ফেলে যাওয়া পচা চামড়া সরালো চসিক

0
145

মির্জা ইমতিয়াজ শাওন:: বিক্রি না হওয়ায় মৌসুমি ব্যাবসায়ীদের ফেলে যাওয়া পচা চামড়া সরালো চসিক।

নগরীর আতুরার ডিপো এলাকায় সোমবার বিকেল থেকে চামড়ার আড়তে চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে  গরু ও ছাগলের চামড়া বিক্রি করতে চামড়া নিয়ে হাজির হয়েছিলো অসংখ্যমৌসুমি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা চামড়া ব্যবসায়ী। কিন্তু দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর তা বিক্রি না হওয়ায় রাতে লাখ লাখ টাকার চামড়া সড়কের পাশে ফেলে রেখে চলে যান অনেক ব্যবসায়ী।

লোকসান যেন গুণতে না হয় তাই এসব খুচরা ব্যবসায়ীদের অনেকেই সন্ধ্যার দিকে চামড়া বিক্রি করেননি৷ তাদের প্রত্যাশা ছিল শেষ দিকে এসে পাইকারি বাজারে চামড়ার দাম বাড়বে। ঘটেছে হিতে বিপরীত৷ চামড়ার দাম বাড়েনি। তাই খোলা আকাশের নিতে সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে গেছে অনেক চামড়া। শুক্রবার বিকালে পস্তা বাজার ঘুরে দেখা যায়, সড়ক জুড়ে পরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ পচা চামড়া। ব্যবসায়ীরা বলছেন, যারা চামড়া ধরে রেখেছিলেন তাদের চামড়া নষ্ট হয়ে গেছে।

চামড়া ব্যবসায়ী আলম বলেন, ৩০০-৪০০ টাকায় ব্যবসায়ীরা চামড়া কিনেছে সাথে নানা খরচ যোগ হয়েছে। পাইকার দাম বলছে ১৫০/২৫০ টাকা। এই কারনে অনেকে রাগে লাখ লাখ টাকার সব মাল রাস্তায় ফেলে চলে গেছে।’

চামড়ার কম দামে রীতিমতো ক্ষুব্ধ এই ব্যবসায়ী। বলেন, ‘এক জোড়া ভালো চামড়ার জুতার তিন হাজার টাকা। আর একটা চামড়ার দাম ২০০ টাকা। এইটা কেমন ফাইজলামি?’

গত ৩৫ বছরে দেশীয় চামড়ার বাজারে এত বড় আঘাত আসেনি বলে দাবি করেন অপর এক পাইকারি চামড়া ব্যবসায়ী েইসলাম। তিনি বলেন, ‘দাম না পাই অনেকে চামড়া ফেলাই গেইয়ি্্য। বউত চামড়া নষ্ট হইল। এগিন তো আসলে চামড়া নষ্ট ন হইল, দ্যাশের সম্পদ নষ্ট হইল দি।

পচে যাওয়া চামড়া আবর্জনা হিসেবে নিয়ে যেতে দেখা গেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের। মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে নগরীর আতুরার ডিপো এলাকায় বুলডোজারের সহায়তায় সেবকদের চামড়া ময়লার ভাগাড়ে ফেলতে দেখা গেছে। নাম প্রকাশে অনিছুক এক পরিচ্ছন্ন কর্মী বলেন চামড়া পচে গন্ধ বেড়িয়েছে। খারাপ লাগছে  এতো টাকার সম্পদ নষ্ট হলো। আমরা জনসাধারণের সুবিধার জন্য দ্রুত এসব পচা চামড়া সরিয়ে নিচ্ছি।