ফিরে আসুন প্রিয় তৌফিক ভাই

0
999

ফিরে আসুন চট্টগ্রামের প্রথম ২৪ ঘন্টার অনলাইন পত্রিকা “নিউজচিটাগাং২৪” এর অকৃত্রিম বন্ধু,  আমাদের প্রিয় তৌফিক ভাই। আপনার সুস্থতা কামনায় মহান আল্লাহর দরবারে আমাদের বিশেষ প্রর্থনা হে আল্লাহ আমারে তৌফিক ভাইকে সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিন।

ঢাকার এপেলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুরুতর অসুস্থ হোসাইন তৌফিক ইফতেখার এর জন্য শুভকামা ও দোয়া কামনা জানিয়ে লেখাগুলো ফেসবুক থেকে নেয়া

সৎ, স্পষ্টবাদী তৌফিকদের সমাজে বড় প্রয়োজন। মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে তার দ্রুত অারোগ্য কামনা করি।
সবার প্রতি অনুরোধ রইল যে যার অবস্থান থেকে যেন তার সুস্থতা কামনায় দোয়া করেন।

চট্টগ্রামের অসাধারণ শিল্পবোধ সম্পন্ন সাংবাদিক, লেখক, সুপ্রভাত বাংলাদেশ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হুসেইন তৌফিক ইফতেখার আকস্মিক অসুস্থ হয়ে চট্টগ্রামের মেডিকেল সেন্টারের এসডিইউ’তে চিকিৎসাধীন । সবার দোয়া চাই ।

সহযোদ্ধা ছোটভাই, মেধাবী সাংবাদিক হোসাইন তৌফিক ইফতিখার এখন জীবন- মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। ঢাকা এ্যাপোলোতে ভর্তি করা হবে আজ। চট্টগ্রামের ডাক্তাররা বলেছেন, তিনি ব্রেইন ভাইরালে আক্রান্ত। এ রোগের চিকিৎসা ব্যয়বহুল। এ মুহূর্তে তৌফিকের চিকিৎসার জন্য অর্থ সংস্থানের বিষয়টি নিয়েও ভাবতে হবে।

আমি তার চিকিৎসার ব্যয়ভার নির্বাহের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সাংবাদিক বান্ধব প্রধানমন্ত্রী ইতিপূর্বেও আমাদের আহবানে সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসেন। এবারও আমাদের নিরাশ করবেন না। বাঁচাতে এগিয়ে আসবেন আমাদের ভাইকে, একজন মেধাবী তরুণকে।

ইতিমধ্যে আমি বিএফইউজে সম্মেলনে অসুস্থ সাংবাদিকদের এককালীন ১০ লাখ টাকা চিকিৎসা ভাতা ও চাকরিহারাদের মাসে ২০ হাজার টাকা ভাতার দাবি তুলেছি। এ দাবি আদায়ে আমার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

পরিশেষে আবারও তৌফিকের জন্য দোয়া চাই।

হোসাইন তৌফিক। একজন সুহ্রদ। সাহসী সাংবাদিক। অনেক গুনে গুনাম্বিত। হাসি খুশি থাকা টকবগে যুবক।তার নেতৃত্বের গুনাবলী ও প্রখর। প্রথম আলোর আলোকিত চট্টগ্রামে ছিলেন আমার গুরু। সাহস দিতেন। লেখার। নানা বিষয়ে এ্যাসাইন করতেন।মাসের শেষে বিল।সেই থেকে দীর্ঘ দুই দশক সর্ম্পকের একটুও ছিড় ধরেনি। বরং সম্পর্ক গাঁঢ় হয়েছে।
কয়েক মাস পর পর প্রিয় সন্তানকে চিকিৎসার জন্য নিতে হয় ভারতের বোম্বে। দুই বছর আগে ছেলের চিকিৎসা শেষে ফেরার পথে কলকাতা শহরে দেখা।সেখানে সময় কেটেছে আড্ডা ও ঘুরাঘুরিতে।রাতে কলকাতায় আমাদের দুই পরিবারের সৌজন্যে পার্টি দিয়েছিলেন আরেক প্রিয় মানুষ অশোক চৌধুরী।
গত ডিসেম্বারে ১৫ জন সহকর্মী নিয়ে তৌফিক ভাইয়ের নেতৃত্বে বান্দরবানের আনাচে কানাচে ঘুরেছি।রাতজুড়ে আড্ডা,নীলগিরি,চিম্বুক পাহাড়,সাঙ্গু নদী সহ নানা স্হাপনায় বিচরন করেছি তার নেতৃত্বে। এর পর সৃজনশীল আড্ডায় তার প্রাণবন্ত কথামালা সবাইকে বিমোহিত করতো। আজ তিনি শয্যাশায়ী। উন্নত চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়েছে ঢাকায়।মহান আল্লাহর কাছে আবেদন। আবার স্ব- মহিমায় ফিরে আসুক আমাদের সবার প্রিয় মানুষ হোসাইন তৌফিক ইফতেখার।

চট্টগ্রামের সাংবাদিকতায় আধুনিকতা ও নান্দনিকতার অন্যতম সংযোজক তৌফিক ভাই।২০০০-২০০৪ পর্যন্ত সময়ে প্রথম আলোতে তার সম্পাদনায় প্রকাশিত আলোকিত চট্টগ্রাম দেখলে চোখে প্রশান্তি নামত। এত সুন্দর গেটআপ, মেকআপ-অকল্পনীয় ছিল! উনার চমতকার হেডিংয়ের কথা সবাই জানেন। প্রথম আলোতে তৌফিক ভাই আমাদের অনেকেরই গুরু। অসম্ভব ভাল মানুষটি আজ গুরুতর অসুস্থ। তিনি এখন ঢাকার এপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমাদের খুবই প্রিয় এই মানুষটি দ্রুত সুস্থ হয়ে ফিরে আসুক আমাদের মাঝে-খোদার কাছে এই আরজ।

>> ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশিনের হেড অব নিউজ, অামাদের প্রথম আলোর সহকর্মী শ্রদ্ধেয় মামুন আবদুল্লাহ Mamun Abdullah ভাইয়ের দেওয়া তথ্য : ‘‘এ্যাপোলোতে তৌফিকের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। রাতে ভাবির সাথে তার স্বাভাবিক কথা-বার্তা হয়েছে। ডাক্তার বলেছেন তার স্ট্রোক নয়, ভাইরাল ইলফেকশন হয়েছে। সহসাই হাসপাতাল ছাড়বেন ইনশাআল্লাহ। সবাই দোয়া করবেন।’’
আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ দুটি মাসুম বাচ্চার উছিলায় হলেও তুমি আমাদের প্রিয় তৌফিক ভাইকে সুস্থ করে দাও। আমিন।

প্রিয় তৌফিক ভাই
(সৃজনশীল, গুনী, মেধাবী এক কথায় বহুমুখী প্রতিভাবান সাংবাদিক হুসেইন তৌফিক ইফতেখার) অচেতন অবস্থায় একটি বেসরকারী হাসপাতালের SDUতে নিবিড় পর্যবেক্ষনে আছেন বিষয়টি শুনার পর থেকে বেশ খারাপ লাগছে। তৌফিক ভাই অসাধারণ একজন মানুষ যিনি দৈনিক সমকালের প্রথম থেকেই আজও আমাকে স্নেহডোরে বেধে রেখেছেন, যার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি এবং সব সময় সুপরামর্শ দেন। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনায় সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রর্থনা করছি। সে সাথে সকলের কাছে তাঁর জন্য দোয়ার দরখাস্ত করছি

সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তনের কারণে আমাদের প্রিয়
তৌফিক ভাইকে উন্নত চিকিৎসায় কিচ্ছুক্ষণের মধ্যে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে

 

মেডিক্যাল সেন্টারের ট্রলি বেডে আপনার শুয়ে থাকা আর অ্যাম্বুলেন্সে তোলার নির্মম ছবি ফেসবুকের ওয়ালে ওয়ালে ঘুরছে…..আপনার এমন করুণ অবস্থা আমি তো সহ্য করতে পারছি না গুরু!!!

বুকের কান্না চেপে ফেসবুক থেকে বেরিয়ে গেলাম…. আপনার এ অবস্থা দেখতে চাই না। ফিরে আসুন আমাদের মাঝে, এত মানুষের দোয়ায়, ভালোবাসায় দুইজন নিষ্পাপ সন্তানের উসিলায়।

হে আল্লাহ, হে রহমানুর রহিম…তুমি আমাদের সবার উসিয়াল দ্রুত সুস্থ করে প্রিয়জন তৌফিক ভাইকে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দাও। তোমার কাছে এ ভিক্ষে চাই হে দয়াল। (আমীন)

আল্লাহ সেই হাসিমুখটাকে ফিরিয়ে দিন…
যার হাত ধরেই প্রথম আলোর সাবেক আলোকিত চট্টগ্রাম পাতায় লেখা প্রকাশিত হতো। যিনি প্রথম আলোর পাতার দায়িত্বে থেকে প্রতিনিয়ত আন্তরিক সহযোগিতা করেছিলেন সেই প্রিয় সাংবাদিক হোসাইন তৌফিক ইফতেখার ভাই। প্রথম আলোতে লিখতেন এমন সেই এক ঝাকঁ তরুন সাংবাদিক বর্তমানে বিভিন্ন পত্রিকায়ও কাজ করছেন।
আজ প্রিয় সাংবাদিক হোসাইন তৌফিক ইফতেখার ভাই অসুস্থ। যিনি অামাকে ব্যক্তিগতভাবে অনেক সহযোগিতা করেছেন। তিনি না হলে ইন্ডিয়ার টাটা হাসপাতালে অামার মাকে নিয়ে ভোগান্তি পেতে হতো। যার সিম নাম্বার না হলে বাংলাদেশসহ সবার সাথে কথা বলতেও অসুবিধা হতো।
তিনি আজ একটা রুমেই বন্ধি। আর বাইরে প্রিয়জনরা অপেক্ষার প্রহর ঘুনছেন। সেই এক ঝাকঁ তরুন সাংবাদিক বর্তমানে বিভিন্ন পত্রিকায় কাজ করছেন। হাসিমুখে কখন আসবেন প্রিয় তৌফিক ভাই। সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসুন, সেই অপেক্ষায়…

 

খোদার হাটের সেতু
খোদা চাইলে হবে
চন্দনাইশের খোদারহাটে একটি সেতুর জন্য অনেকদিন ধরে চলছিল চেষ্টা তদ্বির আন্দোলন। কোনওভাবেই সেতুর নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছিল না। এসব নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠিয়েছিলেন স্থানীয় প্রতিনিধি, প্রথম আলোর আলোকিত চট্টগ্রাম পাতায় ছাপানোর জন্য। তখন ওই পাতার দায়িত্বে ছিলেন হোসাইন তৌফিক ইফতেখার। প্রতিবেদনটি পড়ে তিনি এই শিরোনাম দেন।
এমন অনেক ব্যতিক্রমী কাজের মানুষ তৌফিক ভাই অসুস্থ। উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে ঢাকায়।
দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসুন তৌফিক ভাই।

এতো কষ্ট কেন ভালোবাসায়…
———————————————
দারুন আনন্দের উত্তেজনা অথবা নিদারুন শোকের বেদনা দুটোই আমি আজ এড়িয়ে চলি। ভয় পাই হৃদয়ের দূর্বলতায়। তবু আনন্দের চাইতেও বেশি বেদনার রাশি রাশি কালো ধোঁয়া যেন আমার চোখ খুলতে দেয়না তীব্র যন্ত্রণায়। কারণ মনের মুকুরে অহরহ ঘাই মারতে থাকে তাড়াতাড়ি না ফেরার দেশে পাড়ি দেয়া সহকর্মী বন্ধু পুলক সরকারের মুখ, পৃথিবীতে রয়ে যাওয়া তার অসহায় মেয়েটির কন্ঠস্বরসহ আরো কতো শত বিদায়ের বেদনার স্মৃতি। তাই ফেসবুকজাতীয় সামাজিক জানালাগুলো আমি ইদানিং খোলা রাখলেও জানালার শিক ধরে আনমনে- একমনে বাইরে তাকিয়ে থাকার মতো দীর্ঘসময় চষে বেড়ানোর সাহস বা আগ্রহ কোনটাই আর টের পাচ্ছিনা। শুধু আলো বাতাসের জন্য যেমন জানালাগুলো খোলা রাখতে হয় তেমনি ফেসবুক বা ইত্যাকার জানালাগুলোও আমার খোলা থাকে ঠিকই। আমি জানালার এপাড়ের আবদ্ধতায় ঘুরপাক খেতে খেতে শুধু ক্বচিত চোখ ফেলি বাইরের ক্লোরোফিলে। অন্যথা নয়। খুললেই হা- হুতাশ- মেললেই দীর্ঘশ্বাস- দাঁড়ালেই হঠাৎ আঘাত। এ যেন আমার নিয়তি । চোখ রাখলেই কেন এতো শোকের মাতম- করুণ বারতা ? আর কিছু অকারন আস্ফালন, যা আমার ত্রি-সীমার বাইরে। আজও তাই হলো, টানা কিছু সময় ফেসবুকে না আসার পর রাতে আসতে না আসতেই চোখে পড়লো সুহৃদ সহকর্মী মহসীন কাজীর স্ট্যাটাসটি। টিভিতে চলছিল আর্জেন্টিনা- ক্রোয়েশিয়ার খেলা ওই সময় প্রিয় সুহৃদ হোসাইন তৌফিক ইফতেখারের অসুস্থতার সংবাদটি আশার বাণী সমেত মহসীন জানালেও খেলায় আর চোখ যাচ্ছিলোনা- চোখ যাচ্ছিল এবারই প্রথম আর্জেন্টিনার চুড়ান্ত সমর্থক হয়ে ওঠা প্রিয় দলের পরাজয়ে ভারাক্রান্ত আমার মেয়েটার মুখের দিকে। আর মন ছুটছিলো তৌফিকের সাথে আমার অসংখ্য টুকরো টুকরো হার্দিক- অতৃত্রিম আন্তরিক মুহুর্তগুলোর পিছু। আর্জেন্টিনা নিদারুন ভাবে হারলো- কষ্ট তা নিয়ে নয়। কষ্ট হলো মেয়ের কষ্ট লুকানোর প্রয়াস দেখে। তৌফিকের সুস্থ হয়ে ওঠার খবরও জানলাম, তবুও আনন্দ যেন অর্গল খুলতে পারেনা। ফেসবুকের পাতায় পাতায় সহকর্মী- শুভার্থীদের আকুলতা আর তৌফিকের অসুস্থতার ছবি, বাৎসল্য আর আনন্দঘন মুগুর্তের ছবি- সবই যেন আমার কাছে শোকের সাদাকালো ছবির এলবাম হয়ে উঠলো। কেন ? যদি তৌফিকের কিছু হয়ে যেতো এই ভেবে ? দুরারোগ্য এবং ব্যায়বহুল চিকিৎসায় জর্জরিত সন্তানগুলোর কি হতো এই ভেবে ? আমি জানি না। শুধু জানি, সবচেয়ে বড় যে সত্যিটি আমাকে আগামী সকল সকালের পানে টেনে নিতে উন্মুখ সেটি হলো তৌফিক শংকামুক্ত। আর যা জানি না- তা হলো কেন এই দেশে সৎ সত্য ও সুন্দরের স্পষ্টবাদী পূজারিরা ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়। জানি না কেন তাদের না পাওয়ার বেদনাগুলো ত্যাগের মহিমায় চাপা দিয়ে আত্মবলিদানের যূপকাষ্ঠের দিকে এগিয়ে দেয়। আর, জানি বলে অজানা যে আত্ম আশ্বাসের প্রতি বিশ্বাস রাখি, তা হলো, তৌফিক ফিরবে। সুস্থ হয়ে ফিরবে। ওর সন্তানের জন্য ফিরবে। প্রিয়তমা পতœী আর শুভার্থী সহকর্মীদের জন্য ফিরবে। সর্বোপরি কারো ভালোবাসাকে অবজ্ঞা করতে পারেনা বলেই অনেকের ভালোবাসাকে উপেক্ষা করতে অক্ষম তৌফিক কে শ্রষ্টা সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনবেন। আর কখনো তাকে অসুস্থ করবেন না- এটুকু আবদার বা দাবি অসীম দয়ালের কাছে করতেই পারি যদি তার আশীর্বাদে এই আমার বেঁচে থাকা- যেমন সকলেই বাঁচে শ্রষ্টার অসীম দয়াতে।

