ব্যতিক্রমী এক স্বাধীনতা দিবস

0
75

মির্জা ইমতিয়াজ শাওন:: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ। স্বাধীনতার ৪৯তম বার্ষিকী। স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল সূচনার দিন। যাদের ত্যাগ আর রক্তে অর্জিত এই স্বাধীন ভূখণ্ড সেই বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দিন আজ। মুক্তির আনন্দে সমৃদ্ধির শপথে মুষ্টিবদ্ধ হওয়ার দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণায় উদ্দীপ্ত হয়ে মুক্তির লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছিল মুক্তিকামী জনতা। ঘোষণা হয়েছিল বাংলার স্বাধীনতা। বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণের আতঙ্কের মধ্যে এবার ভিন্ন পরিস্থিতিতে পালিত হচ্ছে স্বাধীনতা দিবস।

এবারি প্রথম ২৬ মার্চ যথাযথ ভাবে পালনে বাদ সেধেছে করোনাভাইরাস। ফাঁকা চট্টগ্রাম। মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। সড়কে যানবাহন নেই।

গুটিকয়েক দোকান খুলেছে। দু একজন খেটে খাওয়া মানুষ ছাড়া কেউ বাইরে আসছেন না। শুধু মাত্র গণমাধ্যমকর্মী, পুলশ-সেনাবাহিনী রাজপথে তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত। এর বাইরে সড়কে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বের হলে তাকে বাসায় ফেরত পাঠানো হচ্ছে।

একজন বাসিন্দা ডা. আনিকা বলেছেন, “আমাদের প্রিয় নগরীটি এখন এক অবরুদ্ধ আতঙ্কের নগরী। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে এই পৃথিবী বুঝি এখানেই শেষ হয়ে গেল। প্রতিটা মূহুর্ত কাটে আতঙ্কে। অবরুদ্ধ এই নগরীতে এখন আমাদের বসবাস। আল্লাহ, অবরুদ্ধ নগরীর দ্বার খুলে দাও। আমাদের ক্ষমা করো, তোমর অসীম ক্ষমতায় সব আবার ঠিক করে দাও।

ব্যস্ত সড়কের পাশের ফামের্সী মালিক কুন্তল জানালো ফাঁকা পথ ঘাট। যেখানে ২৪ ঘন্টাই থাকতো কোলাহল ভিড় যানযট। প্রতি নিয়ত ট্রাফিক পুলিশকেও হিমশিম খেতে হতো। আল্লাহ তাআলার কি লীলা খেলা … এখন সব চুপচাপ। শুধু চট্টগ্রাম নয় আজ গোটা বিশ্ব অবরুদ্ধ…

উল্লেখ্য দেশে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে বাতিল করা হয়েছে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি। স্থগিত করা হয়েছে স্বাধীনতা পদক প্রদান অনুষ্ঠান। এমন অবস্থায় আজ সীমিত পরিসরে পালিত হচ্ছে এ দিবসের কর্মসূচি।

ছবি : ভিপি ইউনুস