যুবক হত্যার ঘটনায় আটক সহোদরের রিমান্ড আবেদন

0
8

গা ঢাকা দিয়েছে মূলহোতারা

মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া::
কক্সবাজারের পেকুয়ায় গভীর পাহাড়ি এলাকায় তারেকুল ইসলাম মানিক নামের এক যুবককে পরিকল্পিতভাবে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় ঘটনায় মামলা দায়েরের পর মূল হোতারা গা ঢাকা দিয়েছে। এদিকে নিহতের আপন সহোদরকে পুলিশ আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন। জানা যায়, পেকুয়ার শিলখালী কাচারী মুড়া এলাকার মৃত আবদুল হাকিমের ছেলে মানিক তার বসত বাড়ী থেকে ৪কিলোমিটার দূরে জারুল বুনিয়া ঢালারমুখের উত্তর পাশে হাজীর বাপের খোলার জনৈক প্রভাবশালী খোরশেদুল ইসলামের খামার বাড়ির পাশে অবস্থান কালে গত ২২ফেব্রে““য়ারী সকাল ৭টার দিকে খামার বাড়ীর পাশে মানিকের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে খামার বাড়ীতে অবস্থানরত কয়েকজন লোক তার অন্য ভাইদের খবর দেয়।

এদিকে নিহতের ভাই নুরুল আমিন বাদী হয়ে অজ্ঞাত নামীয় আসামী দেখিয়ে পেকুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-১১/১৫। মামলা দায়েরের পর নিহতের অপর ভাই ইসমাঈলকে আটক করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুর রকিব বলেন, মামলার বাদী তার ভাই ইসমাঈলকে সন্দেহ করায় তাকে আটক করে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল মতিন বলেন, আটক ব্যক্তিকে গতকাল চকরিয়া জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করে ৭দিনে রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত আজ (২৫ফেব্রে“য়ারী) ওই রিমান্ড আবেদনের শুনানির দিন ধার্য্য করেছে।

স্থানীয়রা জানান, নিহত মানিকের সাথে ওই পাহাড়ি জমি দখল বেদখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শীলখালী ইউনিয়নের মূন্সিমূরা এলাকার আবদুচ ছত্তারের ছেলে খোরশেদের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। খোরশেদ নিহত মানিকের জায়গা জবর দখল করতে বনের রাজাখ্যাত ডাকাত জাহ্াঙ্গাীরকে নিয়ে স্বশস্ত্র হামলা চালিয়ে কিছু বাঁশ গাছ কেটে ছিল। ওই জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে নিহত মানিক ও তার অন্যভাইরা ভোগদখল করে আসছে কিন্তু প্রভাবশালী খোরশেদ চিহ্নিত ডাকাতদের নিয়ে জায়গাটি জবর দখলের জন্যে কয়েক দফা চেষ্টা চালিয়েছে।
নিহত তারেকের ভাই নুরুল আমিন অভিযোগ করেছেন, তার ভাই তারেকের কিছু জমি দখলে নিতে খোরশেদুল ইসলাম ভাড়াটে খুনি দিয়ে পরিকল্পিতভাবে এ নির্মম হত্যাকান্ডটি সংঘঠিত করে থাকতে পারে। নিহতের পরিবার হত্যাকান্ডের ঘটনায় খোরশেদ ইসলামকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন। এদিকে মামালা দায়েরের পর থেকে ওই খোরশেদুল ইসলাম রাতের আধারে ঢাকায় পালিয়ে গেছেন বলে বিস্বস্থ্য সূত্রে জানা গেছে। শিলখালী হাজ্বী বাপের খোলায় ওই প্রভাবশালী খোরশেদুল আলম দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত বন বিভাগের কয়েক’শ একর পাহাড়ি জায়গা জবর-দখল গরু ছাগলের খামারের নাম দিয়ে ইয়াবা ব্যবসা থেকে শুরু করে অবৈধ অস্ত্রের মজুদ রেখে এলাকায় নানান অপরাধ কর্মকান্ড চালাচ্ছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।