মুখরিত খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার

0
118

মিজান মনির:
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও বান্দরবানের পর্যটন স্পটগুলো মুখরিত হয়ে উঠেছে পর্যটকদের পদভারে।

একুশে ফেব্রুয়ারি সহ টানা তিনদিনের ছুটিতে প্রকৃতির নির্মল ছোঁয়া পেতে পাহাড়ী জনপদ খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও বান্দরবানের ভিড় জমিয়েছে ভ্রমণপিপাসু মানুষেরা।

খাগড়াছড়ি
বিধাতার নিজ হাতে গড়া প্রকৃতির হাতছানি। পাহাড় আর অরণ্য। সর্পিল পিচঢালা সড়ক। পাহাড়ের বুক ছিড়ে নেমে আসা জলপ্রপাত উপভোগ করতে খাগড়াছড়ির সবক’টি পর্যটন স্পটে ভিড় করছেন নানা বয়সী পর্যটকরা। শিশু, নারী-পুরুষ সব বয়সীরা মেতে উঠেছেন ঈদ আনন্দে। যেখানে গেছি সেখানে ভ্রমন পিপাসু পর্যটকদের বাঁধভাঙা জোয়ার। এবারের একুশে ফেব্রুয়ারিতে স্থানীয় পর্যটকদের পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পর্যটকেরা একুশে ফেব্রুয়ারির টানা তিনদিনের ছুটিতে বাড়তি আনন্দ পেতে ছুটে এসছে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন পর্যটন স্পটে।

খাগড়াছড়ির আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র, রহস্যময় সুরঙ্গ, জেলা পরিষদ পার্ক, মাটিরাঙ্গার রিছাং ঝর্ণা, শতবর্ষী বটগাছ, ভগবান টিলা, মাটিরাঙ্গার জলপাহাড়, দীঘিনালার তৈদুছড়া ঝর্ণা, থাংঝাং ঝর্ণা, গোবিন্দ মানিক্যের খনন করা দীঘি, দীঘিনালা বনবিহার, মানিকছড়ির রাজবাড়ি, রামগড়ের রামগড় লেক, চা বাগান পানছড়ির রাবার ডেম ও অরন্যকুটির সবক’টি স্পটেই ঈদের দিন থেকেই উপচে পড়া ভিড় লেগে আছে। আন্তর্জাতিক ভাষা দিবসের ২য় দিন শুক্রবার বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসা পর্যটকদের এ ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পর্যটকদের পাশাপাশি খাগড়াছড়ির সর্বস্তরের মানুষ রোদ-বৃষ্টির মিতালীকে উপেক্ষা করে তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে এ সব স্পটে আনন্দে উদযাপনে মেতেছেন। কেউই যেন অপার এ আনন্দকে হাতছাড়া করতে চাননি। প্রতিটি স্পটেই বাড়তি উৎসবে মেতেছিলেন নব দম্পতি, কপোত-কপোতি আর প্রেমিক-প্রেমিকারা।

