দূর হলো দুর্ভোগ

0
55

বারঘোনা-দোভাষী বাজার সড়কের নদী ভাঙ্গন এলাকায় ব্লক বসানোর কাজ সম্পন্ন

নজরুল ইসলাম লাভলু,কাপ্তাই: কাপ্তাইয়য়ের চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নাধীন বারঘোনা- দোভাষী বাজার সড়কের ভাঙ্গন রক্ষায় অবশেষে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ব্লক স্থাপন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে টানা বর্ষনের কারণে সড়ক রক্ষায় স্থাপিত ব্লক ধসে পড়ায় এসড়কে যান চলাচল মারাত্বক ঝুঁকিতে পড়ে।পাশাপাশি ভাঙ্গনের মুখে পতিত হয় চন্দ্রঘোনা খ্রীষ্টিয়ান মিশন হাসপাতাল। গত প্রায় একবছর পূর্বে পানি উন্নয়ন বোর্ড নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকাটিতে ব্লক বসানোর কাজ করে। কিন্তু সম্প্রতি টানা বর্ষনে ওই এলাকার ব্লক গুলি ধসে পড়ে। এতে পুনরায় ওই সড়কে মারাত্বক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার সৃষ্ট হয়। এতে জনসাধারণকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। মিশন হাসপাতালের বাউন্ডারী ওয়ালও ধসে পড়ার উপক্রম হয়। স্থানীয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বারঘোনা- দোভাষী বাজার সড়কের পার্শ্বস্থ কর্ণফুলী নদীর পাড়ের সাথে আরসিসি ঢালাইকৃত সড়কটির আয়তন দোভাষী বাজার হতে কর্ণফুলী পেপার মিল পর্যন্ত প্রায় দু’ কিলোমিটার। এসড়ক পথে প্রতিদিন শত শত মানুষ, যানবাহন দোভাষী বাজার, মিশন হাসপাতালসহ লিচুবাগান হয়ে চট্টগ্রামে যাতায়াত করে থাকে। গুরুত্বপূর্ণ এসড়কটি কর্ণফুলী নদীর পাড়ে হওয়ায় প্রায়ই নদী ভাঙ্গনের শিকার হয় সড়কটি। কয়েক বছর পূর্বে সড়কের পাশের অংশ নদীগর্ভে তলিয়ে গেলে দীর্ঘদিন এসড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।দীর্ঘ ভোগান্তির পর প্রায় একবছর আগে ভাঙ্গন কবলিত সড়কটি সংস্কার করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু টানাবর্ষনের কারণে সড়কের ওই স্থানের ব্লক গুলি ধসে পড়ে। ধসে পড়া স্থানের সচিত্র প্রতিবেদন বিভিন্ন দৈনিকে প্রকাশের পর কাপ্তাই পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ তড়িৎ ব্যবস্থা নিয়ে ব্লক ধসে পড়া স্থানে পুনরায় ব্লক বসানোর কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়। ফলে এসড়কে পুনরায় যান চলাচল শুরু হওয়ায় জনভোগান্তি দূর হলো। এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে মিশন হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ প্রবীর খিয়াং বলেন, টানাবর্ষনে ব্লক ধসে পড়ায় হাসপাতালের একাংশ মারাত্বক ঝুঁকির মধ্যে পতিত হয়।দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ব্লক বসানোর কাজ সম্পন্ন করায় তিনি পানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবী বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে ব্লক বসানোর কাজটি অত্যন্ত জরুরী ছিল। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হলে তারা দ্রুত ও টেকসই ভাবে কাজটি সম্পন্ন করায় জনগণের কষ্ট লাঘব হয়েছে বলে তিনি জানান।