্তি বণিক, কোম্পানি সেক্রেটারি মনজুরে খোদাসহ বিপুল সংখ্যক শেয়ার হোল্ডার উপস্থিত ছিলেন।

খলিলুর রহমান বলেন, স্থানীয় বাজারে প্রতিযোগিতা ও তৈরি পোশাকের অর্ডার প্রাইস ধসের কারণে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়েছে। এরপরও গত বছরের চেয়ে আমাদের বিক্রি বেড়েছে ২৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা। আশাকরি, আগামী বছরও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার হোল্ডারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের পণ্য যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, ভারত, ওমান, মধ্যপ্রাচ্য, শ্রীলঙ্কায় রপ্তানি করছি। আমরা কারখানা সম্প্রসারণে উদ্যোগ নিচ্ছি।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম রহমান বলেন, ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ কারখানার কথা আপনারা শুনে থাকবেন। আমি ফরওয়ার্ড লিংকেজে বিশ্বাস করতাম। আমি রিটেইলার হতে চাই না। আমাদের চিন্তা হলো, আগামী পাঁচ বছরে আমরা নিজস্ব ডিজাইনে উৎপাদন করতে চাই। আমাদের সক্ষমতা বাড়ছে। আমরা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত। আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সচেষ্ট।

বক্তব্য দেন শেয়ারহোল্ডার হীরালাল বণিক, লুৎফুল গনি টিটু, সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ।

লুৎফুল গনি টিটু বলেন, জবাবদিহির অভাবের কারণে পুঁজিবাজারে স্বর্ণ ও তামা চেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। কেডিএস ১৫ শতাংশ ডিভিডেন্ট দিয়েছে। এটা আশা সঞ্চার করেছে বিনিয়োগকারীদের। কেডিএসের টার্নওভার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩০ কোটি টাকা। বোনাস শেয়ার হচ্ছে ডায়বেটিসের মতো। আমরা আগামী বছর ২০ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ট চাই।

সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ওয়ান ইলেভেনে অনেক শিল্পপতি পালিয়েছিলেন কিন্তু কেডিএস চেয়ারম্যানকে পালাতে হননি। এটি হচ্ছে ব্যবসায়িক সততার প্রমাণ। এ কোম্পানিতে দুর্নীতি নেই। যোগ্য নেতৃত্বের কারণে এ কোম্পানি এগিয়ে যাচ্ছে।

সভায় কোম্পানির গত ৩০ জুন নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী, পরিচালক নিয়োগ, বহিঃনিরীক্ষক নিয়োগসহ অন্যান্য বিষয় অনুমোদন হয়।