দিল্লিতে সব পুরস্কারই বাংলাদেশের

0
57

টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভারতের বিপক্ষে জয় পেল বাংলাদেশ। আর দিল্লিতে পুরস্কার মঞ্চে কেবলই টাইগারদের জয়জয়কার। রোববার বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের ব্যক্তিগত সব পুরস্কারই ওঠে টাইগারদের হাতে। ৪৩ বলে হার না মানা অনবদ্য ৬০ রানের ইনিংসের জন্য ম্যাচসেরা পুরস্কার কুড়ান মুশফিকুর রহীম। ম্যাচের আরেক ব্যক্তিগত পুরস্কার ছিল ‘ড্রিম ইলেভেন গেম চেঞ্জার অ্যাওয়ার্ড’। যা ওঠে তরুণ লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লবের হাতে। ক্যারিয়ারের মাত্র দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে দিল্লিতে তিন ওভারের স্পেলে ২২ রানে দুই উইকেট নেন ১৯ বছর বয়সী এ টাইগার লেগি। এদিন বল হাতে ভারতের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন বিপ্লব।
নিজের প্রথম ওভারেই (৬.৩) তিনি সাজঘরে ফেরান ওয়ানডাউনে খেলতে নামা ভারতের মারকুটে ব্যাটসম্যান লোকেশ রাহুলকে। পরে দশম ওভারে তিনি তুলে নেন বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠা ব্যাটসম্যান শ্রেয়াস আইয়ারের উইকেট। নিজের উইকেট খোয়ানোর আগে ১২ বলে ২২ রান করেন আইয়ার। এতে ১০.২তম ওভার শেষে ৭০/৩ সংগ্রহ নিয়ে চাপে পড়ে ভারত। আর দলীয় ১৫০ পূর্ণ হওয়ার আগেই থেমে পড়ে ভারতীয়রা। দিল্লিতে ফিল্ডিংয়ে ব্যক্তিগত পুরস্কারটি ওঠে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের হাতে। ক্ষিপ্র ফিল্ডিংয়ে অভিজ্ঞ ভারতীয় ওপেনার শিখর ধাওয়ানকে রানআউটের শিকার বানান রিয়াদ। ধাওয়ানের বিদায়ে ১৪.৫ ওভারে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯৫/৪-এ। ম্যাচে কার্যকরী ব্যাটিংয়ের ‘স্টাইলিশ প্লেয়ার’-এর পুরস্কার পান সৌম্য সরকার। দিল্লিতে ৩৫ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলেন এ টাইগার ওপেনার। ধৈর্যশীল ইনিংসে সৌম্য হাঁকান একটি চার ও দুটি ছক্কা। সৌম্য যখন আউট হন তখন জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ১৮ বলে ৩৫ রানের। ইনিংসের ১৮তম ওভারে ভারতীয় লেগস্পিনার যুজবেন্দ্র চাহালের ৬ ডেলিভারি থেকে ১৩ রান তুলে নেন মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ। আর ১৯তম ওভারে ভারতীয় পেসার মোহাম্মদ খলিল টানা চার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলকে জয়ের একদম কাছাকাছি নিয়ে যান ম্যাচসেরা খেলোয়াড় মুশফিকুর রহীম। শেস ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪ রানের। ওভারের তৃতীয় বলে বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে আনুষ্ঠানিকতা সারেন মাহমুদুল্লাহ।