‘সাংবাদিকরা দেশের উন্নয়নের অপরিহার্য অংশ’

0
3

মিডিয়াবর্তমানে বাংলাদেশে মিডিয়া সেন্সরশিপ নেই মন্তব্য করে প্রধান তথ্য অফিসার একেএম শামীম চৌধুরী বলেছেন, ‘তবে বিবেকের সেন্সরশিপ রয়েছে। সরকার সাংবাদিকদের মাধ্যমে অনেক তথ্য জেনে সে মোতাবেক সিদ্ধান্ত নেয়। সাংবাদিকরা দেশের উন্নয়নের অপরিহার্য অংশ। কাজেই দেশে স্থিতিশীল গণতন্ত্র এবং উন্নয়নের স্বার্থে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে হবে।’

সোমবার (১৩ জুন) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে আঞ্চলিক তথ্য অফিস, পিআইডি চট্টগ্রাম আয়োজিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় জেলা প্রশাসক মেজবাহ্ উদ্দিন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, বর্তমান সভাপতি কলিম সারোয়ার, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি রিয়াজ হায়দার, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক নাজিমুদ্দিন শ্যামল, চৌধুরী ফরিদ ও মিন্টু চৌধুরী বক্তব্য দেন। সাংবাদিকরা নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নসহ তাদের বিভিন্ন দাবি প্রধান তথ্য অফিসারের নিকট তুলে ধরেন এবং দাবি আদায়ে তার সহযোগিতা কামনা করেন। সাংবাদিকরা আঞ্চলিক হিসেবে পত্রিকার বৈষম্য দূর, সঠিক শ্রেণি বিন্যাসকরণ, পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, অপ-সাংবাদিকতা রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রভৃতি বিষয় তুলে ধরেন।

প্রধান তথ্য অফিসার বলেন, সরকারের গতিশীল নেতৃত্ব ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেওয়ায় বিগত কয়েক বছর মাথাপিছু আয় ১০০ ডলার করে বেড়েছে। তিনি বলেন, সরকার সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট করেছে এবং তাতে থোক বরাদ্দ দিয়েছে। সাংবাদিকদের কল্যাণে কেন্দ্রীয় কাঠামো করার চিন্তা ভাবনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প জনগণের নিকট তুলে ধরতে তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানান। পরে তিনি দৈনিক পূর্বকোণ অফিস পরিদর্শন করেন এবং পূর্বকোণ সম্পাদক স্থপতি তসলিমউদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় বার্তা সম্পাদক কলিম সরওয়ার, চিফ রিপোর্টার নওশের আলী খানসহ সিনিয়র সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

সকালে তিনি আঞ্চলিক তথ্য অফিস, চট্টগ্রামে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি অফিসের কার্যক্রমের খোঁজ নেন এবং সরকারি প্রচার সঠিকভাবে তুলে ধরতে কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা আনতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ দেন।