রাউজানে ভুল চিকিৎসার কারণে নিভে গেল পরিবারের শেষ প্রদীপ

0
31

শফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধিঃ রাউজান উপজেলার ৭নং রাউজান ইউনিয়নের পুর্ব রাউজান রশিদের পাড়া এলাকার ওমান প্রবাসী জাফরের ৪জন কন্যা সন্তান রয়েছে । প্রবাসী জাফরের কোন ছেলে সন্তান না হওয়ায় প্রবাসী জাফর ও তার স্ত্রী মুন্নি আকতার হতাশ হয়ে পড়ে । পরবর্তী প্রবাসী জাফরের স্ত্রী মুন্নি আকতার পুনারায় গর্ভবর্তী হয় । গত তিন মাস পুর্বে মুন্নি আকতারের গর্ভে থেকে একটি ছেলে সন্তান জম্মলাভ করে । ছেলে সন্তান জম্ম লাভ করায় প্রবাসী জাফর ও তার পরিবারের মধ্যে আনন্দের বন্যা নেমে আসে । মুন্নি আকতারের গর্ভ থেকে জম্ম নেওয়া শিশু সন্তানের নাম রাখেন নেওয়াজ উদ্দিন । প্রবাসী জাফর ও তার স্ত্রী মুন্নি আকতার তার পরিবারের সদস্যদের আনন্দ ম্লান করে দেয় চিকিৎসক মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন । প্রবাসী জাফরের ভাই ফরিদ ও স্ত্রী মুন্নি আকতার অভিযোগ করে বলেন তিন মাস বয়সের শিশু সন্তান নেওয়াজ উদ্দিন গত ২৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্দ্বায় শ^াস কষ্ট রোগে আক্রান্ত হলে স্থানীয় গ্রাম চিকিৎসক আবদুল হাকিমের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় । গ্রাম্য চিকিৎসক আবদুল হাকিমনেওয়াজ উদ্দিনকে দেখে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয় । পরে তিন মাস বয়সের শিশু সন্তান নেওয়াজ উদ্দিনকে নিয়ে নেওয়াজউদ্দিনের জেটা ফরিদ ও মাতা মুন্নি আকতার রাউজান জলিল নগর বাস ষ্টেশনের সুপার ল্যাব ডায়গনেষ্টিক সেন্টারে আসে । সুপার ল্যাব ডায়গনেষ্টিক সেন্টারে নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ড্ঃ মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিনকে দেখানো হয় । তিন মাস বয়সের শিশু সন্তান নেওয়াজ উদ্দিনকে দেখে সুপার ল্যাব ডায়গনেষ্টিক সেন্টারের চিকিৎসক নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ড্ঃ মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন তাকে হাসপাতালে নিতে হবেনা বলে নিজেই চিকিৎসা করে ঔষধ লিখে দেয় । চিকিৎসকের নিদের্শ অনুসারে চিকিৎসকের লিখে দেওয়া ঔষধ ক্রয় করে বাড়ীতে নিয়ে তিন মাস বয়সের শিশু সন্তান নেওয়াজ উদ্দিনকে খাওয়ানো হয় । ঔষধ খাওয়ানোর পর তিন মাস বয়সের শিশু সন্তান নেওয়াজ উদ্দিন আরো বেশী অসুস্থ হয়ে গেলে তার স্বজনেরা তাকে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তিন মাস বয়সের শিশু সন্তান নেওয়াজ উদ্দিনকে মৃত্যু বলে ঘোষনা করে । তিন মাস বয়সের শিশু সন্তান নেওয়াজ উদ্দিনের জেটা ফরিদ অভিযোগ করে বলেন চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসার কারনে আমার ভাতিজা নেওয়াজ উদ্দিনের মৃত্যু হয়েছে । গতকাল ২৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে তিন মাস বয়সের শিশু সন্তান নেওয়াজ উদ্দিনের পিতার বাড়ী রাউজানের পুর্ব রাউজানের রশিদা পাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায় ঘরের বারান্দায় তিন মাস বয়সের শিশু সন্তান নেওয়াজ উদ্দিনের মৃত দেহ বিছানায় রাখা হয়েছে । মৃত দেহ নিয়ে তার স্বজনেরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ছে । তিন মাস বয়সের শিশু সন্তান নেওয়াজ উদ্দিনের মাতা মুন্নি আকতার পুত্র শোকে অজ্ঞান হয়ে ঘরের মধ্যে পড়ে রয়েছে । এ ব্যাপারে রাউজান জলিল নগর বাস ষ্টেশনের সুপার ল্যাবের মালিক আবু জাফরকে ফোন করে বিষয়টি জানতে চাইলে মালিক আবু জাফর যে চিকিৎসক চিকিৎসা করেছে তার সাথে কথা বলার জন্য বলেন। পরে সুপার ল্যাব ডায়গনেষ্টিক সেন্টারের চিকিৎসক নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ড্ঃ মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিনকে তার মোবাইল ফোন করে জানতে চাইলে. সুপার ল্যাব ডায়গনেষ্টিক সেন্টারের চিকিৎসক নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ড্ঃ মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বলেন আমি সুপার ল্যাব ডায়গনেষ্টিক সেন্টারের চিকিৎসক নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ড্ঃ মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিনকে চিকিৎসা করে ্ঔষধ লিখে দিয়েছি । তার মৃত্যু হয়েছে কি কারনে তা আমি অবগত নয় ।