বঙ্গবন্ধুর আত্মবিশ্বাস ছিল সুদৃঢ়

0
29

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা, সাবেক গণ পরিষদ ও সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ ইসহাক মিয়া বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশকে যে বাঙালি গড়তে পারবে সে সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুর আত্মবিশ্বাস ছিল সুদৃঢ়। তিনি বলেন, একটি দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশটির জন্য করনীয় থাকে দুটো কাজ রাস্ট্র গঠন এবং জাতি গঠন। ১০ জানুয়ারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ভাষনে ১৫ টি বিষয়বস্তুর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করে রাষ্ট্রগঠন এবং জাতি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সুষ্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। জনাব ইসহাক মিয়া বলেন, ১৯৭৫ সনের ১৫ আগষ্ট জাতির পিতাকে স্ব পরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর আশা-আকাংখা,চিন্তা চেতনাকে হত্যা করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৬ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদ এর আয়োজনে ১০ জানুয়ারী ২০১৭ খ্রি. মঙ্গলবার, বিকেলে নগরীর থিয়েটার ইনষ্টিটিউট গ্যালারীতে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষনে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কায়সার -নিলুফার কলেজের অধ্যক্ষ শেখ মোহাম্মদ ওমর ফারুক। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক মো. আবদুর রহিম স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় ছিলেন। “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশ” বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতায় ১ম,দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান প্রাপ্ত সহ একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর ২০ জন প্রতিযোগিদের হাতে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বই, সনদ ও ক্রেষ্ট তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাবেক গন পরিষদ সদস্য ও সাংসদ হাজী মোহাম্মদ ইসহাক মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচ্য বিভাগের প্রফেসর ড. জ্বীনবোধী ভিক্ষু, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক প্রফেসর ড. বিকিরন প্রসাদ বড়–য়া, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ। আলোচনা করেন আওয়ামীযুবলীগ মহানগর নেতা সুমন দেবনাথ,নুরুল আলম, মোহাম্মদ সেলিম, সাইফুদ্দিন আহমেদ, মো. খোরশেদ আলম, জাবেদুল ইসলম শিপন, ইয়াছির আরাফাত, নোমান উল্লাহ বাহার, মোহাম্মদ শফিকুর রহমান সফিক, আসিফ ইকবাল, বোরহান উদ্দিন গিফারী, সাখাওয়াত হোসেন সওকত, মোরশেদুল আলম, মোহাম্মদ আলী হোসেন, রাশেদ মাহমুদ পিয়াস, আজিজুল করিম, মোসলেম উদ্দিন, আবু তৈয়ব মিজান সহ অন্যরা। আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিবৃন্দ বলেন, বাংলা,বাঙালি ও বাংলাদেশের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ছিল নিখাদ ও গভীর ভালোবাসা। পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালি কারাগারে বন্দিকালীন তাঁর ফাঁসির হুকুম হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, “ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার সময় আমি বলবো আমি বাঙালি, বাংলা আমার দেশ, বাংলা আমার ভাষা জয় বাংলা” দেশ ও জাতির প্রতি এমন অকৃত্রিম ভালোবাসার উদাহরণ বিশ্বে বিরল। তারা বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত ও সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে শপথ নেয়ার আহবান জানান। রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা হলেন তুলি দত্ত,তারেক আজিজ, সুদীপ্ত আচার্য্য, তানবিনা পারভীন , সৌরভ বিশ্বাস, তাকলিমা জাফর সায়মা, পায়েল মিত্র, অর্পিতা নন্দী, অরিত্র ঘোষ (উৎস), তানজিনা আক্তার আঁিখ, দিলরুবা খানম জুলি, সাইমুন হাসান, তুষার সেন ও বৃষ্টি দে।