পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের রাঙামাটি সদর থানা কমিটি গঠিত

0
4

বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের রাঙামাটি সদর থানা কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) কুদুকছড়িতে সংগঠনদ্বয়ের যৌথ কাউন্সিল সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়।
‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণায়ের দমনমূলক গণবিরোঠধী ১১ নির্দেশনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন, ভূমি ও জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষার্থে ছাত্র ও যুব সমাজ পূর্ণস্বায়ত্তশাসনেরর পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হোন’ এই আহ্বানে আয়োজিত সভায় পিসিপি রাঙামাটিত জেলা শাখার সভাপতি অনিল চাকমার সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক কুনেন্টু চাকমার সঞ্চালনায় কাউন্সিল অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্য ধর্মশিং চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রিনা চাকমা ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি থ্যুইক্যচিং মারমা। সভা শুরুতে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদের স্মরণে ১মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে দমিয়ে রাখার জন্য সরকার অগণতান্ত্রিক ও দমনমূলক ১১ নির্দেশনা জারির মাধ্যমে সেনাশাসনকে বৈধতা দিয়েছে। এর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে নিপীড়ন-নির্যাতন চালানো হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার সেনাশাসন জারি রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি জনগণের ন্যায্য আন্দোলনকে সমূলে ধ্বংস করতে উঠেপড়ে লেগেছে। সর্বত্র ওঁৎ পেতে থেকে প্রতিনিয়ত অন্যায় ধরপাকড় চালানো হচ্ছে। যার ফল কোনদিন ভালো হবে না বলে সরকারের প্রতি বক্তারা হুঁশিয়ারী উচ্চারন করেন।
বক্তারা শাসকশ্রেণীর সকল নিপীড়ন- নির্যাতন ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পূর্ণস্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য ছাত্র সমাজের প্রতি আহ্বান জানান। বক্তারা অবিলম্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অগণতান্ত্রিক ও দমনমূলক ১১ নির্দেশনা বাতিল, অন্যায় ধরপাকড় বন্ধ করা ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।
পরে উপস্থিত সকলের সর্বসম্মতিক্রমে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের নিখন চাকমাকে সভাপতি, সাচিং মারমাকে সম্পাদক ও বিপ্লবকে সাংগঠনিক সম্পাদক এবং যুব ফোরামের ধর্মশিং চাকমাকে আহব্বায়ক করে যথাক্রমে ১৩ ও ১১ সদস্য বিশিষ্ট রাঙামাটি সদর থানা কমিটি গঠন করা হয়।