সনি হত্যার বিচার না হওয়ায় আবারো শিক্ষার্থী আবরার খুন হলেন

0
30

শফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধিঃ

গত ২০০২ সালের ৮জুন তৎকালীন ছাত্রদলের ক্যাডারদের টেন্ডার নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিতে নিহত হয় বুয়েটের শিক্ষার্থী সাবেকুনাহার সনি । সনি হত্যাকান্ডের পর সনির হত্যাকারীরা বুয়েটের রমীদ হলে অবস্থান করার সংবাদ পেয়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থী মিছিল করে রশীদ হল ঘেরাও করে। ঐসময়ে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সনি হত্যার খুনিদের গ্রেফতার করার দাবী জনায় শিক্ষার্থীরা । সনি হত্যার খুনিদের অবস্থান করা হল ঘেরাও করে রাখার পর বিলম্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পুলিশ সনি হত্যাকারী খুনিদের দাবীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদেরকে লাঠিপেঠা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এই সুযোগে খুনিরা পালিয়ে যায় ।সাবেকুন নাহার সনি হত্যার মামলার রায়ে দন্ডপ্রাপ্ত প্রধান আসামী রাউজানের কদলপুর ইউনিয়নের ভোমর পাড়া এলাকার কদলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়ার পুত্র মোক্কামেল হায়াত খান মুকি সনি হত্যাকান্ডের পর থেকে ধরা পড়েনি । মোক্কামেল হায়াত খান মুকি বিদেশে পাড়ি জমালে ও বিদেশ থেকে গোপনে চট্টগ্রাম শহরের তাদের বাসায় ও রাউজানের গ্রামের বাড়ীতে এসে কয়েকদপে ঘুরে যায় বলে এলাকার লোকজন জানায় । সাবেকুননাহার সসি হত্যার সাথে জড়িত খুনিদের গ্রেফতার হয়ে শাস্তি ভোগ না করায় আবারো বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরারকে হত্যা করেছে । আবরার হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ১০জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া ১৩ জনের মধ্যে ১০জনকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। বুয়েট ছাত্রী সাবেকুননাহার সনি হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত খুনিরা গ্রেফতার না হয়ে এখনো আতর্œগোপনে থাকলে ও ীীশক্ষার্থী আবরার হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতরা হত্যকান্ডের পর পর আইন শৃংখরা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে । বুয়েট শিক্ষার্থী সাবেকুননাহর সনি হত্যার সাথে জড়িত ছাত্রদল নেতাদের দল থেকে বহিস্কার করা হয়নি ।