মাদক কারবারি ফেরদৌস গ্রেফতার : শাস্তির দাবি

0
24

পটিয়ার খরনা ইউনিয়নের পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ে গত ১১ ডিসেম্বর ২০১৭ইং মাদক ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে নিহত আবদুল্লাহ হত্যাকান্ডের এজাহার নামীয় ৭নং আসামী মো. ফেরদৌস কে গ্রেফতার করেছে পটিয়া থানা পুলিশ। সে পটিয়া-চন্দনাইশ সীমান্ত মুরাদাবাদ গ্রামের মৃত জাকির হোসেনের পুত্র। জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটিয়া থানা পুলিশের এস.আই বাসু দেব এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ মোজাফ্ফরাবাদ এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা বাসু দেব জানান, ধৃত আসামীর কাছে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এ হত্যাকান্ডের প্রকৃত ক্ল্যু উদ্ধারে তিনি তৎপর রয়েছেন। গতকাল ধৃত মাদককারবারি দলের সদস্য মো. ফেরদৌসকে কোর্টে প্রেরণ করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন বলে জানান। তবে তিনি বর্তমানে ঘটনার ক্ল্যু উদ্ধারে ফেরদৌসকে ৭ দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিজ্ঞ আদালতে আবেদনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান। জানা যায়, বিগত ১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর পটিয়ার খরনার পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ে মদ পাচার নিয়ে একটি গুলাগুলির ঘটনায় খরনা গ্রামের আবদুল্লাহ নিহত হয়। এ ঘটনায় নিহত আবদুল্লাহর ভাই আবদুর রশিদ বাদী হয়ে পটিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-১৮১২/২০১৭ইং। এতে তিনি দাবি করেন বিগত ১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর তার ভাইকে রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ছত্তার বাবুর্চির বাড়ি থেকে মেজবান খেয়ে বের হওয়ার সময় জনৈক মাহবুব কাজ আছে বলে খরনা ইউনিয়নের পাহাড়ের ভিতরে বড়ইতলি খালের পার্শ্বে ডেকে নিয়ে যায়। এসময় আসামীরা চোলাই মদ সংগ্রহ করে ফেরার পথে মদ ছিনতাই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে গুলাগুলি হলে এতে আবদুল্লাহ গুলিবিদ্ধ হয়ে জখমপ্রাপ্ত হয়। পরে সে মারা যায়। এ ঘটনায় পাশ্ববর্তী চন্দনাইশ উপজেলার মাদক কারবারিরাও জড়িত। তিনি তার ভাই হত্যায় জড়িত সকল আসামীর গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেন। গতকাল পটিয়া থানার এস.আই বাসু দেব বলেন, এ হত্যাকান্ডের ক্ল্যু উদ্ধারে আমরা সচেষ্ট রয়েছি। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনায় জড়িত অপরাপর আসামীদের ধৃত করে আইনের সম্মুখে সৌপর্দ করা সম্ভব হবে। এদিকে বাংলাদেশ শিশু উন্নয়ন মানবাধিকার ফোরাম ও চন্দনাইশ সমাজ উন্নয়ন ফোরামের নেতৃবৃন্দরা এ ধরনের মদ ইয়াবা পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার আন্দোলন গড়ে তোলা জন্য পাড়া-মহল্লায় তরুণ সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এরকম আসামীরা গ্রেফতার হলেও সঠিক শাস্তি না হওয়ায় তারা বেরিয়ে এ কর্মকান্ডে আবারো লিপ্ত হয়। এতে নেতৃবৃন্দ উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানান।