খুলশী থানার মতিঝর্ণা এলাকায় পাহাড় ধ্বসের ঘটনা ঘটেছে

0
6

পাহাড় ধসের ঘটনা বাড়ছে বান্দরবানেচট্টগ্রামের খুলশী থানার মতিঝর্ণা এলাকায় পাহাড় ধ্বসের ঘটনা ঘটেছে। তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। শুক্রবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করলেও পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। অতি বর্ষণে যে কোন সময় বড় ধরণের ঘটনা ঘটতে পারে।

জানা গেছে, মতিঝর্ণার ৭নং গলি এলাকায় পাহাড়ের উপর ঝুঁকিপুর্ণভাবে ঘর তৈরি করে ভাড়া দিয়েছে স্থানীয় নুরুল আলম চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি। একই পাহাড়ের নিচে পাহাড় কেটে ঘর তৈরী করেছে জাবেদ নামের স্থানীয় এক লোক।

শুক্রবার ভোরে পাহাড়ে একটি অংশ জাবেদের ভাড়া ঘরে এসে পড়ে। তবে ধসে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরে জাবেদের ভাড়াটিয়ারা মাটি সরাতে গেলে নুরুল আলম চৌধুরী পাহাড় কাটা হচ্ছে বলে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে ৫জনকে ধরে নিয়ে যায়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

৭নং গলির ভাড়াটিয়া লতিফ জানান, শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে মাটি ধ্বসের শব্দ পাই। তাড়াতাড়ি বাসা থেকে বেরিয়ে দেখি নুরুল আলম চৌধুরীর পাহাড়ের একটি অংশ জাবেদের ভাড়া বাসার রান্না ঘরের উপর ধ্বসে পড়েছে।

খুলশী থানার উপ পরিদর্শক মো আমীর বলেন, পাহাড় কাটার খবর শুনে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। এসময় পাঁচজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে নিয়ে আসি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মতিঝর্ণা ৭নং গলি এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে তিন শতাধিক ঘর তৈরি করে ভাড়া দিয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী লোকজন। পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। ধ্বস ঠেকাতে অনেকে বালির বস্তা দিয়ে দেওয়াল তৈরি করেছে। অতিবর্ষণে যে কোন সময় বড় ধরণের পাহাড় ধ্বসের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা সংশ্লিষ্ঠদের।

প্রসঙ্গত গত ২৮ জুলাই নগরের লালখান বাজারের টাঙ্কির পাহাড় এলাকায় পাহাড়ের একাংশ ধ্বসে মা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।