ফাইভজি, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে প্রাধান্য দিচ্ছি : জব্বার

0
46

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, আগামী দিনের প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়তে ফাইভজি, সাইবার নিরাপত্তা ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে।

কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর কাছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ একটি সফল দেশের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন তলা‌বিহীন ঝু‌ড়ি নয়, উন্নয়নের অভিযাত্রায় অপ্র‌তি‌রোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্রে যে কয়েকটি দেশে এগিয়ে আছে তার মধ্যে বাংলাদেশ একটি। আমরা এই ব্যবস্থার উন্নয়নে আরও অবকাঠামো নির্মাণে গুরুত্ব দিচ্ছি।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের ফাইভজি ট্রায়াল করা হয়েছে। খুব দ্রুত লাইসেন্স দিতে ফাইভজি পলিসি ও ইকোসিস্টেম তৈরি করা হচ্ছে।

সোমবার রাজধানীর এক হোটেলে ‘কমনওয়েলথ টেলিযোগাযোগ সংস্থার (সিটিও)’ ৫৯তম সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মোস্তাফা জব্বার প্রধান অতিথি থেকে চার পাঁচ দিনব্যাপী সম্মেলনটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে তিনি কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোকে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বানও জানান।

এবারের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্রে নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরতে ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে টেলিযোগাযোগ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে পারবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত এটি সিটিও’র দ্বিতীয় সম্মেলন। ‘টুওয়ার্ডস এ ডিজিটাল কমনওয়েলথ’ স্লোগানে এবারের সম্মেলনে বিশ্বের ৫৩টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। সিটিও সম্মেলন শেষ হবে ৪ অক্টোবর।

আয়োজনে ব্লকচেইন, তথ্য নিরাপত্তা, প্রযুক্তিখাতে তরুণদের অংশগ্রহণ, সাইবার নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে ১৫টি সেশন অনুষ্ঠিত হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপ‌তি একেএম রহমতউল্লাহ্‌, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, সি‌টিও এর চেয়ারম্যান ও গণতান্ত্রিক ফিজির যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অর্থ, গণ উদ্যোক্তা, জনসেবা, যোগাযোগ বিষয়ক মন্ত্রী এবং দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল আইয়াজ সৈয়দ কাইয়ুম ও আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন-আইটিউর উপ মহাসচিব মেলকম জনসন, কমনওয়েলথ টেলিযোগাযোগ সংস্থার ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব গিসা ফুয়াতাই পারসেলসহ আরও অনেকেই।

পাঁচ দিনব্যাপী স‌ম্মেল‌নে কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহ ছাড়াও অন্যান্য দেশের টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী, সচিব, রেগুলেটর প্রধান, সরকারি, বেসরকারি সংস্থার পদস্থ কর্মকর্তাসহ টেলিকম ও তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি তিন শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন।