পিএসসি নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার অধিকার প্রধানমন্ত্রীর নেই

0
3

পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেওয়ার কোনো অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার।

তিনি বলেন, “যে সব ছাত্ররা তাদের অধিকার আদায়ে আন্দোলন করেছেন, তাদের যদি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাতিল করা হয়, তবে দেশ মেধাশূন্য হয়ে পড়বে।”

শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নবনির্বাচিত কমিটি জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘কোটাবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে যারা গাড়ি ভাঙচুর করেছে, তাণ্ডব চালিয়েছে, পাবলিক সার্ভিস কমিশনে তাদের চাকরি হবে না’ বক্তব্য প্রসঙ্গে এম কে আনোয়ার এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় আসলে মেধাসম্পন্ন একটি সমাজ গড়ে তোলা হবে। মেধাবীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা শুরু থেকেই তাদের বিচার চেয়ে আসছি, এখনও চাই। তবে তা হতে হবে নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিকমানের।”

পক্ষপাতমূলক ও রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে যদি এই বিচার করা হয়, তবে তা কেউই সর্মথন করবে না বলে মন্তব্য করেন এম কে আনোয়ার।

তিনি ছাত্রদের দেশের সংকট উত্তরণে ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়কের দাবির যে আন্দোলন চলছে, তাতে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

এ সময় সাবেক ছাত্রনেতা ফজলুল হক মিলন, শহীদ হোসেন চৌধুরী এ্যানী, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, খায়রুল কবির খোকনসহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, ফুল দিতে যাওয়ার সময় সকাল ১১টার দিকে মনিপুরী পাড়ায় শওকত হোটেলের কোণায় একটি গাড়ি ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব জানান, বিষয়টি তার জানা নেই।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলেন, যারা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত তাদের পিএসসির অধীনে কোনো চাকরি হবে না। যারা কোটাবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করেছে, তাণ্ডব চালিয়েছে, তাদের ছবি সংরক্ষণ করে পিএসসিতে পাঠানো হয়েছে। ছবি দেখে দেখে ভাইভা নেওয়া হবে। তাদের পাবলিক সার্ভিস কমিশনে চাকরি হবে না। যারা মুক্তিযুদ্ধের অবদানকে খাটো করে দেখতে চায়, গাড়ি ভাঙচুর করে, তাদের চাকরি পাওয়ার অধিকার নেই।