রাউজানের কাগতিয়ায় মুনিরিয়ার সমাবেশ প্রতিহত করার ঘোষনা

0
7

শফিউল আলম, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ আগামীকাল ২২ মাচ রবিবার রাউজানের কাগতিয়ায় কাগতিয়ার পীর মুনিরউল্ল্রাহ ও তার অনুসারীদের দীর্ঘ একবৎসর পর ধর্মীয় অনুৃষ্টানের নামে সমাবেশ করার প্রস্তুৃুিত নিয়েছে । সমাবেশের পোষ্টার ব্যানাার ফেস্টুন চট্টগ্রাম নগরী ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা এলাকায় লাগানো হয়েছে । সারা দেশে নভেল করোনা ভাইরাসের কারনে সভা সমাবেশ, ধর্মীয় অনুষ্টান বিবাহ, মেজবান সহ সকল ধরনের অনুষ্টান করতে পারবেনা বলে সরকার ঘোষনা প্রদান করলে ও কাগতিয়া পীর মুনিরুল্লাহ ও তার অনুসারীরা আগামী ২২ মার্চ রবিবার কাগতিয়া সমাবেশের নামে মহড়া দেওয়ার পায়তারা করছে বলে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন রাউজান পৌরসভার ২য়প্যনেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ ।রাউজানের কাগতিয়ায় মুনিরিয়ার সমাবেশ স্থল ঘেরা ও কর্মসুচি করার দাবীতে রাউজানের সর্বস্তরের জনগনের উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রাউজান পৌরসভার ২য় প্যনেল মেয়র ও মুনিরিয়া বিরোধী আন্দোলনের মুখপত্র জমির উদ্দিন পারভেজ আরো বলেন, কাগতিয়ার পীর মুনিরুল্লাহ ও তার অনুসারীর, রাউজান পৌরসভার ২য় প্যনেল মেয়র ও মুনিরিয়া বিরোধী আন্দোলনের মুখপত্র জমির উদ্দিন পারভেজ । গত ২০ মার্চ শুক্রবার বিকাল ৫ টার সময় রাউজান উপজেলা সদরের মুন্সির ঘাটায় কাগতিয়ার পীর মুনিরুল্ল্যাহর নির্দেশে তার অনুসারীরা নিরিহ কিশোর নঈম উদ্দিনকে প্রকাশ দিবালোকে হত্যা করে। মুক্তিযোদ্বা শফিকুল আনোয়ার, আওয়ামী লীগ নেতা মোজ্জামেল হককে গত ২০১৯ সালের ১৭ এপ্রিল রাউজানের রমজান আলীর হাট বাজারের উত্তরে হাফেজ বজলুর রহমান সড়কে আটক করে কাগতিয়ার পীর মুনিরুল্লাহর অনুসারীরা হামলা করে। আওয়ামী লীগ নেতা মোজ্জামেল হক, মুক্তিযোদ্বা শফিকুল আনোয়া, আনেক আলেম ওলামা, ব্যবসায়ী, পেশাজীবিদের উপর হামালা করে তাদের উপর নির্যাতন করে। এ সব ঘটনার পর রাউজানের সর্ব স্তরের জনতা, মুক্তিযোদ্বা, নির্যতিত আলেম ওলামারা কাগতিয়ার পীর মুনিরউল্ল্রাহ ও তার অনুসারীদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্বে চট্টগ্রাম নগরী, ঢাকায় রাউজানে মানববন্দ্বন, প্রতিবাদ সভা, অনশন ধর্মঘট কর্মসুচি সড়ক অবরোধ কর্মসুচি, পরিবহন মালিকেরা ও পরিবহন শ্রমিকেরা পরিবহন ধর্মঘট পালিন করে। আওয়ামী লীগ নেতা মোজ্জামেল হক, মুক্তিযোদ্বা শফিকুল আনোয়া, আনেক আলেম ওলামা, ব্যবসায়ী, পেশাজীবি রিকসা চালক তাদের উপর হামলার ঘটনার বিষয়ে রাউজান থানায় কাগতিয়ার পীর মুনিরুল্লাহ ও তার অনুসারীদের বিরুদ্বে মামলা করে। র্নিযাতিত মানুষের আর্তনাদে রাউজানের সর্ব স্তরের জনতা ঐক্যবদ্ব হয়ে