গান শোনা বাদেও যেসব কাজে লাগে ব্লুটুথ স্পিকার

0
112

ওয়্যারলেস ব্লুটুথ স্পিকার ব্যবহার করা হয় গান শোনার জন্য।

তবে গান শোনা ছাড়াও বেশ কয়েকটি কাজ করা যায় ব্লুটুথ স্পিকার দিয়ে। পোর্টেবল ব্লৃটুথ স্পিকার দিয়ে আর কী কী করা যায় সে বিষয়টিই জানানো হলো এই ফিচারে।

ফোন কল

গান শোনার মাঝে কল আসলে অনেকেই ব্লুটুথ অফ করে কথা বলেন। নাহলে ফোনের অপর প্রান্তে থাকা ব্যক্তি কী বলছেন তা লাউড স্পিকারে শোনা যায়। তবে কথা বলার জন্য যে এতে মাইক্রোফোনও থাকে তা অনেকেই জানেন না। কাজে ব্যস্ত থাকলে ফোন হাতে না ধরেই ব্লুটুথ স্পিকারের মাধ্যমে কথা বলা যায়।

সাউন্ড অ্যাডজাস্টমেন্ট

এন্ট্রি লেভেলের ব্লুটুথ স্পিকার বাদে বাকি সব মডেলেই সাউন্ড অ্যাডজাস্ট করার জন্য ইকুইলাইজার থাকে। বিভিন্ন ঘরানার গান শুনতে বেজ ও ট্রেবলের মাত্রা নির্ধারণ করা যায়। কনসার্টের ফিল পেতে লাইভ মোডও অন করা যায়। সাউন্ডের সেটিং ঠিক করতে চাইলে দেখে নিতে হবে ব্লুটুথ স্পিকারটির রিভিউ। সেখান থেকেই জানা যাবে কিভাবে সাউন্ড অ্যাডজাস্ট করা যাবে।

পানি নিরোধী

প্রায় সব ব্লুটুথ স্পিকারেই পানি নিরোধী ফিচার রয়েছে। তাই হঠাৎ করে পানির ঝাপটা এসে পড়লেও স্পিকারের ক্ষতি হবে না। কোন স্পিকার কতোখানি পানি বা ধুলা নিরোধী তা জানতে চাইলে দেখে নিতে হবে এর আইপি রেটিং কতো। কোনো স্পিকারের রেটিং আইপিএক্স৪ হলে তা ধুলা নিরোধী হবে না। তবে পানির ঝাপটা সহ্য করতে পারবে।

কোনো স্পিকারের রেটিং আইপই৬৭ হলে পানির এক মিটার গভীরে পড়লেও কোনো ক্ষতি হবে না। তাই আইপি রেটিং বেশি থাকলে গান শুনতে ব্লুটুথ স্পিকারটি সুইমিং পুলের পাশেও রাখা যাবে।

ফোন চার্জ হবে

চাইলে পোর্টেবল ব্লুটুথ স্পিকারকে পাওয়ার ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। বাড়ির বাইরে ফোনের চার্জ ফুরিয়ে গেলেও সমস্যা নেই। সঙ্গে ব্লুটুথ স্পিকার থাকলে অতি সহজেই ইউএসবি ক্যাবলের সাহায্যে ফোন চার্জ করা যাবে।