ফতেয়াবাদ স্কুলের ৯৮ ব্যাচ’র পুর্ণমিলনী সম্পন্ন

0
28

ফতেয়াবাদ আর্দশ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ৯৮ ব্যাচ পুর্ণমিলনী অনুষ্টান। বর্ণাঢ্য আয়োজনে হাটহাজারী উপজেলা শত বছরের পুরনো ফতেয়াবাদ আর্দশ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি ১৯৯৮ ব্যাচের পুর্ণমিলনী অনুষ্টান শেষ হয়েছে। পূর্ণমিলনী অনুষ্টানকে ঘিরে শুত্রুবার স্কুল প্রাঙ্গনে প্রাক্তন ছাত্রদের পরিবারবর্গের পদচারনায় মূখরিত হয়ে উঠে। প্রাক্তন ছাত্র ও শিক্ষকদের অংশ গ্রহনের মধ্য দিয়ে স্কুল প্রাঙ্গন থেকে বের হয় আনন্দ র্যা লি।রং বেরং এর ব্যানার হাতে নিয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্কুলে এসে শেষ হয় র্যানলি।এরপর স্কুলের শিক্ষকদের নিয়ে প্রাক্তন ছাত্ররা বেলুন আর পায়রা উড়ে পূর্ণমিলনী উদ্বোধন করেন। শত বছরের পুরনো এ বিদ্যালয় একুশ বছর পর শৈশবের স্কুল আঙ্গিনায় পা রেখে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। ৯৮ ব্যাচের ছাত্র ইন্জিনিয়ার আবদুল ওয়াজেদ চৌধুরী তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন বহু বছর পর স্কুল বন্ধুদের সবাইকে এক সঙ্গে পেয়ে খুবই ভালো লাগছে।এটা প্রকাশ করে বুঝানো যাবে না। যেন আবার সেই স্কুল জীবনে ফিরে গেলাম। ৯৮ ব্যাচের ছাত্র ড.এ এস এম ইফতেখার উদ্দিন তিনি বলেন এমন একটি আয়োজনের জন্য অনেক দিন অপেক্ষায় ছিলাম। স্কুল থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর এ প্রথম বহু পর স্কুলে জীবনে সব বন্ধু এক সঙ্গে হলাম। ৯৮ ব্যাচের ছাত্র ব্যাংকার রাজিব বণিক তার অনুভুতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন বহু বছর পর স্কুল বন্ধুদের সবাইকে এক সঙ্গে পেয়ে খুবই ভালো লাগছে। এই ৯৮ ব্যাচের মিলবন্ধন যাতে অমলিন থাকে বছরে পর বছর। এই ছাড়া ৯৮ ব্যাচের আরো স্মৃতিচারণ করেন রনী দাশ,গাজী এরশাদ খোরশেদ, রাশেদুল হাসান,গৌরাঙ্গ চৌধুরী, মোহাম্মদ নঈম,মো:রুবেলসহ প্রাক্তত ছাত্ররা। ফতেয়াবাদ আর্দশ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ও আলোচনা সভায় ৯৮ ব্যাচ নিয়ে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন।শিক্ষকরা বলেন স্কুলে বর্তমানে গরীব ও দুস্হ শিক্ষার্থী আছে তাদের কল্যাণের জন্য এই ৯৮ ব্যাচ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। দিনব্যাপী প্রাক্তন ছাত্রদের অনুষ্টানমালায় সভার শুরুতে কেক কেটে আলোচনা সভা স্মৃতিচারণ,বিদ্যালয়ের বর্ষীয়ান শিক্ষকদের সম্পাননা প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্টান ও ৯৮ ব্যাচের প্রাক্তত ছাত্রদের পরিবারের মধ্যে লাকী কুপন ড্র মধ্যে দিয়ে শেষ হয় বন্ধুত্ব অমলিন ৯৮ ব্যাচ এর এই অনুষ্টান । অনুষ্টান সঞ্চালনায় ছিলেন ৯৮ ব্যাচ এর ছাত্র উজ্জল দাশ।সভাপতিত্ব করেন প্রকৌশলী নেজাম উদ্দিন।