বন্দরের ৮ কর্মীর ৫০ লাখ টাকা বিমা দাবির চেক হস্তান্তর

0
47

কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী চট্টগ্রাম বন্দরের ৮ জন কর্মীর ৪৯ লাখ ৯৫ হাজার ৩৬০ টাকা পরিশোধ করেছে জীবন বিমা করপোরেশন।

সোমবার (৫ আগস্ট) করপোরেশনের এজিএম কাজী নাজমুল ইসলাম বন্দরের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলমের হাতে বিমা দাবির চেক তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বন্দরের সদস্য (অর্থ) কামরুল আমিন, সচিব মো. ওমর ফারুক, উপ প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সন্দীপন চৌধুরী প্রমুখ।

বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, বন্দরে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী নৌ বিভাগের গিজার মো. সেলিম ৭ লাখ ১৩ হাজার ১৬০ টাকা, লস্কর ইফতেখারুল আলম ৩ লাখ ৭২ হাজার ৬০০ টাকা, সুপার স্কিলড যান্ত্রিক কারিগর হরিরঞ্জন জলদাস ৭ লাখ ৭২ হাজার ২০০ টাকা, গ্রিজার মো. আবদুল হালিম মৃধা ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮০ টাকা, ডিজেল মিস্ত্রি রায়মোহন জলদাস ৮ লাখ ৫২ হাজার ৪৮০ টাকা, নিরাপত্তা কর্মী জামাল হোসেন সিকদার ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৫৬০ টাকা, লস্কর মো. আমিনুল ইসলাম ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৮০০ টাকা ও সহকারী শিক্ষিকা শাকিরা আকতারের ওয়ারিশরা ৫ লাখ ৬১ হাজার ৬০০ টাকা বিমা দাবির অর্থ পাবেন।

তিনি জানান, এক চেকে ৮ জনের বিমা দাবির টাকা বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন বন্দর থেকে সংশ্লিষ্টদের ওয়ারিশের কাছে আলাদা চেক হস্তান্তর করা হবে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, কর্মরত অবস্থায় বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মারা গেলে সর্বশেষ বেসিকের ৩৬ গুণ বিমা দাবির অর্থ পেয়ে থাকেন। কর্মকর্তাদের জন্য বেসিকের প্রতি হাজারে ৬ টাকা ও কর্মচারীদের ৮ টাকা প্রিমিয়াম দিতে হয়। কর্মকর্তাদের বেতন থেকে মাসে ২৯ টাকা কাটা হলে কর্মচারীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ কাটা হয় না। ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রায় ৬ হাজার কর্মীর বিপরীতে জীবন বিমাকে বন্দর কর্তৃপক্ষ আগাম প্রিমিয়াম দিয়েছে আড়াই কোটি টাকা।