ছাত্রদল নেতা নুরু হত্যার বিচার এদেশে একদিন হবেই

0
75

কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা শহীদ নুরুল আলম নুরুর স্মরণ সভায় ডাঃ শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা শহীদ নুরুল আলম নুরু ছিলেন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের রাজপথের অকুতোভয় সৈনিক ও দক্ষ সংগঠক। তিনি জাতীয়তাবাদী হেল্প সেল গঠনের মাধ্যমে সরকারের নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের পরিবারের পাশে দাড়িয়ে ছিলেন। তার সাংগঠনিক কর্মদক্ষতায় নেতাকর্মীরা উজ্জ্বীবীত থাকতেন। শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বিএনপি গঠনে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন। তিনি বলেন, সরকার তাদের অবৈধ ক্ষমতা দীর্ঘায়ীত করতে সেদিন নুরুকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছিলো। নুরু হত্যাকান্ডে সারাদেশের মানুষ সেদিন শিউরে উঠেছিলো। নুরুর হত্যাকান্ড কোন স্বাভাবিক ঘটনা ছিল না। ছাত্রদল নেতা নুরু হত্যার বিচার এদেশে একদিন হবেই। তিনি আজ ২ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর নাছিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে নুরুল আলম নুরুর দ্বিতীয় শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে নুরু স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। এতে ডাঃ শাহাদাত আরো বলেন, সরকার ফ্যাসিবাদী আচরণের আশ্রয় নিয়ে দেশকে এক ভয়াবহ অনিশ্চিয়তার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের গুম, খুন করে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কাল্পনিক মামলা দায়ের করা হচ্ছে। বিএনপির সক্রিয় নেতাদের টার্গেট করে হত্যা করা হচ্ছে। কিন্তু শত জুলুম নির্যাতন করা সত্ত্বেও বিএনপিকে দমাতে পারবে না। স্মরণ সভায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, সারাদেশে বিরুধী নেতাকর্মীদের হত্যাকান্ডের ধারাবাহিকতায় ছাত্রদল নেতা নুরুকে রাষ্ট্রিয় সন্ত্রাসের মদদে নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে তাকে হত্যা করা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনকে ব্যাহত করতে অশুভ উদ্দেশ্যে নুরুকে পরিকল্পীত ভাবে হত্যা করেছে। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, শহীদ নুরুল আলম নুরু রাষ্ট্রিয় রোষানলে পড়া সত্ত্বেও তার নীতি ও আদর্শ থেকে কখনো বিচ্যুত হননি। তিনি সাহসিকতার সাথে অগণতান্ত্রিক শক্তির বিরুদ্ধে তার নির্ভীক নেতৃত্ব দিয়ে আমাদেরকে প্রেরণা জুগিয়েছেন। সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও নুরু স্মৃতি সংসদের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, নুরু হত্যাকান্ড আওয়ামী শাসনের পৈশাচিকতার নির্মম নিদর্শন হিসেবে বাকশালের স্বরূপ তরুণ প্রজন্মের কাছে উন্মুচিত করেছে। সরকারি মদদে ঘটে যাওয়া হত্যাকান্ডের বিচার জনগণ কখনো পায়নি। নুরুল আলম নুরু শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বাদে আসর দলীয় কার্যালয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে শহীদ জিয়াউর রহমান, আরাফাত রহমান কোকো ও নুরুল আলম নুরুর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়। বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান সহ নেতাকর্মীদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা এহসানুল হক। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো: সরওয়ার উদ্দিন সেলিম এর পরিচালনায় স্মরণ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মো: ইকবাল চৌধুরী, জাহিদুল করিম কচি, শাহেদ বক্স, সামসুল হক, কামরুল ইসলাম, মনজুর রহমান চৌধুরী, আবদুল হালিম স্বপন, মো: ইদ্রিস আলী, আলহাজ্ব জাকির হোসেন, মো: মোরসালিন, মাঈনুদ্দিন মাহমুদ, জাফর আহমেদ চৌধুরী, শফিউল জামান, এম রফিকুল ইসলাম, মো: কামাল মেম্বার, নিজাম উদ্দিন, এম ইলিয়াছ আলী, আবু বকর সোহেল, এস.এম মহিউদ্দিন মাসুদ, এরশাদ হোসেন, জিয়াউর রহমান জিয়া, জমির উদ্দিন নাহিদ, ইউছুপ তালুকদার, আসাদুর রহমান টিপু, সাইদ আমান, নিজাম উদ্দিন খান, নিজাম উদ্দিন লিটন, ওয়াসিম রেজা, এডভোকেট মাঈনুদ্দিন, আলাউদ্দিন মহসিন, এস.এম রাশেদুল আলম, সাইফুল ইসলাম তালুকদার, কাজী এরশাদ উদ্দিন, শফিউল আজম, জিয়া উদ্দিন ফরহাদ, শওকত আলী, আদনান মাহমুদ চৌধুরী, মো: হোসেন, নাজমুল হক চৌধুরী, জিয়া উদ্দিন মিজান, এমজি কিবরীয়া, সৌরভ প্রিয় পাল, রায়হান আলম, কামরুল ইসলাম কুতুবী, সৈয়দ সাফোয়ান আলী, জহির উদ্দিন বাবর, এন.মোহাম্মদ রিমন, ফকরুল ইসলাম শাহিন, রেজাউল করিম, বিপুল খান, মো: ইদ্রিস প্রমুখ।