বন্দুকযুদ্ধে ফের রোহিঙ্গা মাদক পাচারকারী নিহত

0
9

শামসু উদ্দিন,টেকনাফ
বন্দুকযুদ্ধের পরও থেমে নেই ইয়াবা ব্যবসা। প্রতিদিন নিত্যনতুন কৌশলম্বনে সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে অহরহ ইয়াবার চালান। ১০ জুন ভোররাতে মায়ানমার থেকে মরন নেশা ইয়াবার চালান নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করার চেষ্টাকালে বিজিবির সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছে অজ্ঞাত এক মাদক পাচারকারী। ধারনা করা হচ্ছে নিহত ব্যক্তি রোহিঙ্গা নাগরিক। উক্ত ঘটনায় বিজিবি টহলদলের সিপাহী মোঃ নুরুল হকও মোঃ আরিফ হোসেন আহত হয়। তবে একাধিক সুত্র মতে নিহত ব্যক্তি মায়ানমারের মংডু থানার দক্ষিন নাকপুরার পেরাংপুর এলাকার মোঃ নুরের ছেলে মো. রফিক বলে জানাযায়। ১০ জুন বেলা ১২টায় টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২বিজিবির) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) সংবাদ সম্মেলন করে অভিযানের বিস্তারিত বিবরন দেন। এসময় তিনি বলেন রবিবার দিবাগত রাতে মায়ানমার হতে ইয়াবার একটি বিশাল চালান জাদীমুরা পয়েন্ট হয়ে প্রবেশ করার গোপন সংবাদের ভিক্তিতে দমদমিয়া বিওপির নায়েক মোঃ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি টহলদল জাদিমোরা সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর একটি হস্তচালিত নৌকাযোগে ৪/৫জন ব্যক্তি বাংলাদেশ জলসীমায় প্রবেশ করলে বিজিবি সদস্যরা চ্যালেঞ্জ করামাত্র গুলিবর্ষণ শুরু করে। বিজিবিও জান-মাল রক্ষার্থে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করলে কয়েকজন নদীতে ঝাঁপ দেয়। গোলাগুলি থেমে গেলে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে ৫০হাজার ইয়াবা, ১টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ২রাউন্ড গুলির খালি খোসা ও ১টি কাঠের নৌকাসহ গুলিবিদ্ধ অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে। তাকে গুলিবিদ্ধ অজ্ঞাত লোকটিকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। সেখানে সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এই ঘটনার খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরীর পর লাশ পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনীব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২বিজিবির) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল ফয়সল হাসান খান (পিএসসি)।