রপ্তাণি উন্নয়নে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও রপ্তাণি মেলা অবদান রাখবে

0
2

বিআইটিইএফ-২০১৪ সমাপনী অনুষ্ঠান সিএমসিসিআই প্রেসিডেন্ট খলিলুর রহমান

সিএমসিসিআই প্রেসিডেন্ট খলিলুর রহমানচট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড এন্ড এক্সপোর্ট ফেয়ার”বিআইটিইএফ-২০১৪” এর সমাপনী ১৭ জানুয়ারী বিকাল ৩:৩০ মি: অনুষ্ঠান কেডিএস গ্র“পের চেয়ারম্যান এবং সিএমসিসিআই প্রেসিডেন্ট খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন কনভেনার মো: আমিনুজ্জামান ভূঁইয়া, কো-কনভেনার এ.এম.মাহবুব চৌধুরী এবং পরিচালক ডব্লিউ.আর.আই.মাহমুদ রাসেল সহ অসংখ্য সদস্য এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।
প্রেসিডেন্ট খলিলুর রহমান মেলা আয়োজনের অনুমতি প্রদানের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদকে অসুস্থতার মধ্যেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। কো-কনভেনার মাহবুব চৌধুরী শত প্রতিকূলতার মাঝেও এ ধরনের মেলা আয়োজনে সকলের সহযোগীতা জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি চট্টগ্রাম আবাহনী লি: সকল কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় গরীবে নেওয়াজ স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী সহ সকলকে ধন্যবাদ জানান। পরিচালক রাসেল সিএমসিসিআই কর্তৃক আয়োজিত ১ম বারের মতো এ মেলায় সম্পৃক্ত হতে পেরে আনন্দিত প্রকাশ করেন।
মেট্রোপলিটন সভাপতি খলিলুর রহমানের বক্তবে , মাসব্যাপী বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও রপ্তাণি মেলা ২০১৪ এর সমাপনি অনুষ্ঠানের এবং মেলার আহ্বায়ক . মোহাম্মদ আমিনুজ্জামান ভূঁইয়া, সমাপনি অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি দৈনিক পূর্বকোনের সম্পাদক এবং চেম্বারের সহ-সভাপতি তসলিসম উদ্দিন চৌধূরী, সিএমসিসিআই এর সহ-সভাপতি -কর্মকর্তা-কর্মচারি এবং আমাদের সবসময়ের সুহৃদ গণমাধ্যম প্রতিনিধিসহ আমন্ত্রিত অতিথি সকলকে স্বাগতম ও শুভেচ্ছা।
চট্টগ্রামের নিউ জেনারেশন চেম্বার সিএমসিসি আই তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে স্থানীয় শিল্পের প্রসার ও দেশের রপ্তাণি খাতের উন্নয়নে নানাবিধ কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। আমাদের ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশে মেলার ধরানায় নতুনত্ব এনে আমরাই প্রথম সূচনা করেছি বাণিজ্য ও রপ্তাণি কে একসাথে সমন্বয় করে আন্তর্জাতিক মানের মেলা। মেলার স্থান হিসেবে আবাহনী মাঠকে বেছে নেওয়া হয়েছে নতুনভাবে নতুন স্থানের সাথে দর্শনার্থীদের পরিচিতি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সমৃদ্ধি ঘটাতে। ০৩ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে মেলা দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয় এবং আজ তার সমাপনি দিন। দেড় মাসব্যাপী এ চলমান মেলায় লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থীদের মেলা পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে আমাদের উদ্যোগ সফল হয়েছে। আমি মেলায় অংশগ্রহনকারী সকল প্রতিষ্ঠানকে হাজারো কষ্টের মাঝেও মেলায় অংশগ্রহনের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আগামীতে সকলের সহযোগীতায় এ মেলা আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হবে বলে আমি আশা প্রকাশ করছি। সাথে সাথে তিনি স্থানীয় সাংসদ, পুলিশ, র‌্যাব, ফায়ার সার্ভিস, আনসার,পিডিবি, সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা, মেলার সহযোগী প্রতিষ্ঠান সহ মেলায় অংশগ্রহনকারী সকল স্টল এবং প্রতিষ্ঠান সহ এলাকাবাসীকে তাদের সহযোগীতার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি আগামীতে এ মেলা আরও বড় পরিসরে আয়োজনের আশ্বাস প্রদান করেন।