আন্দোলনে মাঠে নামলে কাগতিয়ার পীর মুনির উল্ল্রাহ ও তার অনুসারীরা রাউজান থেকে পালিয়ে গিয়ে জনতার রোষানল থেকে রক্ষা পায় । কাগতিয়ার পীর মুনিরুল্লাহ ও তার অনুসারী সন্ত্রাসীরা আগামী ২২ মার্চ রবিবার কাগতিয়ায় ধর্মীয় অনুষ্টানের নামে সমাবেশ করার মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের দিয়ে মহড়া দিয়ে শান্তির জনপদ রাউজানকে আবারোা সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত করার প্রচেষ্টায় মেতে উঠেছে । আগামকাল ২২ মার্চ রবিবার ধর্মীয় অনুষ্টানের নামে সন্ত্রাসীদের নিয়ে সমাবেশ করলে রাউজানের সকল শ্রেনীও পেশার মানুষ কাগতিয়ায় ঘেরাও কর্মসুচি করে সমাবেশ প্রতিহত করবেন বলে জানান সংবাদ সম্মেলনে রাউজান পৌরসভার ২য় প্যনেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ । সংবাদ সম্মেলনে কাগতিয়া সমাবেশ করা হলে রাউজানের সর্বস্তরের জনতা তা যে কোন মুল্যে প্রতিহত করবেন । এ ব্যাপারে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন রাউজান পৌরসভার ২য় প্যনেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ । সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম,উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পৌর কাউন্সিলর আলমগীর আলী, রাউজান উপজেলঅ আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক রাউজান পৌরসভার প্যনেল মেয়র বশির উদ্দিন খান, রাউজান পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, পৌর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্বা শফিকুল ইসলাম,মুক্তিযোদ্বা আব্বাস উদ্দিন আহম্মদ, চেয়ারম্যোন আলহাজ¦ আবদুর রহমান চৌধুরী, চেয়ারম্যান বিএম জসিম উদ্দিন হিরু, তসলিম উদ্দিন চৌধুরী, সাহাবুউদ্দিন আরিফ, সরোয়ার্দি সিকদার, রাউজান পৌরসভার কাউন্সিলর জানে আলম জনি, এডভোকেট দিলিপ কুমার চৌধুরী, আজাদ হোসেন, শওকত হাসান চৌধুরী, সহ রাউজানের সকল চেয়ারম্যান ও পৌর কাউন্সিলর গন । সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা যুবলীগ নেতা সারজু মোহাম্দ নাসের, আহসান হাবিব চৌধুরী, হাসান মোহাম্মদ রাসেল, সাবের উদ্দিন, আসাদ, আবু সালেক, আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল আমিন, ছাত্রলীগ নেতা জিল্লুর রহমান মাসুদ, সাখাওয়াত হোসেন পিপলু, শ্রমিক নেতা ইউনুছ, আবদুল মোতালেব প্রমুখ । এ ব্যাপারে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেনায়েদ কবির সোহাগ বলেন, নভেল করোনা ভাইরাস এর প্রার্দুভাব থেকে জনগনকে রক্ষার জন্য সরকার সারাদেশে সভা সমাবেশ বিবাহ মেজবান, জনসমাগম নিষিদ্ব করেছে । সরকারের নির্দেশ অমান্য করে ধর্মীয় অনুষ্টানের নামে সভা সমাবেশ করলে, সে যে হউক না কেন তাদের বিরুদ্বে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।