কে হচ্ছেন চট্টগ্রাম শহরের ষষ্ঠ নির্বাচিত মেয়র ?

0
783

রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম ::
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচন নিয়ে হাই প্রেসারে আছে আওয়ামী লীগ। ‌চট্টগ্রামের আকাশে বাতাসে যেন এখন নির্বাচনেরই হাওয়া। কে হচ্ছেন চট্টগ্রাম শহরের ষষ্ঠ নির্বাচিত মেয়র ? কার ভাগ্যে জুটছে ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন? – এই প্রশ্নে রাজনীতি-সচেতনদের মাঝে রয়েছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা এবং কৌতুহল ।
ক্ষমতাসীন এই দলটি মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে কিনা তাও এক দফা পরীক্ষা হয়ে যাবে এবারের এই নির্বাচনে। আওয়ামীলীগ কি ওয়ান-ইলেভেনের বেনিফেসিয়ারিদের পথে চলবে, নাকি দলের তৃণমূলের কণ্ঠস্বর শুনবে , এটিও পরখের সুযোগ মিলছে এবার ।‌ মেয়র পদে মনোনয়নের পাশাপাশি ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে মনোনয়নের ক্ষেত্রেও প্রকৃত মাঠের সাথীকে খুঁজে নিচ্ছে কি আওয়ামী লীগ? – এই প্রশ্নও সমাসীন এখন। ‌
তবে মেয়র পদে প্রার্থিতার পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনই।
তাঁর পাশাপাশি প্রায় অর্ধডজন মনোনয়ন প্রত্যাশীর নাম আছে আলোচনায় । অন্যদিকে কাউন্সিলর পদে আওয়ামীলীগ সমর্থিত বর্তমান কাউন্সিলদের পাশাপাশি প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র যুব ও আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডেই অন্তত ৪/৫ জন করেই মনোনয়ন প্রত্যাশী আছেন ।‌
দলটির নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, ফের মনোনয়ন না পেলে কপাল খুলবে বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের। ‌
কোন আকস্মিক কিংবা নাটকীয়তায় যদি ঢাকা দক্ষিণের ফর্মুলায় নগরীর কোন এমপিকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়া হয় তবে কপাল খুলবেই এই নেতার । ‌সেই ক্ষেত্রে উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার এই সাধারণ সম্পাদকই এমপি হিসেবে মনোনয়ন ও পরবর্তীতে মন্ত্রীও হতে পারেন। ‌
তাছাড়া তাঁর বদলে কোন ব্যবসায়ী-শিল্পপতি নেতা কিংবা এমপি নন, এমন অন্য কোন নেতাকে মনোনয়ন দেয়া হলে সেক্ষেত্রেও ভাগ্য সুপ্রসন্ন হতে পারে বর্তমান মেয়রের। তখন তিনি হবেন পরবর্তী অত্যাসন্ন মহানগর কমিটির সভাপতি। -দলীয় সূত্রগুলো এমন আভাস দিয়েই বলছে, মহানগরীর রাজনীতিতে কমিটির মরহুম সভাপতি সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুর পর দলটি পুরোটা সাংগঠনিক কার্য পরিচালনায় মেয়র নাছির নির্ভর হয়ে পড়ে। গত পাঁচ বছরে বিভাগীয় সম্মেলন, বর্ধিত সভা থেকে শুরু করে শহরের ঐতিহাসিক লালদীঘি মাঠ সহ বিভিন্ন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সকল সভা-সমাবেশের ব্যয়ভার বহন করেন এই মেয়রই। শুধু দলীয় এসব ব্যয় নির্বাহের ক্ষেত্রে অন্তত তিন কোটি টাকা খরচ হয়েছে মেয়র নাছিরের। এছাড়াও
দলের অনেক প্রাক্তন ও মরহুম নেতার পরিবারকে সবার অলক্ষে দিনের পর দিন, মাসের-পর-মাস তিনি সহযোগিতা করে চলেছেন।‌ দলের অভ্যন্তরে মরহুম জননেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সমর্থকদের সাথে মিলেমিশে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেও তিনি দীর্ঘদিনের বিরোধী অনেকের সাথেও সম্পর্কের উন্নয়ন করেছেন।‌ এরপরেও যদি কোন অদৃশ্য কারণে তাঁর মনোনয়ন না জোটে তবে তাতে সাংগঠনিক ব্যত্যয় ঘটার ঝুঁকিও রয়েছে বলে মনে করছেন দলীয় শুভার্থীরা অনেকে।‌ আর এই ক্ষেত্রে যদি কোনো ব্যবসায়ী বা শিল্পপতির মনোনয়ন জোটে তবে দলের অভ্যন্তরে ত্যাগ তিতিক্ষাকে অবমূল্যায়ন জনিত কারণে চাপা অসন্তোষ কিংবা দলের প্রতি অনাগ্রহ তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে।
