পাল্টে গেছে চট্টগ্রামের জীবনযাত্রা

mirza imtiaz প্রকাশ:| সোমবার, ২২ এপ্রিল , ২০১৯ সময় ০৬:৫০ অপরাহ্ণ

 

 

খুব শান্ত, কিন্তু অভূতপূর্বভাবে পরিবর্তনের মুখ দেখছে চট্টগ্রাম। পাঠাও ফুড ডেলিভারি সিস্টেম বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা তৈরি করে দিয়েছে। যার ফলে জীবনযাত্রার মান উন্নোয়নের পাশাপাশি আয় বাড়ছে নতুন এক শ্রেণী মানুষের।

 

 

খুব সম্প্রতি উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় নাম লিখিয়েছে বাংলাদেশ। বাড়ছে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় , উন্নত হচ্ছে জীবনধারা। শুধুমাত্র একটি অ্যাপ দিয়ে পাঠাও যোগাযোগ স্থাপন করেছে চট্টগ্রামের বিশাল সংখ্যক ক্রেতা এবং ফুডম্যানদের মধ্যে।  মানুষের দোরগোড়ায় সবচেয়ে দ্রুত ও নির্বিঘ্নে সে সেবা পৌঁছে দিতে পাঠাও’য়ের আছে একঝাঁক দক্ষ ও নিবেদিত ফুডম্যান। খুব অল্প সময়ে খাবার পৌঁছে দেয়ার এই প্রক্রিয়া শুধুমাত্র নিশ্চিত করেছে পাঠাও। এরফলে চট্টগ্রামের অর্থনীতিতে যোগ হয়েছে অন্যমাত্রা। অল্প পুঁজিতে দ্রুততম সময়ে আয়ের অন্যতম মাধ্যম পাঠাও ফুড ডেলিভারি সার্ভিস। শুধুমাত্র একটি বাইসাইকেল এর মাধ্যমেই উপার্জন করা যায় সহজে।

 

এছাড়াও পাঠাও নির্দিষ্ট এক শ্রেণীর মানুষের জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে , যারা প্রাত্যহিক জীবনে পাঠাও ফুড ডেলিভারির মাধ্যমে সময় বাঁচিয়ে ঝঞ্ঝাট এড়িয়ে বাসা  কিংবা অফিসে বসেই পাচ্ছেন মনমত খাবার ডেলিভারি। ইচ্ছে থাকলেও সময়, সুযোগ না থাকার কারণে তাদের বাসায় পৌঁছে যাচ্ছে পছন্দমত খাবার।  এতে স্বাভাবিক জীবনে যোগ হয়েছে স্বাচ্ছন্দ্য।

 

চট্টগ্রামে পাঠাও ফুড ডেলিভারি সার্ভিস চালু হওয়ার পর বেড়ে গেছে রেস্টুরেন্টগুলোর ব্যবসা।  চট্টগ্রামের বিপুল পরিমানের রেস্তোরাঁ পাঠাও ফুডের সহযোগী হয়ে তাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

 

এভাবে চট্টগ্রামের বিপুল সংখ্যক জনগোষ্টির নিত্যদিনের  প্রয়োজনে বা বিপদে পাঠাও আছে বন্ধু হয়ে।