Image may contain: 2 people, including Toufique Iftekher
Swagata Chowdhury Bidhan ভগবানের প্রতি আকুল চাওয়া,এ ধরনের ভালো মানুষটাকে ভালো করে দিন।

 

Debabrata Sen ঐকান্তিক শুভকামনা
Monowar Sagar দোয়া রইল প্রিয় তৌফিক ভাইয়ের জন্য

এ্যাপোলোতে Toufique Iftekher ভাইয়ের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। রাতে স্ত্রীর সাথে তার স্বাভাবিক কথা-বার্তা হয়েছে। ডাক্তার বলেছেন তার স্ট্রোক নয়, ভাইরাল ইলফেকশন হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য দরকার আরও কিছু টেস্ট। এরপর হাসপাতাল ছাড়বেন ইনশাআল্লাহ। সূত্র- Mamun Abdullah ভাই।

 

প্রিয় তৌফিক ভাই, আপনার জন্য মওলার কাছে ফরিয়াদ জানাই-আমাদের মাঝে দ্রুত ফিরে আসুন। আজ দুপুরে মেডিক্যাল সেন্টারে গিয়ে এনআইসিইউ-তে আপনাকে দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি, ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। আপনাকে দেখতে ছুটে গেছেন অনেক সহকর্মী ও সাংবাদিক নেতা। সবার চোখে-মুখে ছিল উৎকষ্ঠা। একজন প্রাণবন্ত মানুষ হঠা‍ৎ এভাবে নীরব হয়ে গেল কাউকে চিনতে পারছেন না। ডাক্তাররা বলছেন-তৌফিক ভাই viral encephalities নামে রোগে আক্রান্ত। আল্লাহ তুমি বান্দাকে রোগ দাও, আবার উসিলায় সারিয়ে নাও। আল্লাহ আমার মওলা হুজুরের সদকায় এই ভাল মানুষটাকে আমাদের মাঝে দ্রুত সুস্থ্য করে ফিরিয়ে দাও।