জাতীয় রাজনীতির জন্য বন্দর শহর হিসেবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এলাকা চট্টগ্রাম মহানগরী। রাজনীতিতে এর গুরুত্বের
আদ্যোপান্ত বিচারে ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদকেরই মেয়র পদে মনোনয়নের রেওয়াজ রয়েছে। প্রাক্তন মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক থাকাকালেই মেয়র পদে দফায় দফায় মনোনয়ন দেয়া হয়। গেলবার সাধারণ সম্পাদক পদে থাকা অবস্থাতেই নাছির মনোনয়ন পান। এখনো দলটির সাধারণ সম্পাদক। তাছাড়া ক্ষমতাসীন দলের এই শাখাটির সভাপতি যখন মেয়র পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী নন, বরং সাধারণ সম্পাদককে সমর্থন করেই চলেছেন , সেই সুত্রে মনোনয়ন প্রাপ্তির সম্ভাবনা আ জ ম নাছির উদ্দিনেরই সবচেয়ে বেশি বলে আশা করা হচ্ছে।
দলীয় সূত্রগুলো জানায়, মেয়র পদে বর্তমান মেয়র ছাড়াও দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশায় আগ্রহী ও মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকারীরা হলেন সাবেক মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি , মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন বাচ্চু, খোরশেদ আলম সুজন, যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ ইউনুস,
কোষাধ্যক্ষ আব্দুচ সালাম, সাবেক মেয়র পত্নী হাসিনা মহিউদ্দিন প্রমুখ।
এদিকে মেয়র নাছির ছাড়া মেয়র পদে অন্য যারা মনোনয়ন প্রত্যাশী, তাদের কারোরই মহানগরীর সবকটি এলাকায় নিজস্ব কোন কর্মী সমর্থক নেই। সিংহভাগ মনোনয়নপ্রত্যাশীর নিজের এলাকাতেই নিজস্ব নিয়ন্ত্রণ নেই। অথচ সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর পরে একমাত্র এই বর্তমান মেয়রেরই রয়েছে পুরো চট্টগ্রাম জুড়েই নিজস্ব কর্মীবাহিনী।
শেষ পর্যন্ত অজ্ঞাত কোন বিশেষ কারণে মনোনয়ন না পেলেও সাংগঠনিক অনিবার্যতায় দলে চট্টল নগরীর আ জ ম নাছির উদ্দিন গুরুত্বপূর্ণই থাকছেন বলে মনে করা হচ্ছে। #

চসিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন :
(চসিক) নির্বাচন নিয়ে হাই প্রেসারে আছে আওয়ামী লীগ। ‌চট্টগ্রামের আকাশে বাতাসে যেন এখন নির্বাচনেরই হাওয়া। কে হচ্ছেন চট্টগ্রাম শহরের ষষ্ঠ নির্বাচিত মেয়র ? কার ভাগ্যে জুটছে ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন? – এই প্রশ্নে রাজনীতি-সচেতনদের মাঝে রয়েছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা এবং কৌতুহল ।
ক্ষমতাসীন এই দলটি মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে কিনা তাও এক দফা পরীক্ষা হয়ে যাবে এবারের এই নির্বাচনে। আওয়ামীলীগ কি ওয়ান-ইলেভেনের বেনিফেসিয়ারিদের পথে চলবে, নাকি দলের তৃণমূলের কণ্ঠস্বর শুনবে , এটিও পরখের সুযোগ মিলছে এবার ।‌ মেয়র পদে মনোনয়নের পাশাপাশি ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে মনোনয়নের ক্ষেত্রেও প্রকৃত মাঠের সাথীকে খুঁজে নিচ্ছে কি আওয়ামী লীগ? – এই প্রশ্নও সমাসীন এখন। ‌
তবে মেয়র পদে প্রার্থিতার পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনই।
তাঁর পাশাপাশি প্রায় অর্ধডজন মনোনয়ন প্রত্যাশীর নাম আছে আলোচনায় । অন্যদিকে কাউন্সিলর পদে আওয়ামীলীগ সমর্থিত বর্তমান কাউন্সিলদের পাশাপাশি প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র যুব ও আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডেই অন্তত ৪/৫ জন করেই মনোনয়ন প্রত্যাশী আছেন ।‌
দলটির নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, ফের মনোনয়ন না পেলে কপাল খুলবে বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের। ‌
কোন আকস্মিক কিংবা নাটকীয়তায় যদি ঢাকা দক্ষিণের ফর্মুলায় নগরীর কোন এমপিকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়া হয় তবে কপাল খুলবেই এই নেতার । ‌সেই ক্ষেত্রে উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার এই সাধারণ সম্পাদকই এমপি হিসেবে মনোনয়ন ও পরবর্তীতে মন্ত্রীও হতে পারেন। ‌
