দেশের মাটিতে চাষযোগ্য বিদেশী ফল পীচ

0
67

বাংলাদেশের সৈয়দপুর, নীলফামারিতে প্রথম এক নার্সারিতে প্রচুর ফল ধরা পিচ ফলের একটি গাছ দেখে বিশ্বাস হয় যে এ দেশে পিচ ফল হওয়া সম্ভব। স্থানীয় বাসিন্ধারা পীচ ফলের নাম বলেছিল মাজু ফল। এ নামে পিচ ফলের কোন বাংলা বা স্থানীয় নাম আর কোথাও খুজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু এর ইংরেজী নাম Peach, এ নামটাই এ দেশেও পরিচিত হয়ে উঠেছে। পরে অবশ্য সাভার, গাজীপুর, সৈদয়পুর, নীলফামারী, দিনাজপুর, চট্টগ্রাম ইত্যাদি এলাকায় ফলধরা বেশ কিছু পীচ ফলের গাছ চোখে পড়েছে। তবে প্রকৃত পক্ষে ফলটি শীতপ্রধান এলাকায় ভালো জন্মে। ভারতের সিমলাতে অনেক পীচ ফলের গাছ আছে। পিচ গাছ মাঝারি আকারের বৃক্ষ, পাতা অনেকটা ডালিম বা শরিফা পাতার মতো দেখতে। পাতার গোড়ায় অনেক ছোট ছোট পাতা থাকে। ফুলের রঙ লাল বা গোলাপি। ফল দেখতে ডিম্বাকার তবে মুখটা আমের মতো বাকানো ও সুচালো। কাঁচা ফলের রঙ সবুজ পাকলে হালকা হলুদের ওপর লাল আভা সৃষ্টি হয়। কাঁচা ফল শক্ত, খোসা খসখসে। কিন্তু পাকলে নরম হয়ে যায় ও টিপ দিলে সহজে ভেঙে যায়। পাকা ফলের রসালো শাঁস হালকা হলুদ ও ভেতরের দিকে লাল, শাঁসের স্বাদ টক। ফলের মধ্যে খয়েরি রঙের একটা শক্ত বিচি থাকে। পিচ ফল পাকে মে – জুন মাসে। এক কেজি ফল থেকে প্রায় ৪৭০ ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। চোখ কলম করে পিচ ফলের বংশবৃদ্ধি সম্ভব।