প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে নড়াইল ও কক্সবাজারের ফল স্থগিত

0
62

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে নড়াইল ও কক্সবাজার জেলার ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফল ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আইন ভঙ্গ করে প্রকাশিত ফলাফল কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। চার সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিবকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রোববার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে নড়াইল জেলার রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম ও অ্যাডভোকেট শাহ্ নেওয়াজ। আর কক্সবাজার জেলার পক্ষে অ্যাডভোকেট রাশেদুল হক খোকন।

প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৩-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে, এই বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদগুলোতে ৬০ শতাংশ নারী প্রার্থীদের দ্বারা, ২০ শতাংশ পোষ্য প্রার্থীদের দ্বারা এবং বাকি ২০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করা হবে।

রেজাউল করিম বলেন, ‘গত ২৪ ডিসেম্বর ঘোষিত ফলাফলে আইনের বিধান অনুসরণ করা হয়নি। তাই প্রতিকার চেয়ে নড়াইলের মৌমিত চক্রবর্তী নামে এক নিয়োগপ্রার্থী ওই ফলাফলের বৈধতা নিয়ে গত ২৩ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। সে রিটের শুনানি নিয়ে আদালত এই স্থগিতাদেশসহ রুল জারি করলেন।

অন্যদিকে কক্সবাজারের মহেশখালীর বাসিন্দা জুবলি ইয়াসমিন শান্তাসহ তিন জনের করা রিট শুনানি শেষে একই আদালত রুলসহ এ আদেশ দেন। এর আগে আরও ১৬ জেলার ফলাফল স্থগিত করেছেন আদালত।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ ডিসেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষায় ১৮ হাজার ১৪৭ জন প্রার্থীকে বাছাই করে ফলাফল প্রকাশিত হয়।