তাছাড়া তাঁর বদলে কোন ব্যবসায়ী-শিল্পপতি নেতা কিংবা এমপি নন, এমন অন্য কোন নেতাকে মনোনয়ন দেয়া হলে সেক্ষেত্রেও ভাগ্য সুপ্রসন্ন হতে পারে বর্তমান মেয়রের। তখন তিনি হবেন পরবর্তী অত্যাসন্ন মহানগর কমিটির সভাপতি। -দলীয় সূত্রগুলো এমন আভাস দিয়েই বলছে, মহানগরীর রাজনীতিতে কমিটির মরহুম সভাপতি সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুর পর দলটি পুরোটা সাংগঠনিক কার্য পরিচালনায় মেয়র নাছির নির্ভর হয়ে পড়ে। গত পাঁচ বছরে বিভাগীয় সম্মেলন, বর্ধিত সভা থেকে শুরু করে শহরের ঐতিহাসিক লালদীঘি মাঠ সহ বিভিন্ন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সকল সভা-সমাবেশের ব্যয়ভার বহন করেন এই মেয়রই। শুধু দলীয় এসব ব্যয় নির্বাহের ক্ষেত্রে অন্তত তিন কোটি টাকা খরচ হয়েছে মেয়র নাছিরের। এছাড়াও
দলের অনেক প্রাক্তন ও মরহুম নেতার পরিবারকে সবার অলক্ষে দিনের পর দিন, মাসের-পর-মাস তিনি সহযোগিতা করে চলেছেন।‌ দলের অভ্যন্তরে মরহুম জননেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সমর্থকদের সাথে মিলেমিশে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেও তিনি দীর্ঘদিনের বিরোধী অনেকের সাথেও সম্পর্কের উন্নয়ন করেছেন।‌ এরপরেও যদি কোন অদৃশ্য কারণে তাঁর মনোনয়ন না জোটে তবে তাতে সাংগঠনিক ব্যত্যয় ঘটার ঝুঁকিও রয়েছে বলে মনে করছেন দলীয় শুভার্থীরা অনেকে।‌ আর এই ক্ষেত্রে যদি কোনো ব্যবসায়ী বা শিল্পপতির মনোনয়ন জোটে তবে দলের অভ্যন্তরে ত্যাগ তিতিক্ষাকে অবমূল্যায়ন জনিত কারণে চাপা অসন্তোষ কিংবা দলের প্রতি অনাগ্রহ তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে।
জাতীয় রাজনীতির জন্য বন্দর শহর হিসেবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এলাকা চট্টগ্রাম মহানগরী। রাজনীতিতে এর গুরুত্বের
আদ্যোপান্ত বিচারে ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদকেরই মেয়র পদে মনোনয়নের রেওয়াজ রয়েছে। প্রাক্তন মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক থাকাকালেই মেয়র পদে দফায় দফায় মনোনয়ন দেয়া হয়। গেলবার সাধারণ সম্পাদক পদে থাকা অবস্থাতেই নাছির মনোনয়ন পান। এখনো দলটির সাধারণ সম্পাদক। তাছাড়া ক্ষমতাসীন দলের এই শাখাটির সভাপতি যখন মেয়র পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী নন, বরং সাধারণ সম্পাদককে সমর্থন করেই চলেছেন , সেই সুত্রে মনোনয়ন প্রাপ্তির সম্ভাবনা আ জ ম নাছির উদ্দিনেরই সবচেয়ে বেশি বলে আশা করা হচ্ছে।
দলীয় সূত্রগুলো জানায়, মেয়র পদে বর্তমান মেয়র ছাড়াও দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশায় আগ্রহী ও মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকারীরা হলেন সাবেক মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি , মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন বাচ্চু, খোরশেদ আলম সুজন, যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ ইউনুস,
কোষাধ্যক্ষ আব্দুচ সালাম, সাবেক মেয়র পত্নী হাসিনা মহিউদ্দিন প্রমুখ।
এদিকে মেয়র নাছির ছাড়া মেয়র পদে অন্য যারা মনোনয়ন প্রত্যাশী, তাদের কারোরই মহানগরীর সবকটি এলাকায় নিজস্ব কোন কর্মী সমর্থক নেই। সিংহভাগ মনোনয়নপ্রত্যাশীর নিজের এলাকাতেই নিজস্ব নিয়ন্ত্রণ নেই। অথচ সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর পরে একমাত্র এই বর্তমান মেয়রেরই রয়েছে পুরো চট্টগ্রাম জুড়েই নিজস্ব কর্মীবাহিনী।
শেষ পর্যন্ত অজ্ঞাত কোন বিশেষ কারণে মনোনয়ন না পেলেও সাংগঠনিক অনিবার্যতায় দলে চট্টল নগরীর আ জ ম নাছির উদ্দিন গুরুত্বপূর্ণই থাকছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

রিয়াজ হায়দার চৌধুরী,
সহ-সভাপতি,
বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন,