চুয়েট শিক্ষার্থীর উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

0
42

শফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে পুলিশ-ছাত্র সংঘর্ষে চুয়েট শিক্ষার্থীকে লাঠি দিয়ে সজোরে আঘাত করে আহত করার ঘটনায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে । গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে ভিসি ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেয়। তারা প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। পরে শিক্ষার্থীরা চুয়েট শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশি হামলা এবং সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানে প্রশাসনের ব্যর্থতা প্রসঙ্গে ৫দফা দাবি উত্থাপন করে উপচার্যকে স্মারক লিপি দিয়েছেন। স্মারক লিপির তথ্য মতে, গত ৬ ডিসেম্বর চুয়েটের প্রধান ফটকের ভিতরে কয়েকজন ছাত্র পুলিশ কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ছাত্র কল্যাণ পরিষদ’র উপপরিচালকের উপস্থিতিতে পুলিশ একজন শিক্ষার্থীকে লাঠি দিয়ে সজোরে আঘাত করে আহত করেছে। ওই ছাত্রের মাথায় ৩টি সেলাই হয়েছে। এছাড়াও আরও অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ নিয়ে ঘটনার তদন্ত দাবি করা হলেও চুয়েট কর্তৃপক্ষ সিসি ক্যামেরা অকার্যকর বলে দায় সেরেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ প্রসঙ্গে চুয়েট ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মসিউল আমাদের সময়কে বলেন, আমাদের দুইছাত্র আহত হয়েছিলেন। আমরা তাদের নাম প্রকাশ করছি না। তদন্ত কমিটি করেছি, আগামী ১৮ ডিসেম্বর বিকাল ৫টার মধ্যে রিপোর্ট দেবে। সকল দাবির সুষ্ঠু সুরহা এবং জবাবদিহিতা না করতে পারলে দায়িত্বে অবহেলা ও অপারগতা স্বীকার করে ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক এবং ছাত্রকল্যাণ উপ-পরিচালক হুমায়ুন কবিরের পদত্যাগ দাবির বিষয়ে জানতে চাইেিল তিনি বলেন, যে কোনো মুহুর্তে পদত্যাগ করতে প্রস্তুত। তবে এখনো পর্যন্ত পদত্যাগ করার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। এ প্রসঙ্গে চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম আমাদের সময়কে বলেন, দুইছাত্র আহত হয়েছে, তাই শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ। ওরা বিচার দাবি করছেন। এটাতো একটা পদ্ধতি আছে। শিক্ষার্থীরা দুপুর ১২টায় স্মারক লিপি দেয়ার পর আমরা তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। চুয়েট ক্যাম্পাসের অকার্যকর সিসিটিভির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অকার্যকর না, সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিভিন্নদিকে লাইন নেয়ার সময় লাইন কেটে গেছে। ওইদিন দায়িত্বরত পুলিশরাই এ হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে কথা বললে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমাদের সময়কে বলেন, এটা চুয়েট প্রশাসনের বিষয়। আমাদের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। তবে ওই দিন পুলিশের সাথে আনাস নামে এক চুয়েট শিক্ষার্থীর বাকবিতা-ার পর উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে আমরা একটা সমঝোতা করে দিই। পরে সে দলবল নিয়ে এসে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। ব্যাটেলিয়েন’র পুলিশ, রাউজান থানা পুলিশ ও রাউজান গুজরা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশসহ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়। ১০/১৫ হাজার লোক ভেতরে থাকায় আমরা ধৈর্য্য ধরেছি। পুলিশ কর্তৃক ছাত্রের মাথা ফাটানোর বিষয়টি মিথ্যা। এখনো পর্যন্ত ওই ছাত্রকে না আমাদের সামনে এনেছে। না কোনো সাংবাদিকের সামনে এসেছে।

স্মারক লিপিতে চুয়েট শিক্ষার্থীদের ৫দফা দাবিসমূহ হলো:

১. বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ডেপুটি ডি এস ডব্লিউ’র উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের উপর ন্যাক্কার জনক পুলিশি নির্যাতনের যতোপযুক্ত কারণ প্রদর্শনপূর্বক জবাবদিহিতা করতে হবে।
২. সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো কেন অচল এবং রাষ্ট্রপতি স্বয়ং সমাবর্তনে উপস্থিত হলেও সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো সচল করার ব্যবস্থা কেন গ্রহণ করা হয়নি তার উপযুক্ত কারণ প্রদান করতে হবে।
৩. চতুর্থ সমাবর্তন ও সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানের সকল নিরাপত্তা বিষয়ক দায়িত্বশীল প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত হলেও কিভাবে বিপুল সংখ্যক বহিরাগত প্রবেশ করার সুযোগ পায়, তার যথাযথ ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে। প্রশাসনের ব্যর্থতার দরুন শিক্ষার্থীদের মোবাইল ও অর্থ চুরির ঘটনাগুলো ঘটে, যার দায়ভার প্রশাসনকে নিতে হবে এবং উক্ত সামগ্রী ফেরত প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

ছবির ক্যাপশনঃ রাউজানের হলদিয়ায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) ফাতহায়ে ইয়াজদাহুম বিশ^ অলী শাহান শাহ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারীর চদ্র বার্ষিক ফাতেহা উপলক্ষে আয়োজিত মাহফিলে বক্তব্য রাখছেন আল্লামা ড. এস এম বোরাহান উদ্দিন
রাউজানের হলদিয়ায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) ফাতহায়ে ইয়াজদাহুম বিশ^ অলী শাহান শাহ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারীর চদ্র বার্ষিক ফাতেহা উপলক্ষে মাহফিল অনুষ্টিত
শফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধিঃ রাউজানের হলদিয়ায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) ফাতহায়ে ইয়াজদাহুম বিশ^ অলী শাহান শাহ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারীর চদ্র বার্ষিক ফাতেহা উপলক্ষে মাহফিল অনুষ্টিত হয় । গত ৯ ডিসেম্বর সোমবার রাতে হলদিয়া অিিমর হাট হজরত এয়াসিন শাহ স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে মাইজাভান্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ সর্তার কুল দায়রা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত মাহফিলের উদ্বোধন করেন মাইজাভান্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ রাউজান উপজেলা শাখার সভাপতি জাকের হোসেন মাস্টার। মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. নু,ক,ম, আকবর হোসেন। মাহফিলে প্রধান আলোচক হিসাবে তকরির করেন চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সাংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি আল্লামা ড. এস এম বোরহান উদ্দিন। শানে গাউছল আজম মাইজভান্ডারী ওলামা পরিষদের মহাসচিব আল্লামা গোলঅম মোস্তাফা শায়েস্তা খান আল আয়হারীর সভাপতিত্বে সংগঠনের সাধারন সম্পাদক জয়নাল আবেদিন ও আল্লামা কুতুব উদ্দিনের যৌথ সঞ্চলনায় অনুষ্টিত মাহফিলে তকরির করেন আল্লা সাইদুল আলম খাকি, আল্লামা বাহার উদ্দিন ওমর, আল্লামা কাজী ফরিদুল আলম মাইজভান্ডারী, আল্লামা তরিকুল ইসলাম মাইজভান্ডারী, আল্লামা দেলোয়ার হোসেন মাইজভান্ডারী, আল্লামা সোলাইমান মকবুলী। মাহফিলে বিষেশ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা এস এম বাবর,জিয়াউল হক চৌধুরী সুমন, মাইজাভান্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ রাউজান উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক মোঃ ইউছুপ আলী, মাইজাভান্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ রাউজান উপজেলা শাখার নির্বাহী সদস্য ও রাউজান প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিউল আলম, রাউজান প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মাওলানা এম বেলাল উদ্দিন, সরোয়ার সিকদার, সাদিকজ্জমান সফি, মাইজাভান্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ রাউজান সর্তও কুল দায়রা শাখার সভাপতি মামুন মিয়া, মনছুর আলম, কায়সার, সাব্বির, শওকত হোসেন, এমদাদ হোসেন বাবর, নাজিম উদ্দিন কালু, আলাউদ্দিন প্রমুখ ।