বমুবিলছড়ির সেতুর ওপর মানুষের পদচারণা নেই

0
3

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার সিটমহল খ্যাত বমুবিলছড়ির মাতামুহুরী নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি চার বছর আগে নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু সেতুর এক পাশে মাটি ভরাট না করার ইউনিয়ন সদরের সাথে ৫ গ্রামের মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সেতুর ওপর মানুষের পদচারণা না থাকায় প্রাণহীন হয়ে পড়েছে সেতুটি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলার বমুবিলছড়ি ইউনিয়নের মাতামুহুরী নদীর ওপর বমুরমুখ এলাকায় সেতুটি নির্মাণ করে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ। সেতুটির উত্তর পাশের সংযোগ সড়ক থেকে সেতুটির উচ্চতা প্রায় ১৫ ফুট। এতে মাটি ভরাট না করায় সেতুটির এক পাশে যাতায়াতের মতো করে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে সরেজমিনে চার পাঁচ জন মিলে টেনে হিচড়ে কোনো মতে একটি রিকশা পার করতে দেখা যায়। এমনকি যাত্রীদেরকে রিকশা থেকে নেমে পেছন থেকে টেনে ধরতে হচ্ছে ওই রিকশা। এ চিত্র হলো শুষ্ক মৌসুমের। বর্ষা মৌসুমে মোটেও এটি সম্ভব হবে না বলে জানান স্থানীয়রা। আবদুস সালাম নামের এক পথচারি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এরকম সেতু থাকার চেয়ে, না থাকাই ভালো ছিল। সেতু হওয়ায় এখন যাতায়াতে আরো বেশি কষ্ট হচ্ছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. কফিল উদ্দিন, মোজাফ্ফর আহমদ, আবদুস সবুর, আজাদ, ফিরোজ অভিযোগ করে বলেন, গত চার বছর আগে সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক ভরাটের মাটি না পাওয়ার অজুহাতে ঠিকাদার কাজ শেষ না করইে চলে যায়।

এ প্রসঙ্গে বমুবিলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মতলব জানান, ওই সেতুটি উত্তর পাশে এপ্রোজের কাজ না করার কারণে ১০ হাজার গ্রামের মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। পাশাপাশি কৃষক তাদের ফসল বাজারে নিতে পারছে না।

এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী রনি সাহা বলেন, মাতামুহুরী নদীর বমুবিলছড়ি নদীর ওপর নির্মিত সেতুটির উত্তর মাথার সংযোগ সড়কের এপ্রোজের কাজের প্রাক্কলন তৈরি করে প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন হলে এপ্রোজের কাজ সম্পন্ন করা হবে।