ছোট্ট ছোট্ট শিশু থেকে শুরু করে যুবক-যুবতীরা লেকের ঝলমল পানিতে নৌকায় চড়ে প্রকৃতি উপভোগ করছেন। মাঝ বয়সীরা প্রকৃতির ছায়াতলে আড্ডায় মেতেছেন। নব দম্পতি, কপোত-কপোতি আর প্রেমিক-প্রেমিকারা পাহাড়ের বুক ছিড়ে নেমে আসা ঝড়নাধারার সাথে আলিঙ্গন করেছে যে যার মতো। দুর পাহাড়ে ছুটে চলার ক্লান্তি যেন মিশে গিয়েছিল আনন্দ জোয়ারে। ছোটদের ছুটোছুটি, বড়দের আড্ডা আর তরুন-তরুনীদের ঝড়নাধারার সাথে আলিঙ্গনের ফলে পর্যটন স্পটগুলো যেন তাদের প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে দীঘিনালার মাটিরাঙ্গার রিছাং ঝর্ণায় বেড়াতে আসা আদনান রহমান সূর্য বলেন, ‘আমরা পাঁচ বন্ধু মিলে দেশের অনেক পর্যটন স্পট ঘুরেছি। কিন্তু পাহাড়ের বুক ছিড়ে নেমে আসা এমন ঝর্ণাধারা আমাদের সব দেখাকে মলিন করে দিয়েছে। আমরা অনেক আনন্দ করেছি ও মজা করেছি। ঝর্নায় যাওয়ার উঁচুনিচু পথ, আশেপাশের ঝোপঝাড়, জলপ্রপাত তাদেরকে মুগ্ধ করেছে বলেই জানালেন আরেক বন্ধু তাহসিন বিন ইকবাল। পর্যটকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারের কাছে পাহাড়ের এসব পর্যটন শিল্পের আরও প্রচার-প্রসারের দাবী করেন করেন স্থানীয় সংবাদকর্মী অপু দত্ত।

ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পর্যটকরা আলুটিলার রহস্যময় সুরঙ্গ দেখতে ভুলেননি। গা ছমছম করা আলুটিলার রহস্যময় সুরঙ্গ আর রিছাং ঝর্ণা এই সময়ের পর্যটকদের কাছে স্বপ্নের চারন ভুমি এমনটাই বললেন চট্টগ্রাম থেকে ছুটে আসা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া আইরিন। তার মতে পাহাড়ের বুক ছিড়ে নেমে আসা ঝরনা ধারার সাথে মিতারী আর ২৮২ ফুটের সুরঙ্গ অতিক্রম না করলে জীবনটাকেই উপভোগ করা হতোনা।

সবমিলিয়ে ভাষা দিবসের ছুটিতে খাগড়াছড়ির সবকটি পর্যটন স্পটে যেন তিলধারণের ঠাঁই নেই। পাহাড়ী কন্যা খাগড়াছড়ির আকাশ-পাহাড়ের মিতালিও উপভোগ করছেন পর্যটকরা।

কক্সবাজার
প্রতিবছরই একুশে ফেব্রুয়ারি পর বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে পর্যটকদের উপচে পড়া ভীড় দেখা যায়। আন্তর্জাতিক ভাষা দিবসের পরের দিন থেকে পূর্বনির্ধারিত পর্যটক ছাড়াও আসছে নতুন পর্যটকরাও। মেঘ-রোধ খেলার মাঝে অপরূপ প্রকৃতি পর্যবেক্ষণে ছুটছেন তারা। আর এতে পর্যটন ব্যবসায়ীরাও বেজায় খুশি।

আজ শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা, সী-গাল, কলাতলী, দরিয়ানগর, হিমছড়ি ও ইনানী সৈকতে ছিল পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়। বৈরী আবহাওয়া হলেও প্রতি বারের মতো এবারও কয়েক লাখ পর্যটক সৈকতের নির্মল হাওয়া উপভোগ করতে এসেছেন বলে ধারণা করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া কক্সবাজারের বিভিন্ন বৌদ্ধ মন্দির, বার্মিজ মার্কেট, রামুর রামকোট বিহার, ১০০ ফুট শয্যা বৌদ্ধমূর্তি, নাইক্ষ্যংছড়ির লেক, চকরয়িার সাফারি পার্কসহ সব পর্যটন স্পট পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত ছিল।

এদের মাঝে প্রায় লাখখানেক পর্যটক দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা, পটিয়া, চন্দনাইশ, দোহাজারী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চকরিয়া, পেকুয়া, ঈদগাঁও, রামুসহ কক্সবাজারের আশপাশের এলাকার। স্থানীয় পর্যটকদের মাঝে শিশু-কিশোর ও যুবাদের সংখ্যা চোখে পড়ার মতো বলে জানিয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ী ও দরিয়া নগর পর্যটন গ্রুপের চেয়ারম্যান এস এম সায়েম ডালিম।

