পেকুয়ায় সিএইচসিপি শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

0
24

পেকুয়া(কক্সবাজার)প্রতিনিধি

কক্সবাজারের পেকুয়ায় কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) শহিদুল ইসলামের অশ্লীল ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭নভেম্বর) কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুল মতিনের লিখিত আদেশে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ছাবের আহমদ এ তদন্ত কমিটি গঠন করেন। চার সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মুজিবুর রহমানকে প্রধান করে গঠিত এ তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন, মেডিকেল অফিসার মনির উল্লাহ, স্বাস্থ্য পরিদর্শক নুরুল হক ও স্টোর কিপার মোঃ কাউছার।

জানা গেছে, সম্প্রতি পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ছিরাদিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) শহিদুল ইসলামের একটি অশ্লীল ভিডিও ফাঁস হয়। এনিয়ে পুরো উপজেলায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। সরকারী কর্মকর্তার নৈতিক স্থলনের বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ জানায় সচেতন মহল। শহিদুল ইসলাম বারবাকিয়া ইউনিয়নের আনোয়ার হোসেনের পুত্র।

এদিকে তার অশ্লীল ভিডিওটি বিভিন্ন জনের মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় এলাকাবাসী ও স্বাস্থ্য বিভাগে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। চলে নানা আলোচনা ও সমালোচনা। এঘটনায় স্বাস্থ্য বিভাগ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তদন্ত শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, ভিডিওতে দেখা গেছে হেলথ প্রোভাইডার শহিদুল ইসলাম কক্সবাজার আবাসিক হোটেলের একটি রুমে নগ্নভাবে অবস্থান করছেন। ভিডিওতে এক মহিলার সাথে কথা বলছিলেন তিনি। কিন্তু ওই মহিলাকে দেখা যাইনি ওই ভিডিওতে।

স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছেন, চকরিয়া উপজেলার ঢেমুশিয়া এলাকার এক মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করেন হেলথ প্রোভাইডার শহিদুল ইসলাম। পরে বিয়ে করবে না মর্মে মেয়েটা নিশ্চিত হলে হোটেলে অবস্থানকালীন একটি ভিডিও রেকর্ড করেন।

পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ছাবের আহমদ জানান, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) শহিদুল ইসলামের অশ্লীল ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। প্রতিবেদনে শহিদুল ইসলামের সংশ্লিষ্ঠতা প্রমাণ পেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।