পিকনিকে যেতে না পেরে ‘আত্মহত্যা’

0
149

বিদ্যালয়ের পিকনিকে যেতে বাধা দেওয়ায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে বাংলাদেশ মহিলা সমিতি (বাওয়া) বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এক ছাত্রী ‘আত্মহত্যা’ করেছে।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) ভোরে নগরের কোতোয়ালী থানার দেওয়ানবাজার রুমঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বাসার ড্রইং রুমে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে ওই ছাত্রী ‘আত্মহত্যা’ করে বলে তার পরিবার পুলিশকে জানিয়েছে।

‘আত্মহত্যা’ করা ওই ছাত্রীর নাম মাইশা আলম (১৪)। তিনি বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের দিবা শাখা দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী।

মাইশা আলম সাতকানিয়া উপজেলার সমাদরপাড়া এলাকার নুরুল আলমের মেয়ে। তিনি পরিবারের সঙ্গে কোতোয়ালী থানার দেওয়ানবাজার রুমঘাটা এলাকায় থাকতেন।

পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এসএম মেহেদী হাসান বলেন, মাইশা আলম নামে এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে বলে জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্ত করা হয়েছে।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহম্মদ মহসীন বলেন, বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পিকনিকে যাওয়ার কথা রয়েছে। পিকনিকে যাওয়ার জন্য মায়ের কাছে অনুমতি চেয়েছিল মাইশা আলম। পিকনিকে যেতে বাধা দেওয়ায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে মাইশা আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

মাইশার বাবা নুরুল আলম পুলিশকে জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। রাত দেড়টার দিকে ঘুম ভাঙলে তিনি মাইশাকে বাসার ড্রইং রুমে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা মাইশাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২৬ জানুয়ারি বিদ্যালয়ের দিবা শাখার পিকনিকে যাওয়ার কথা ছিল। পরে তা পিছিয়ে ১ ফেব্রুয়ারি পিকনিকের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। মাইশার মৃত্যুর খবরে এখন পিকনিক হবে কী না সে বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।