তিনি জানান, শিশু-কিশোর ও যুবাদের কথা চিন্তা করে দরিয়া নগরে বেশ কিছু রাইড ঈদের পর দিন থেকে চালু করা হয়েছে।

ঈদগাঁওর স্কুল ছাত্র তালেব মমতাজ (১৫) বলে, স্কুল বন্ধ তাই বড় বোন তজল্লী, আনিকা ও ছোট বোন সাদিয়াকে সঙ্গে নিয়ে সৈকত দেখতে এসেছি। সিএনজি যোগে হিমছড়ি, দরিয়ানগর, কলাতলী বিচে অন্য পর্যটকদের সঙ্গে আমরাও ঢেউ ছুঁয়ে দেখেছি। যাবার বেলা তারকা হোটেলে ভালো-মন্দ খেয়ে পর্যটনের স্বাদ পূর্ণ করেছি।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট ক্লাবের পরিচালক কলিম উল্লাহর বলেন, শহরের চার শতাধিক হোটেল মোটেল, কটেজ ও ফ্লাটে প্রায় আড়াইলাখ পর্যটক থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যুর পর থেকে পর্যটন নগরীর তারকা হোটেলগুলো এনজিও কর্মকর্তায় ভরপুর। আর বাকি হোটেলগুলো কক্সবাজারের বাইরের পর্যটকরা বুকিং করেছেন। বলতে গেলে কোনো হোটেলই ফাঁকা নেই।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউজ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম সিকদার বলেন, একদিকে ভারি বর্ষণ অন্যদিকে ছুটি কম থাকায় অনেকে আগাম বুকিং বাতিলও করেছিলেন। ফলে আমরা মনে করেছিলাম এবার অন্য সময়ের মতো ঈদে লোকজন আসবে না। কিন্তু স্থানীয় ও ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার কয়েক লাখ পর্যটক ঠিকই কক্সবাজার এসেছেন।

হিমছড়ি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, শুক্রবার থেকে পর্যটক সমাগম বেড়েছে। সকাল থেকেই সন্ধ্যা পর্যন্ত একটানা দর্শনীয় স্থানগুলো পরিদর্শন করছেন ভ্রমণ পিপাসুরা। তাই তাদের নিরাপত্তায় টানা দায়িত্বপালন করছেন ফাঁড়ির সদস্যরা।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বী বলেন, আমাদের ধারণার চেয়ে বেশি পর্যটক আগমন ঘটেছে। সেই অনুযায়ী পর্যটন স্পটগুলোতে নিরাপত্তাসহ পর্যটনবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।

বান্দরবান
খাগড়াছড়ি, কক্সবাজারের মতো বান্দরবানেও একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের টানা তিনদিনের ছুটিতে বিভিন্ন বিনোদন স্পটগুলো পর্যটকদের পদভাবে মুখরিত। এখানের অন্যতম পর্যটন স্পট নীলাচল, নীলগিরি, চিম্বুক, মেঘলা, স্বর্ণমন্দির, নীলদিগন্ত সহ আশপাশের দর্শনীয় স্থানগুলোতে কোথাও তিল ধারণের ঠাঁই নেই।

শহরের হোটেল-মোটেল, রেস্টহাউস এবং গেস্টহাউসগুলোতেও কোনো সিট খালি নেই। এক সিটে দুইজন করেও থাকছেন অনেক পর্যটক।

আবাসিক হোটেল-মোটেলে সিট না পেয়ে পর্যটকরা এখন ছুটছেন দুর্গমাঞ্চলে পাহাড়ি গ্রামগুলোতে। পাহাড়িদের মাচাং ঘরগুলোকে থাকার বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন বেড়াতে আসা পর্যটকরা।

