রাউজানে মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

0
60

শফিউল আলম, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ চামড়ার দাম কম হওয়ায় মৌসুমী কোরবানীর পশুর চামড়া ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত পড়েছে । মৌসুমী কোরবানীর পশুর চামড়া ব্যবসায়ীরা চমড়ার ক্রয় মুল্য থেকে অর্ধেক মুল্যে কোরবানীর পশুর চামড়া বিক্রয় করে লোকসান দিতে হয়েছে । পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে রাউজানের বিভিন্ন এলাকা থেকে কোরবানীর পশু গরুর চামড়া প্রুিতটি ৩শত টাকা করে ক্রয় করে মৌসুমী কোরবানীর পশুর চামড়া ব্যবসায়ীরা । মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা চমড়া ক্রয় করে রাউজান উপজেলা সদরের মুন্সির ঘাটা, গহিরা চৌমুহনী, নোয়াপাড়[া পথের হাট, পাহ্ড়াতলী চৌমুৃহনী এলাকায় এনে স্তুপ করে রাখে । কোরবানীর পশুর চামড়া ক্রয় করার জন্য চট্টগ্রাম শহর ও ঢাকা থেকে প্রতি বৎসর কোরবানীর দিনে চামড়া ব্যবসায়ীরা আসলে ও গত ১২ আগষ্ট সোমবার ঈদুল আজহার দিনে ব্যবসায়ীরা আসেনি । কয়েকজন ব্যবসায়ী এসে ২শত টাকা থেকে ২শত ৬০ টাকা করে চামড়া ক্রয় করে নিয়ে যায় । রাউজান দারুল ইসলাম কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আল্লামা রফিক আহম্মদ ওসমানী জানান দারুল ইসলাম কাশিল মাদ্রাসার জন্য রাউজানের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭শত ৫০টি চামড়া সংগ্রহ করে। সংগ্রহিত চামড়া প্রতিটি ২শত ৪০ টাকা করে বিক্রয় করে। রাউজানের মোহাম্মদপুর মহিউল উলুম মাদ্রাসা ৮শত ৫২টি চামড়া সংগ্রহ করে। প্রতিটি চামড়া ২শত ৬০ টাকা করে বিক্রয় করে বলে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য সারজু মোহাম্মদ নাসের জানান । রাউজানের কলমপতি এলাকার বাসিন্দ্বা বাহাদুর কোরবানীর দিনে প্রতিটি গরুর চামড়া ৩শত টাকা থেকে ৪শত টাকা করে ক্রয় করেন । এলাকার কোরবানীদাতাদের কাছ থেকে চামড়া ক্রয় করে বাহাদুর চামড়াগুলো মুন্সির ঘাটায় নিয়ে যায়। মুন্সির ঘাটা এলাকায় ঈদুল আজহার দিনে সন্দ্ব্যায় প্রতিটি চামড়া ক্রয় মুল্য থেকে ১শত টাকা থেকে ২শত টাকা কম দিয়ে ২শত টাকা করে বিক্রয় করে মৌসুমী কোরবানীর চামড়া ব্যবসায়ী বাহাদুর । রাউজান পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের শরীফ পাড়া এলাকার আবদুল শুক্কুর এলাকার মার্দ্রাসার জন্য ২৩টি চামড়া সংগ্রহ করে প্রতিটি চামড়া ১শত ৮০ টাকা করে ব্ক্রিয় করে বলে জানান আবদুল শুক্কুর । এলাকা থেকে বেশী দামে চামড়া ক্রয় করে চামড়া বিক্রয় করার জন্য নিয়ে গিয়ে চামড়ার বাজার দর কম হওয়ায় রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় কয়েকশত মৌসুমী কোরবানীর পশুর চামড়া ব্যবসায়ীরা ক্রয় মুল্য থেকে অর্ধেক দামে চামড়া বিক্রয় করে লোকসান গুনতে হয়েছে ।