জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের কোনো জাত-ধর্ম নেই

0
9

সুচিন্তার জঙ্গিবাদ বিরোধী সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের কোনো জাত, ধর্ম ও দেশ নেই। জঙ্গি ও সন্ত্রাসীরা কেবলই অপরাধী। এদের যেকোনো মুল্যে প্রতিহত করতে হবে। ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা অনুধাবনের মাধ্যমেই মিলবে মুক্তি।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সীতাকুণ্ডের হযরত খাজা কালু শাহ্ (রহ.) সুন্নিয়া আলিম মাদরাসায় সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের আয়োজনে জঙ্গিবাদ বিরোধী আলেম, ওলামা ও শিক্ষার্থী সমাবেশ বক্তারা এসব কথা বলেন।

সুচিন্তা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সমন্বয়ক ডা. হোসেন আহমেদ ও মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মাওলানা মুহাম্মদ বরকত উল্লাহর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় উদ্বোধক ছিলেন মাদরাসার শিক্ষক কাউন্সিলর মো. ইলিয়াছ মিয়া চৌধুরী।

প্রধান অতিথি ছিলেন সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলওয়ার হোসেন ও প্রধান আলোচক ছিলেন মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কালাম আমিরী।

বক্তব্য দেন মাদরাসার সিনিয়র প্রভাষক মাওলানা আলিম উদ্দিন, সিনিয়র শিক্ষক আহমদ হোসেন, সহকারী শিক্ষিকা রাশেদা খাতুন।

সুচিন্তার জঙ্গিবাদ বিরোধী সমাবেশে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরীবিশেষ অতিথি ছিলেন হযরত খাজা কালু শাহ্ (রহ.) মাজার ও মসজিদ ওয়াকফ এস্টেটের মোতাওয়াল্লী মো. সিরাজুদ্দৌলা সওদাগর, সিনিয়র সহ-সভাপতি ছাদের আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নবী, সদস্য মো. আবু ছালেহ, মো. নিজাম উদ্দিন খালেদী, মো. মোস্তফা কামাল, মো. মহিউদ্দিন, সলিমপুর ইউপি সদস্য মো. খুরশিদ আলম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গভর্নিং বডির সদস্য এমএ মনসুর, মো. লোকমান, মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মো. খোরশেদ আলম, আরবি প্রভাষক মাওলানা মুফতি মো. আবু জাফর, মাওলানা সাইফুল আলম, মো. আলী মামুন, সৈয়দা আইনুন নাহার, নারগিস আকতার, মাওলানা শামসুদ্দিন নঈমী, সুলতান আহমদ, রাজিয়া চৌধুরী, মাওলনা বেলাল উদ্দিন, মো. মনিরুল ইসলাম, মো. সানা উল্লাহ সানী, মো. রাগীব আহসান, ক্বারী খুরশীদ আলম, মো. এনামুল হক, ক্বারী আমিনুল হক, রিনা আকতার।

অনুষ্ঠানে প্রশ্নোত্তর পর্ব পরিচালনা করেন সুচিন্তা স্টুডেন্ট অ্যান্ড ইয়ুথ উইংস’র রাহবার বিন হোসাইন ও মাহবুব রহমান দুর্জয়।

সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী বলেন, মাদরাসাসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হোক নিরাপদ ও নৈতিক শিক্ষার সূতিকাগার। ধর্মান্ধতা নয় ধর্মপরায়ণতা মানুষের কল্যাণের সোপান।

পরে জঙ্গিবাদে না জড়ানোর শপথ ও শিক্ষার্থীদের জয়বাংলা স্লোগাণে মুখরিত ছিল মাদরাসা প্রাঙ্গণ।