বঙ্গোপসাগরে আটককৃত ৯২জনকে ক্রুকে হস্তান্তর

0
2

ক্রুকে হস্তান্তরসেন্টমার্টিন বঙ্গোপসাগরের অদূরে বাংলাদেশের জলসামীয় অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় মিয়ানমারের ১২টি ফিশিং ট্রলারসহ ৯২ ক্রুকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। উদ্ধার ট্রলার মাছ ও জালের মূল্য ১০ কোটি ৮০ লাখ টাকা ।

আজ বুধবার দুপুরে উদ্ধার ট্রলারসহ আটক ক্রুদের টেকনাফ নিয়ে এসে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর বা নৌ জা ধলেশ্বরী জাহজের কামান্ডার বিএন এম সাজ্জাদ হোসেন সাংবাদিকদের এক প্রেস বিফ্রিং এর মাধ্যমে জানান, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সেন্টমাটিন বঙ্গোপসাগরের দক্ষিন পশ্চিমে প্রায় ৫৪ নটিকেল মাইল এলাকায় বেশ কিছু মিয়ানমার ফিশিং ট্রলার বাংলাদেশি জলসীমায় মাছ ধরার সময় বা নৌ জা ধলেশ্বরী জাহাজ টহল কালে অভিযান চালিয়ে ১২টি মিয়ানমার ফিশিং ট্রলারসহ ৯২ ক্রুকে আটক করা হয়।

আটককৃতদের মধ্যে মিয়ানমারের আকিয়াব গোয়াল্লার ডেইল এলাকার ২১জন বধুয়ার ডেইল এলাকার ১৩জন কেলাবন এলাকার ২১জন, মান্ডামা এলাকার ৮জন, ভারুয়া ডেইল এলাকার ১৯জন, ডেবাডেইল এলাকার ৫জন, বারিজা এলাকার ২জন, ছাড়ি পাড়া এলাকার ১জন, রাড়িজা পাড়া এলাকার ১জন, নাফং এলাকার ১জন। আটক ক্রুদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করে নৌ-বাহিনীর বা নৌ জা ধলেশ্বরী জাহজের সিপিও এম এ মতিন বাদী হয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের বৈদেশিক নাগরিক আইনে মামলা দায়ের করেছে।

অপরদিকে উদ্ধার ট্রলার , মাছ ও জালসমূহ টেকনাফ শুল্ক ষ্টেশনে জমা দেওয়া হয়েছে। এতে ১২টি ট্রলারের আনুমানিক মূল্য ৯ কোটি টাকা, বিভিন্ন প্রকারের মাছের মূল্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকা, প্রচুর পরিমাণ জালের মূল্য ৬০ লাখ টাকাসহ সর্বমোট ১০ কোটি ৮০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন।

এদিকে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) আতাউর রহমান খোন্দকার জানান, নৌ-বাহিনী কতৃক আটক মিয়ানমারের ৯২ নাগরিকদের থানায় হস্তান্তর করে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে এজাহার দায়ের করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্বে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে কক্সবাজার আদালতে প্রেরণ করা হবে জানিয়েছেন।