শামসুর-ইমরুল প্রতিরোধে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৩১১ রান

0
4

shamsur and kayesশামসুর রহমান ধৈর্য হারালেন। ১৯১ বলে সাজানো তাঁর ১০৬ রানের ইনিংসটিকে তিনি হয়তো টেনে নিয়ে যেতে পারতেন আরও কিছুদূর। কিন্তু অজন্তা মেন্ডিসের বলটি টেনে খেলতে গিয়ে তিনি ফিরলেন সাজঘরে। তার পরও জীবনের মাত্র তৃতীয় টেস্ট ইনিংসে তাঁর এই শতক বাহবা পেতেই পারে। নিজের ব্যাটিং প্রতিভাটাকে তিনি আজ পারফরম্যান্সে অনূদিত করেই নিজের অন্তর্ভুক্তির যথার্থতা প্রমাণ করলেন।
কিছুদিন আগেই বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে ২৬৭ রানের অনন্য এক ইনিংস খেলেছিলেন শামসুর। বড় ইনিংস খেলার সামর্থ্য যে তাঁর আছে, তার জানান দিয়েই রেখেছিলেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রামে তাঁর এই শতকটিকে তাই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেকে শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করারই প্রথম ধাপ হিসেবে দেখতে পারেন শামসুর।
শামসুরের পাশাপাশি ইমরুল কায়েসও কম যান না। সেঞ্চুরি পেয়েছেন তিনিও। দীর্ঘ দিন বাদে জাতীয় দলে ফেরাটাকে তিনি উদযাপন করলেন বেশ দারুণভাবেই। ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ব্লুমফনটেইনে অভিষিক্ত ইমরুল আজ পেলেন তাঁর বহু আরাধ্য টেস্ট সেঞ্চুরিটি। এর আগে ফিফটি পেয়েছিলেন একটি, সে-ও অনেক দিন আগে। একটা সময়ে বাংলাদেশের পক্ষে ইনিংসের গোড়াপত্তনে যাঁর নামটা প্রায় স্থায়ীই হয়ে গিয়েছিল, সেই ইমরুল জাতীয় দলে সুযোগই পাননি মাঝের দুটি বছর। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলার পুরস্কার হিসেবে আবারও জাতীয় দলে ফেরার সুযোগটা নিলেন তিনি অসাধারণভাবেই। চট্টগ্রাম টেস্টে তাঁর সেঞ্চুরিটিও যেন জানান দিচ্ছে তাঁর ক্ষমতার। একটি ভালো টেস্ট দল হয়ে ওঠার লড়াইয়ে থাকা বাংলাদেশ তাঁর ফেরাকে স্বাগত জানাচ্ছে দারুণ আন্তরিকতার সঙ্গেই।
এই প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৩১১ রান