ব্যাটে-বলে উজ্জ্বল সৌম্য-সুমন

0
93

ইমার্জিং এশিয়া কাপে বড় জয়ে মিশন শুরু করলো বাংলাদেশ। গতকাল আসরের উদ্বোধনী দিনে হংকংকে ৯ উইকেটে হারায় শান্ত বাহিনী। সাভারে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি-৪) মাঠে স্বাগতিক বাংলাদেশ মুখোমুখি হয় হংকং ইমার্জিং দলের। বাংলাদেশি বোলারদের তোপে নির্ধারিত পঞ্চাশ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬৪ রান তুলতে পারে সফরকারিরা। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশি ওপেনার নাইম শেখ ও সৌম্য সরকারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ১৫৫ বল হাতে রেখে ৯ উইকেটের জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা। ভারতের বিপক্ষে প্রথম দুটি টি-টোয়েন্টিতে ৩৯ ও ৩০ রান করা সৌম্য এই ম্যাচে দারুণ পারফর্ম করেন। আর দলকে জিতিয়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে মাঠ ছাড়েন।
গতকাল সকালে টসে জিতে বাংলাদেশের অধিনায়ক শান্ত ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। টাইগার বোলাররা ৭৬ রানে হংকংয়ের ৫ উইকেট তুলে নিয়ে অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে যথার্থ প্রমাণ করেন।
আর এই রান তুলতে হংকংকে খেলতে হয় ২৫ ওভার। এরপর ৬ষ্ঠ উইকেটে হংকং অধিনায়ক আইজাজ খান ও ব্যাটসম্যান হারুন আরশাদ দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫১ রানের জুটি গড়েন। ৩৩ ওভারের মাথায় দলীয় ১২৭ রানে সফরকারিদের পক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৩৫ রান করা হারুন ফিরে গেলে রানের চাকা মন্থর হয়ে যায় হংকংয়ের। বাকি ১৭ ওভারে হংকং ৩ উইকেট হারিয়ে তোলে মাত্র ৩৭ রান। অধিনায়ক আইজাজ খানের ২৫ রানে ভর করে শেষ পর্যন্ত দেড়শো পেরোয় সফরকারিরা। বাংলাদেশের পক্ষে ১৯ বছর বয়সী পেসার সুমন খান ১০ ওভারের স্পেলে ৩৩ রানে নেন ৪ উইকেট। এছাড়া মেহেদি হাসান ১০ ওভারে ২৩ রানে নেন ২ উইকেট। সৌম্য ১০ ওভারে ৩৬ রান দিলেও ছিলেন উইকেটশূন্য।

জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে টি-টোয়েন্টি মেজাজে খেলতে থাকেন দুই ওপেনার সৌম্য ও নাইম। ভারতের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৪৯ বলে ৮১ রান করা নাইম শেখ শুরু থেকে আগ্রাসী ব্যাটিং করেন। দুই ওপেনার ১৫.২ ওভারে ৯৪ রানের জুটি গড়েন। এহসানে খানের ডেলিভারিতে বলে-রানে সমান ৫২ করে নাইম আউট হলে ক্রিজে আসেন অধিনায়ক শান্ত। শান্ত-সৌম্য ৫৩ বলে ৭৪ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে সহজ জয় এনে দেন। ৫৩ বলে অর্ধশতক ছোঁয়া সৌম্য শেষ পর্যন্ত খেলেন ৭৪ বলে হার না মানা ৮৪ রানের ইনিংস। ইনিংসে সৌম্য হাঁকান ৯ চার ও ৩টি ছক্কা। আর অধিনায়ক শান্ত ২ ছক্কায় ১০০ স্ট্রাইক রেটে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচসেরা হন সৌম্য সরকার। এই জয়ে গ্রুপ ‘বি’ তে ২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে বাংলাদেশ। সমান পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে পাকিস্তান।