পাহাড়িরাও অর্থের ভিত্তিতে থাকা-খাওয়া এবং টুরিস্ট গাইড্ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছে। ট্যুরিস্ট জিপ গাড়িগুলো নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলে অভিযোগ করেছেন পর্যটকরা।

আজ শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বান্দরবানের বিভিন্ন পর্যটন স্পট ঘুরে দেখা গেছে, জেলা সদরের মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্সে লেকের উপর নির্মিত দু’টি ঝুলন্ত সেতু, মিনি সাফারি পার্ক ও চিড়িয়াখানায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা।

পাহাড়ের চূড়ায় নির্মিত নীলাচল পর্যটন কেন্দ্রের টাওয়ারে উঠে পাহাড় থেকে সমুদ্র দেখছেন ভ্রমণপিপাসুরা। পাহাড়ের সাথে আকাশ যেন মিতালী গড়েছে এখানে।

নীলাচলের লাভ পয়েন্ট এলাকাতে পর্যটকের ভিড় ছিল সবচেয়ে বেশি। অপরদিকে বাংলার দার্জিলিং খ্যাত চিম্বুক পাহাড়ে গড়ে তোলা দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামোগুলো থেকে পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করছে পর্যটকরা।
বান্দরবানের আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট নীলাচল মুখরিত হয়ে উঠেছে পর্যটকদের পদভারে

অন্যদিকে অসংখ্য পাহাড়ের মাঝখানে নির্মিত নীলগিরি পর্যটন স্পট থেকে পাহাড়ের সৌন্দর্য দেখছেন বান্দরবান বেড়াতে আসা পর্যটকরা। সদর থেকে নীলগিরি যাওয়ারপথের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ তারা।

এদিকে চিম্বুক-নীলগিরি সড়কের পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট শৈলপ্রপাতের স্বচ্ছ পানিতে গা ভাসাতে দেখা গেছে পর্যটকদের। এখানে পাথরের ফাঁকে ফাঁকে ঝর্ণার স্বচ্ছ পানি বয়ে চলেছে অবিরাম ধারায়। দর্শনীয় স্থানটির পাশে বসেই পাহাড়িদের কোমর তাঁতে তৈরি বিভিন্ন ধরনের কাপড় বিক্রি করছে বম সম্প্রদায়ের তরুণীরা।

ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা পর্যটক সুমন হাসান, নাজমুল ইসলাম, ফারজানা উর্মি বলেন, বৈচিত্রময় অসংখ্য সৌন্দর্যের সংমিশ্রণ রয়েছে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে। এখানে রয়েছে পাহাড় থেকে ঝরে পড়া ঝর্ণা, প্রাকৃতিক লেক, ঝুলন্ত সেতু এবং সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ সহ অসংখ্য ছোট-বড় পাহাড়। পর্যটকের মন ভোলানোর সমস্ত আয়োজন রয়েছে এখানে। তবে সড়ক যোগাযোগ এবং পরিবহন ব্যবস্থার আরেকটু উন্নয়ন দরকার। বিশেষ করে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের উন্নতমানের পরিবহন সার্ভিস চালু করা এবং ট্যুরিস্ট গাড়িগুলোর অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি করেন তারা। পর্যটকরা পরিবহনগুলোতে খুবই হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে জানান ঢাকা থেকে আসা এ পর্যটকরা।

আবাসিক হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘একুশের ফেব্রুয়ারির সঙ্গে টানা তিনদিনের সরকারি ছুটিতে বান্দরবানে ভিড় জমিয়েছেন পর্যটকরা। শহরের আবাসিক হোটেলগুলোর কোথাও সিট খালি নেই। পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টরেট (এনডিসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘পর্যটকদের কাছে ট্যুরিস্ট গাড়িগুলোর অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতাদের সঙ্গেও কথা বলেছি। কিন্তু তারা বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তবে পর্যটকদের অভিযোগের সত্যতা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে পর্যটক হয়রানি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।