রাউজানের মেলুয়া সহ পাহাড়ী এলাকার ফসলী জমি থেকে নির্বিচারে কাটা হচ্ছে মাটি

0
75

শফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধিঃ

রাউজানে ফসলী জমি থেকে মাটি কাটছে অবাধে ফসলী জমি থেকে মাটি কাটার পর ফসলী জমি মাটি ড্রাম ট্রাক ভর্তি করে ইটের ভাটায় ইট তৈয়ারীর কাজে ব্যবহার করছে ও পুকুর জলাশয় ও রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় ফসলী জমি ভরাট কওে নির্মান করা হচ্ছে ঘর বাড়ী, বাণ্যিজিক প্রতিষ্টান । রাউজান উপজেলার ডাবুয়া ইউনিয়নের মেলুয়া, হলদিয়া ইউনিয়নের বৃকবানপুর, বৃন্দাবনপুর, নন্দগাও, বানারস, রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের জঙ্গল রাউজান, মুখছড়ি, চিকনছড়া, পুর্ব রাউজান, ৭নং রাউজান ইউনিয়নের পুর্ব রাউজান, রানী পাড়া কদলপুর ইউনিয়নের শমশের পাড়া, দক্ষিন শমশের পাড়া, জয়নগর বড়–য়া পাড়া পাহাড়ী এলাকার ফসলী জমি থেকে এসকেভেটার দিয়ে মাটি কেটে ফসলী জমির মাটি ড্রাম ট্রাক ভর্তি করে ইটের ভাটায় নিয়ে যাচ্ছে। ফসলী জমির মাটি দিয়ে ইটের ভাটায় ইট তৈয়ারী করছে ইটের ভাটার মালিকেরা । অপরদিকে প্রতিদিন রাত দশটার পর থেকে ফসলী জমি থেকে এসকেভেটার দিয়ে মাটি খনন করে ফসলী জমির মাটি ড্রাম ট্রাক ভর্তি করে রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় পুকুর জলাশয় কৃষি জমি ভরাট করছে অবাধে । ফসলী জমি থেকে মাটি কাটার সিন্ডিকেটের সদস্যরা রাউজানের বিভিন্ন এলাকা ছাড়া ও হাটহাজারী এলাকায় ফসলী জমির মাটি ড্রাম ট্রাক যোগে বিক্রয় করে আসছে । প্রতিদিন রাত দশটার পর থেকে ভোর রাত পর্যন্ত সময়ে ফসলী জমি থেকে কাটা মাটি ড্রাম ট্রাক করে চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি সড়ক, হাফেজ বজলুর রহমান সড়ক, দোস্ত মোহাম্মদ চৌধুরী সড়ক, রাউজান নোয়াপাড়া সড়ক, অদুদিয়া সড়ক, চিকদাইর সাহেব বাড়ী সড়ক, মরহুম শফিকুল ইসলাম চৌধুরী সড়ক দিয়ে পুকুর জলাশয় ও কৃষি জমি ভরাট করছে । হাটহাজারী গড়দুয়ারা এলঅকার বাসিন্দ্বা ইতালী প্রবাসী শহিদউল্ল্যাহ সিকদার অভিযোগ করে বলেন, তার মাতা হালিমা বেগমের মালিকানাধিন রাউজানের মেলুয়া এলাকায় ৩ একর ২০শতক ফসলী জমি রয়েছে । ৩ একর ২০ শতক ফসলী জমি বর্গা কৃষকদের দিয়ে চাষাবাদ করা হয় । এবারের আমন ধানের মৌসুমে ও ঐ জমিতে আমন ধানের চাষাবাদ করা হয়েছে । আমন ধান কেটে ফেলার পর হালিমা বেগমের মালিকাধিন ফসলী জমির পাশে এম, বি, সি নামের ইটের ভাটার মালিক লোকমান কোম্পানী জমির মালিকের কোন অনুমতি না নিয়ে এসকেভেটার দিয়ে হালিমা বেগমের মালিকাধিন ফসলী জমির মাটি কেটে নিয়ে ইটের ভাটায় ইট তৈয়ারীর কাজে ব্যবহার করছে। একই ভাবে ইতালী প্রবাসী শহিদউল্ল্রাহ সিকদাদের খালা ও হাটাহাজারী মেখল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিনের খালা শ^াশুড়ী সুলতান পুর ছিটিয়া পাড়া এলাকার মোহাম্মদ হারুনের স্ত্রী রেহেনা আকতারের মালিকাধীন ১ একর ৪০ শতক ফসলী জমি থেকে এসকেভেটার দিয়ে মাটি কেটে নিয়েছে ইটের ভাটার মালিক লোকমান কোম্পানী । এম বি, সি ইটের ভাটার মালিক লোকমান কোম্পানীর কাছে ফসলী জমির মাটি কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে লোকমান কোম্পানী বলেন হালিমা বেগমের ও রেহেনা আকতারের জমি ইটের ভাটার জন্য মাটি খনন করতে খাজনা দিয়ে নেওয়া হয়েছে । জমির মালিক হালিমা বেগমের পুত্র ইতালী প্রবাসী শহিদউল্ল্রাহ সিকদার বলেন আমার মাতা ও খালার মালিকানাধিন জমি কারো কাছে খাজনার টাকা দিয়ে লাগানো হয়নি । রাউজানের পাহাড়ী এলাকায় নির্বিচারে ফসলী জমি মাটি খনন করে ইটের ভাটায় ইট তৈয়ারী ও পুকুর জলাশয় ও রাউজানের অনান্য এলাকায় কৃষি জমি ভরাট করে ঘরবাড়ী ও বাণ্যিজিক প্রতিষ্টান নির্মান করায় রাউজানের ফসলী জমির পরিমান দিন দিন কমছে । ফসল উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে । রাউজানে ফসলী জমি থেকে মাটি খনন ও বিভিন্ন এলাকায় কৃষি জমি ভরাট করা প্রসঙ্গে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেনায়েদ কবির সোহাগের কাছে জানতে চাইলে , উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেনায়েদ কবির সোহাগ বলেন কৃষি জমি রক্ষায় সরকার ও উপজেলা প্রশাসন সব সময়ে সতেষ্ট রয়েছে । কৃষি ঝমি ভরাট ও কৃষি জমি থেকে মাটি খনন করা বে আইনী । কৃষি জমি থেকে মাটি খনন ও কৃষি জমি ভরাট কারীদের বিরুদ্বে বিজয় দিবসের পর থেকে অভিযান পরিচালনা করে তাদের বিরুদ্বে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।