পরিবহণ আছে, গণ-পরিবহণ নাই!

0
3

মনসুর আলী:
চট্টগ্রাম মহানগরীর অন্যতম ভিআইপি রোড- এয়ারপোর্ট রোড। ব্যস্ততম মোড় সিমেন্ট ক্রসিং থেকে হাইডেলবার্গ-রুবি সিমেন্ট হয়ে সোজা নেভাল পর্যন্ত বিস্তৃত এ রোডটি। অনেক ভিআইপি, সিআইপি, গার্মেন্টস কর্মী, ছাত্রছাত্রী সকল শ্রেণি পেশার মানুষের চলাচল হয় এ রোড দিয়ে। এদিকে রয়েছে রিফাইনারী, পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, টিএসপি, সাইলোসহ অনেক শিল্প কারখানা। রয়েছে বিএএফ শাহীন কলেজ, চিটাগাং ড্রাইডক, হাইডেলবার্গ-রুবি সিমেন্ট। হাজারো লোকের চলাচলের এ রোডে সব সময়ই থেকে যাচ্ছে গণ পরিবহণের সংকট। এক সময় ১নং পরে ৬নং বাসের চলাচল দেখা যেত। বর্তমানে এই রোডে বাস চলাচল নেই বললেই চলে। কদাচিৎ ৬নং বাসের দেখা মেলে, আর তাতেই ঠাসা-ঠাসি। বাস গুলোর অনেকগুলো এখন শাহীন কলেজ, গার্মেন্টস শিল্প সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রিজার্ভ নিয়ে ব্যস্ত আছে। কিছুদিন আগে চালু হয়েছে লেগুনা টাইপের হিউম্যান হলার। তাও বলতে গেলে দুস্প্রাপ্য। বর্তমানে চালু হয়েছে মাহিন্দ্র নামী হিউম্যান হলার। এই মাহিন্দ্র ক্ষণে বৈধ, ক্ষণে অবৈধ। কখনো চলে, কখনো রাস্তা থেকে উধাও। চলছে তো চলছে, যেই না শুনে কোন ভিআইপি, সিআইপি আসছে তাতেই বন্ধ। শেষ পর্যন্ত জনগণেরই নাকাল অবস্থা।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এই রোড নিয়ে মহা-পরিকল্পনা কী আছে তা আমি জানি না। তবে আমার মতো সাধারণ জনগণের দাবি থাকে- ক) এই ভিআইপি এয়ারপোর্ট রোডে সর্বদা পর্যাপ্ত ৬নং বাস চালু করার ব্যবস্থা করুক। খ) লেগুনা হিউম্যান হলারের সংখ্যা বৃদ্ধি করুন। গ) মাহিন্দ্র নামী তিন চাকার গাড়িগুলোকে বৈধতা দিন। অন্তত যতদিন পর্যাপ্ত বাস/লেগুনা হিউম্যান হলারের ব্যবস্থা করছেন।